Home / লিড নিউজ / সংসদ নির্বাচনে একরামই হবেন নোয়াখালী-৪ আ’লীগের প্রার্থী : সেতুমন্ত্রী

সংসদ নির্বাচনে একরামই হবেন নোয়াখালী-৪ আ’লীগের প্রার্থী : সেতুমন্ত্রী

ক্রাইম প্রতিদিন, সালাহ উদ্দিন সুমন, নোয়াখালী : যতই দিন যাচ্ছে আগামী সংসদ নির্বাচন নিয়ে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎকন্ঠা ততই বিরাজ করছে। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে সুবর্ণচরে এক বিশাল জনসভায় সড়ক ও সেতুমন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের নিশ্চিত করেছেন আগামী সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৪ আসনে একরামই আওয়ামীলীগের একক প্রার্থী ।

একই সাথে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম হানিফ ঐ জনসভাই বলেন একরামুল করীম চৌধুরী প্রমান করেছেন বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে একরামের মত নেতার প্রয়োজন আছে।

আর একরামুল করিম চৌধুরীকে ঘিরে চলছে সভা সমাবেশ তথা প্রচার প্রচারনা। একরামুল করিম চৌধুরী যেখানে যাচ্ছেন,সেখানে নেতাকে ঘিরে ভিড় করছেন সাধারন নেতাকর্মী সমর্থকরা।

সুবর্ণচরে সরেজমিনে গেলে ৬০ বছরের বৃদ্ধ কৃষক মফিজুর রহমান মাঠ থেকে উঠে এসে জানান, একরামই আবার এমপি হবে। কারন আমরা তাকেই ভোট দেব। চরাঞ্চলে তিনি যে উন্নয়ন করেছেন যা আমরা স¦প্নেও ভাবতে পারিনাই। বাপের পোলা বলে কথা। হাজী সাবের মতো তিনিও দান খয়রাত করেন। গরীবের দুঃখ বুঝেন।

নোয়াখালী-৪ আসনে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক অবস্থান বেশ মজবুত। দুই দফায় এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও মজবুত করেছেন একরামুল করিম চৌধুরী। কেন্দ্র থেকেও তার নমিনেশনের গ্রীন সিগনাল এসে গেছে। আর তাই নেতাকর্মীরা তাকে ঘিরেই দলের সব কর্মসূচি পালন করছেন। একরামুল করিম চৌধুরী জানিয়েছেন, তার বাবা মুক্তিযোদ্ধা হাজী ইদ্রিস মিয়া নোয়াখালীতে আওয়ামীলীগকে সু-সংগঠিত করার বেলায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন।

তিনিও জেলার পাশাপাশি তার নির্বাচনী এলাকায় সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করে আসছেন। মাঠ পর্যায়ে দলকে আরও সু-সংগঠিত করেছেন। তিনি নির্বাচিত হওয়ার পর সদর ও সুবর্ণচর উপজেলার উন্নয়নে হাজার কোটি টাকার উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন।
তিনি আগামীতেও দলের মনোনয়ন এবং নির্বাচিত হয়ে এলাকার উন্নয়নে আরও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে চান।

এদিকে একরামুল করিম চৌধুরী ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী মো. শাজাহানকে পরাজিত করেছিলেন। যে আসনে তিন দফায় নির্বাচিত হয়েছিলেন মো. শাহজাহান। স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও বিএনপি ঘরানার নেতাকর্মীদের কাছে দুই নেতারই স্বচ্ছ ইমেজ রয়েছে। দুই নেতাকে ঘিরেই নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত হয়েছেন।

এই আসনটি আওয়ামী লীগের জন্য মর্যাদা অব্যাহত রাখা এবং বিএনপির জন্য হারানো মর্যাদা ফিরিয়ে আনার লড়াই। এই আসনের সাবেক এমপি মো. শাহজাহান বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকার শীর্ষে রয়েছেন।

বিএনপির এই কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যানের সঙ্গে মনোনয়নের প্রতিযোগিতা করবেন নোয়াখালী পৌরসভার সাবেক মেয়র হা

রুনুর রশিদ আজাদ। জেলা জাতীয় পাটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোবারক হোসেন আজাদ ও বর্তমানে জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব বোরহান উদ্দিন আহমেদ মিঠুও দলের সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকায় রয়েছেন।

একরামুল করিম চৌধুরীর দলীয় মনোনয়ন প্রসঙ্গে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ খায়রুল আনম সেলিম চৌধুরী,জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক সামছুদ্দিন জেহান, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল ওয়াদুদ পিন্টু বলেছেন, পর পর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হয়ে যিনি মরহুম আবদুল মালেক উকিলের হারানো আসনটি আওয়ামীলীগকে উপহার দিয়ে নেতা কর্মীসহ সদর- সুবর্ণচরের জনগনের মন কেড়ে নিয়েছেন। বিগত আমলে আমাদের এ আসন মালেক উকিলের পরে কেউ আনতে পারেনি। একমাত্র আমাদের নেতা একরামুল করীম চৌধুরী এমপি তা পেরেছেন। নোয়াখালীতে তার বিকল্প কেউ নাই। তাই আগামী নির্বাচনে আমরা তাকে আবার ও বিজয়ী করবো।

আরও পড়ুন.......

শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন
  • 227
    Shares