Home / লিড নিউজ / বিএনপির মেয়রপ্রার্থী বুলবুলকে জড়িয়ে ধরলেন আ.লীগের লিটন

বিএনপির মেয়রপ্রার্থী বুলবুলকে জড়িয়ে ধরলেন আ.লীগের লিটন

ক্রাইম প্রতিদিন : রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মেয়রপ্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল ও আওয়ামী লীগের মেয়রপ্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। শুক্রবার (৬ জুলাই) বিকালে একটি বেসরকারি টেলিভিশনের নির্বাচনি টকশো’র দৃশ্যধারণ শেষে মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলকে বুকে জড়িয়ে ধরেন খায়রুজ্জামান লিটন।

খায়রুজ্জামান লিটন রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র। আর মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সদ্য বিদায়ী মেয়র। আগামী ৩০ জুলাই রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে লড়ছেন তারা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আজ (শুক্রবার) বিকাল ৪টা ১৫ মিনিটে রাজশাহী কলেজ মাঠে সময় টেলিভিশনের বার্তা প্রধান তুষার আবদুল্লাহের উপস্থাপনায় নির্বাচনি টকশো’র দৃশধারণ শুরু হয়। প্রায় ৫০ মিনিটের টকশো’তে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মেয়র প্রার্থীরা নিজেদের সফলতা-ব্যর্থতার বিষয়ে আলোচনা করেন। অনুষ্ঠানের শেষদিকে উপস্থাপক তুষার আবদুল্লাহ মেয়রপদে প্রার্থী খায়রুজ্জামান লিটন ও বুলবুলের সৌর্হাদ্যপূর্ণ সম্পর্কের কথা তুলে ধরে নির্বাচনের পরেও এমন সৌর্হাদ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় থাকার আশাবাদ জানিয়ে টকশো শেষ করেন। অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিএনপির মেয়রপ্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল দ্রুত হেঁটে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করতে উদ্যত হন। এসময় সামনে এগিয়ে এসে বুলবুলকে বুকে জড়িয়ে নেন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। এরপর তারা পরস্পরের সঙ্গে কোলাকুলি করেন।

টকশো’তে খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, ‘আমি মেয়র না হওয়ার পরও উন্নয়নমূলক প্রকল্প পাওয়ার আশায় অনেকবার বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে গেছি। কিন্তু মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল মেয়র হওয়ার পরও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেননি। এমনকি, প্রধানমন্ত্রী কয়েকবার রাজশাহীতে আসলেও বুলবুল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেননি। তিনি রাজশাহীর উন্নয়নের জন্য কোনও প্রকল্প ও বরাদ্দ চাননি প্রধানমন্ত্রীর কাছে। এতে করে পিছিয়েছে রাজশাহী।’

বিএনপির মেয়রপ্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল বলেন, ‘আগামী দিনে নির্বাচিত হয়ে আসতে পারলে চলমান কাজগুলো শেষ করা যাবে। সেইসঙ্গে নতুন কাজ করা হবে। তাহলে নগরীর উন্নয়ন আরও দৃশ্যমান হবে। আমি মেয়র থাকাকালে স্বল্প সময়ে জনগণের সেবা সঠিকভাবে দিতে পারেননি বলে নেতাকর্মীসহ জনগণের নিকট ক্ষমাপ্রার্থনা করছি। সেইসঙ্গে স্বল্প সময়ের মধ্যে যেভাবে নগরীর উন্নয়ন চলমান রেখেছি তা শেষ করার জন্য আগামী ৩০ জুলাই সিটি নির্বাচনে পুনরায় আমাকে ভোট দিয়ে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সবার কাছে অনুরোধ করছি।’

এর আগে গত ২৮ জুন রাসিক নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিনে নির্বাচনের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের অসুস্থ সন্তানকে দেখতে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়েছিলেন আওয়ামী লীগের মেয়রপ্রার্থী খায়রুজ্জামান লিটন। এরও আগে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, সাবেক রাসিক মেয়র মিজানুর রহমান মিনু অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বাসায় দেখতে গিয়েছিলেন খায়রুজ্জামান লিটন।

Print Friendly, PDF & Email

এই মুহূর্তে অন্যরা যা পড়ছে

শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন
  • 60
    Shares
x

Check Also

মনোনয়ন পেয়েই রাজশাহীতে লিটন

ক্রাইম প্রতিদিন : দলীয় মনোনয়ন নিয়ে রাজশাহী ...