বরিশালে পুকুর থেকে বিপুল পরিমাণ ওষুধ উদ্ধার : আটক ২

ক্রাইম প্রতিদিন : বরিশাল শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণীর স্টাফ কোয়ার্টারের ৩ নম্বর পুকুর ও এক আয়ার বাসা থেকে রোগীদের বিনামূল্যে বিতরনে বিপুল পরিমাণ সরকারি ওষুধ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ওষুধের মূল্য লক্ষাধিক টাকা হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে। আজ শুক্রবার সকালে ওষুধগুলি উদ্ধার করা হয়।

হাসপাতালের ওষুধ চুরি করে বাসায় মজুদ করে রাখার অভিযোগে শেবাচিম হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী শেফালী বেগম ও তার ছেলে মামুনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

কোতোয়ালী মডেল থানার উপ পরিদর্শক আবু তাহের জানান, আজ শুক্রবার সকালে তারা কোয়ার্টারের স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে খবর পান যে, সেখানকার একটি পুকুরে বিপুল পরিমাণ ওষুধ ভাসছে। সকাল ১০টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পুকুর থেকে ওষুধগুলো উদ্ধার করে। ওষুধের মোড়কের গায়ে লাল-সবুজ এবং সরকারি ছাপ থাকায় নিশ্চিত হওয়া গেছে যে সেগুলো সরকারি হাসপাতালে রোগীদের বিনামূল্যে সরবরাহের ওষুধ।

তিনি আরও জানান, উদ্ধার করা ওষুধের মধ্যে রয়েছে সেফট্রিয়াক্সোন ইনজেকশন, জেএমআই সিরিঞ্জ, ডেস্কামেটথাসন সোডিয়াম, লার্ব ৫০+, লুমনা-১০, ডমপেরিডন, ভ্যাসোপিস্ক, থিওফাইনিল, জ্যাসোকাইন জেল, ডাইক্লোফেন ইনজেকশন, এনক্লোগ প্লাস, সালবুটামল, এজিথ্রোমাইসিন ৫০০।

এসআই আবু তাহের জানান, স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে তারা জানতে পারেন যে কোয়ার্টারের বাসিন্দা চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী শেফালী আক্তারের ছেলে মামুন বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই ওষুধগুলো পুকুরে ফেলেছে। তার আগে বাসার সামনে কিছু ওষুধ আগুনে পুড়িয়েছে মামুন। এ তথ্যের ভিত্তিতে শেফালী আক্তারের বাসায় অভিযান চালিয়ে তার বাসা থেকে আরও কিছু ওষুধ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে শেফালী আক্তার ও মামুনকে গ্রেফতার করা হয়।

শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ডা. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘শেরে-ই বাংলা মেডিকেলের কোনো ওষুধ চুরি হয়নি। তবে ওষুধগুলো কোথা থেকে কিভাবে এসেছে তা তদন্ত করে দেখা হবে।’

আপনার মন্তব্য লিখুন
শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন
x

Check Also

ঘুরে আসুন ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর

ক্রাইম প্রতিদিন, চাঁদপুর : বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ইলিশের ...