Home / সারাদেশ / কুড়িগ্রামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ রাস্তা সংস্কার না হওয়ায় চলাচলের ঝুঁকিতে এলাকাবাসী

কুড়িগ্রামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ রাস্তা সংস্কার না হওয়ায় চলাচলের ঝুঁকিতে এলাকাবাসী

ক্রাইম প্রতিদিন, রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম : কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে গত বছরে স্বরণ কালের ভয়াবহ বন্যায় পাকা রাস্তা গুলো প্রবল স্রোতে ভেঙ্গে গিয়ে ক্ষতবিক্ষত হয়েছে। গত এক বছর পেড়িয়ে গেলেও উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের প্রায় ১৪ কিলোমিটার পাকা রাস্তা সংস্কারে কোন উদ্যোগ নেয়নি উপজেলার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
ফুলবাড়ী সদর থেকে কুড়িগ্রাম জেলা শহরে যাওয়ার যোগাযোগের একমাত্র পাকা রাস্তা গুলো বিশাল বিশাল আকৃতির গভীর খালে পরিনিত হয়েছে। প্রয়োজনের তাগিতে বাধ্য হয়ে প্রতিদিন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভাঙ্গাচুরা পাকা রাস্তা দিয়ে চলাচল করছে। ফলে ভাঙ্গাচুরা পাকা রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে প্রতিদিনেই অহরহ দুর্ঘটনা স্বীকার হচ্ছে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসী। যেন দেখার কেউ নেই।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, গত এক বছরেও অধিক সময় পেড়িয়ে গেলেও উপজেলার সদর থেকে বাংলাবাজার সড়কে ৫ কিলোমিটার, বড়ভিটা থেকে খরিবাড়ী সড়কে ৪ কিলোমিটার, বড়ভিটা বাজার থেকে বড়লই বাজার যাওয়া সড়কে ৩ কিলোমিটার, বড়ভিটা বাজার থেকে হাজিরহাট সড়কে ২ কিলোমিটারসহ ১৪ কিলোমিটার পাকা রাস্তায় বিশাল বিশাল আকারে ভাঙ্গাচুরা থাকায় চরম জনদুর্ভোগের স্বীকার হচ্ছে শিক্ষার্থীসহ হাজার হাজার সাধারণ মানুষ। পাকা রাস্তা গুলো বেহাল দশার কারণে ঠিকমত চলাফেরা বা হাটবাজা করতে পারছে না এবং জেলা ও উপজেলা সদরে যাওয়ার পণ্য পরিবহন কষ্টকর ও ব্যয় বহুল হয়ে পড়েছে। ফলে অন্যান্য বাজারের চেয়ে বড়ভিটা ইউনিয়নের সব হাট-বাজার গুলোতে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম দিগুণ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
এলাকাবাসী আব্দুল কাদের, মতিন মিয়া ও মিলন চন্দ্র রায় জানান, আমরা প্রতিদিনেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভাঙ্গাচুরা রাস্তা দিয়ে চলাচল করছি। গত এক বছরেও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পাঁকা রাস্তা গুলো সংস্কারের উদ্যোগ নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এ ব্যাপারে বড়ভিটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খয়বর আলী জানান, গত এক বছর ধরে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পাকা রাস্তা গুলো সংস্কারের জন্য উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত ভাবে আবেদন করেও এখন পর্যন্ত সংস্কারের কোন ব্যবস্থা নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। প্রয়োজনের তাগিদে উপজেলাসহ বড়ভিটা ইউনিয়নের হাজার হাজার জনসাধারণ প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পাঁকা রাস্তা দিয়ে চলাচল করছে। যে কোন সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই দ্রুত সময়ে ক্ষতিগ্রস্থ রাস্তাগুলো সংস্কারে দাবি জানান তিনি।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী আহসান হাবিব জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পাঁকা রাস্তার গুলো মেরামতের জন্য চাহিদাসহ বরাদ্দ চেয়ে ইমার্জেন্সি মেইনটেনেন্স এ ফাইল পাঠানো হয়েছে। অল্প কিছুদিন হল বরাদ্দ এসেছে। বর্ষা মৌসুম গেলে কাজ সর্ম্পূন করা হবে।

এই মুহূর্তে অন্যরা যা পড়ছে

শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন
x

Check Also

প্রতিদিনই চলছে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি, নেই সমন্বয়হীনতা

ক্রাইম প্রতিদিন : রাস্তা সংস্কার, সম্প্রসারণ, ড্রেন ...