সংবাদ শিরোনাম
Home / জাতীয় / আন্দোলনে ঢাবি উপাচার্য ও শিক্ষক সমিতির সমর্থন

আন্দোলনে ঢাবি উপাচার্য ও শিক্ষক সমিতির সমর্থন

ক্রাইম প্রতিদিন, ডেস্ক : সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে সংহতি জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। আজ বুধবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ সমর্থন জানান।

এ সময় শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি মেনে নিয়ে কোটা সংস্কারের ব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান উপাচার্য। তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের এ আন্দোলন যৌক্তিক। আমরা এ আন্দোলনে পূর্ণ সমর্থন জানাই।’

পুলিশের আইজিপির প্রতি আহ্বান জানিয়ে ঢাবি উপাচার্য বলেন, শিক্ষার্থীরা গণতান্ত্রিক পন্থায় অহিংস আন্দোলন করছে। কোনো ধরনের নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের উপর যেন কোনো পুলিশি হামলা না চালানো হয়।

এদিকে দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনে সমর্থন জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শিবলী রুবাইতুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার কথা জানায় শিক্ষক সমিতি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কারের যৌক্তিক দাবির প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে আমাদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করছি। শিক্ষক সমিতি মনে করে এই কোটা সংস্কার এখন যুগের চাহিদা। সেই অনুযায়ী কোটা সংস্কার বিষয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সুস্পষ্ট সিদ্ধান্ত দ্রুততম সময়ে ঘোষণা করার জন্য আমরা আহ্বান জানাই।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, শিক্ষার্থীদের নিয়মতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চলাকালীন কোনরূপ পুলিশি ব্যবস্থা গ্রহণ থেকে বিরত থাকার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আমরা আহ্বান জানাই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিধানে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছে।

দুপুর দেড়টার দিকে সভাপতি অধ্যাপক মাকসুদ কামাল ও সাধারণ সম্পাদক শিবলী রুবাইতুল ইসলামের নেতৃত্বে শিক্ষক সমিতির সকল শিক্ষকবৃন্দ রাজু ভাস্কর্যে এসে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সংহতি জানান।

এ বিষয়ে অধ্যাপক মাকসুদ কামাল বলেন, ‘কোটা ব্যবস্থার যৌক্তিক ও যুগোপযোগী সমাধানের জন্য আমরা সরকারের উচ্চপর্যায়ে আলোচনা করেছি। আমরা শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে একমত। শিক্ষার্থীরা যারা আহত হয়েছে তাদের যেন সরকারের ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।’

ওই অধ্যাপক আরও বলেন, ‘শিক্ষক সমিতির দায়িত্বই হলো শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়ে কথা বলা। এ ব্যাপারে আমরা সরকার ও পুলিশের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’

Print Friendly, PDF & Email

এই মুহূর্তে অন্যরা যা পড়ছে