Home / খেলাধুলা / ব্রাজিল এগিয়ে অভিজ্ঞতায় পিছিয়ে নেই বেলজিয়ামও

ব্রাজিল এগিয়ে অভিজ্ঞতায় পিছিয়ে নেই বেলজিয়ামও

ক্রাইম প্রতিদিন : রাশিয়া বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালপর্বে সবচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচের স্বীকৃতি পেয়েছে ব্রাজিল-বেলজিয়াম দ্বৈরথ। অভিজ্ঞতার বিচারে অনেক এগিয়ে ব্রাজিল।

আর সাম্প্রতিক অতীতের পারফরম্যান্সে পিছিয়ে নেই বেলজিয়ামও। শক্তিতে দু’দলই প্রায় সমান। অনেক তারকার মধ্যে যে দু’জন ব্রাজিলের ভরসা, তারা হলেন নেইমার ও কুতিনহো।

বেলজিয়ামের ভরসা ইডেন হ্যাজার্ড, লুকাকু, ডি ব্রুইনরা। গোলবার থেকে আক্রমণভাগ, সব জায়গাতেই দু’দলে প্রতিভার ছড়াছড়ি। দু’দলই গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ষোলোতে উঠে।

দ্বিতীয় রাউন্ডে মেক্সিকোকে ২-০ গোলে সহজেই হারিয়েছে ব্রাজিল। সেলেকাওদের দলটি পুরোপুরি ভারসাম্যপূর্ণ। সবচেয়ে ভালো দিক পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের রক্ষণভাগ।

ব্রাজিলের রক্ষণ ভেঙে মাত্র একবারই বল জালে ঢুকেছে সুইজারল্যান্ড ম্যাচে। বাকি তিন ম্যাচে দুর্ভেদ্য ছিল ফ্যাগনার-সিলভা-মিরান্দাদের গড়া দেয়াল। পাশাপাশি উইলিয়ান, কুতিনহো, পাওলিনহো আর ফার্নান্দিনহোদের নিয়ে দুর্দান্ত মাঝমাঠ। আর আক্রমণে তো নেইমার রয়েছেনই।

বিশ্বসেরা দল বলেই ব্রাজিলের বিপক্ষে শেষ চারে ওঠার লড়াইটি উপভোগ করতে চায় বেলজিয়াম। ‘আমরা প্রথম মিনিট থেকে খেলা উপভোগ করতে চাই।

যখন আপনি ব্রাজিলের মুখোমুখি হবেন, মনে রাখতে হবে যে তারা প্রতিযোগিতার সেরা একটি দল’, হাইভোল্টেজ ম্যাচে অবশ্য ব্রাজিলকেই ফেভারিট মানছেন বেলজিয়াম কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। ম্যাচটাকে ‘স্বপ্নের ম্যাচ’ হিসেবে দেখছেন তিনি। ‘এই ম্যাচ আমাদের কাছে

বিশেষ কিছু। আমাদের ছেলেদের জন্য এটা স্বপ্নের ম্যাচ। স্বাভাবিকভাবেই আমরা জিততে চাইব। ব্রাজিলের মতো দলের বিপক্ষে খেলতে হলে আপনাকে আক্রমণে যেতে হবে।

আবার ১১ জনকে নিয়েই রক্ষণে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। আমাদের রক্ষণ সামলাতে হবে। এরপর বলের দখল যখন পাওয়া যাবে, তখন ওদের ভোগাতে হবে। ছেলেরা সেটি করতে প্রস্তুত।’

যতই আক্রমণে যেতে চাক না কেন, বেলজিয়ামকে সেটি করতে হবে এরইমধ্যে আসরের সেরা রক্ষণজুটি সিলভা-মিরান্দাদের ফাঁকি দিয়ে। যেটি সহজ হবে না বলে মনে করেন ফ্রান্সের সাবেক ডিফেন্ডার উইলিয়াম গালাস।

তার কথায়, ‘একজন সাবেক ডিফেন্ডার হিসেবে বলছি, সিলভা ও মিরান্দার খেলা সত্যিই উপভোগ্য। ওদের জুটিটাই আসরের সেরা সেন্টার ব্যাক জুটি।’ সবমিলিয়ে ব্রাজিল-বেলজিয়াম ম্যাচ হতে যাচ্ছে রাশিয়া বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা ম্যাচ। ওয়েবসাইট।রাশিয়া বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালপর্বে সবচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচের স্বীকৃতি পেয়েছে ব্রাজিল-বেলজিয়াম দ্বৈরথ। অভিজ্ঞতার বিচারে অনেক এগিয়ে ব্রাজিল।

আর সাম্প্রতিক অতীতের পারফরম্যান্সে পিছিয়ে নেই বেলজিয়ামও। শক্তিতে দু’দলই প্রায় সমান। অনেক তারকার মধ্যে যে দু’জন ব্রাজিলের ভরসা, তারা হলেন নেইমার ও কুতিনহো।

বেলজিয়ামের ভরসা ইডেন হ্যাজার্ড, লুকাকু, ডি ব্রুইনরা। গোলবার থেকে আক্রমণভাগ, সব জায়গাতেই দু’দলে প্রতিভার ছড়াছড়ি। দু’দলই গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ষোলোতে উঠে।

দ্বিতীয় রাউন্ডে মেক্সিকোকে ২-০ গোলে সহজেই হারিয়েছে ব্রাজিল। সেলেকাওদের দলটি পুরোপুরি ভারসাম্যপূর্ণ। সবচেয়ে ভালো দিক পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের রক্ষণভাগ।

ব্রাজিলের রক্ষণ ভেঙে মাত্র একবারই বল জালে ঢুকেছে সুইজারল্যান্ড ম্যাচে। বাকি তিন ম্যাচে দুর্ভেদ্য ছিল ফ্যাগনার-সিলভা-মিরান্দাদের গড়া দেয়াল। পাশাপাশি উইলিয়ান, কুতিনহো, পাওলিনহো আর ফার্নান্দিনহোদের নিয়ে দুর্দান্ত মাঝমাঠ। আর আক্রমণে তো নেইমার রয়েছেনই।

বিশ্বসেরা দল বলেই ব্রাজিলের বিপক্ষে শেষ চারে ওঠার লড়াইটি উপভোগ করতে চায় বেলজিয়াম। ‘আমরা প্রথম মিনিট থেকে খেলা উপভোগ করতে চাই।

যখন আপনি ব্রাজিলের মুখোমুখি হবেন, মনে রাখতে হবে যে তারা প্রতিযোগিতার সেরা একটি দল’, হাইভোল্টেজ ম্যাচে অবশ্য ব্রাজিলকেই ফেভারিট মানছেন বেলজিয়াম কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। ম্যাচটাকে ‘স্বপ্নের ম্যাচ’ হিসেবে দেখছেন তিনি। ‘এই ম্যাচ আমাদের কাছে

বিশেষ কিছু। আমাদের ছেলেদের জন্য এটা স্বপ্নের ম্যাচ। স্বাভাবিকভাবেই আমরা জিততে চাইব। ব্রাজিলের মতো দলের বিপক্ষে খেলতে হলে আপনাকে আক্রমণে যেতে হবে।

আবার ১১ জনকে নিয়েই রক্ষণে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। আমাদের রক্ষণ সামলাতে হবে। এরপর বলের দখল যখন পাওয়া যাবে, তখন ওদের ভোগাতে হবে। ছেলেরা সেটি করতে প্রস্তুত।’

যতই আক্রমণে যেতে চাক না কেন, বেলজিয়ামকে সেটি করতে হবে এরইমধ্যে আসরের সেরা রক্ষণজুটি সিলভা-মিরান্দাদের ফাঁকি দিয়ে। যেটি সহজ হবে না বলে মনে করেন ফ্রান্সের সাবেক ডিফেন্ডার উইলিয়াম গালাস।

তার কথায়, ‘একজন সাবেক ডিফেন্ডার হিসেবে বলছি, সিলভা ও মিরান্দার খেলা সত্যিই উপভোগ্য। ওদের জুটিটাই আসরের সেরা সেন্টার ব্যাক জুটি।’ সবমিলিয়ে ব্রাজিল-বেলজিয়াম ম্যাচ হতে যাচ্ছে রাশিয়া বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা ম্যাচ। ওয়েবসাইট।রাশিয়া বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালপর্বে সবচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচের স্বীকৃতি পেয়েছে ব্রাজিল-বেলজিয়াম দ্বৈরথ। অভিজ্ঞতার বিচারে অনেক এগিয়ে ব্রাজিল।

আর সাম্প্রতিক অতীতের পারফরম্যান্সে পিছিয়ে নেই বেলজিয়ামও। শক্তিতে দু’দলই প্রায় সমান। অনেক তারকার মধ্যে যে দু’জন ব্রাজিলের ভরসা, তারা হলেন নেইমার ও কুতিনহো।

বেলজিয়ামের ভরসা ইডেন হ্যাজার্ড, লুকাকু, ডি ব্রুইনরা। গোলবার থেকে আক্রমণভাগ, সব জায়গাতেই দু’দলে প্রতিভার ছড়াছড়ি। দু’দলই গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ষোলোতে উঠে।

দ্বিতীয় রাউন্ডে মেক্সিকোকে ২-০ গোলে সহজেই হারিয়েছে ব্রাজিল। সেলেকাওদের দলটি পুরোপুরি ভারসাম্যপূর্ণ। সবচেয়ে ভালো দিক পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের রক্ষণভাগ।

ব্রাজিলের রক্ষণ ভেঙে মাত্র একবারই বল জালে ঢুকেছে সুইজারল্যান্ড ম্যাচে। বাকি তিন ম্যাচে দুর্ভেদ্য ছিল ফ্যাগনার-সিলভা-মিরান্দাদের গড়া দেয়াল। পাশাপাশি উইলিয়ান, কুতিনহো, পাওলিনহো আর ফার্নান্দিনহোদের নিয়ে দুর্দান্ত মাঝমাঠ। আর আক্রমণে তো নেইমার রয়েছেনই।

বিশ্বসেরা দল বলেই ব্রাজিলের বিপক্ষে শেষ চারে ওঠার লড়াইটি উপভোগ করতে চায় বেলজিয়াম। ‘আমরা প্রথম মিনিট থেকে খেলা উপভোগ করতে চাই।

যখন আপনি ব্রাজিলের মুখোমুখি হবেন, মনে রাখতে হবে যে তারা প্রতিযোগিতার সেরা একটি দল’, হাইভোল্টেজ ম্যাচে অবশ্য ব্রাজিলকেই ফেভারিট মানছেন বেলজিয়াম কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। ম্যাচটাকে ‘স্বপ্নের ম্যাচ’ হিসেবে দেখছেন তিনি। ‘এই ম্যাচ আমাদের কাছে

বিশেষ কিছু। আমাদের ছেলেদের জন্য এটা স্বপ্নের ম্যাচ। স্বাভাবিকভাবেই আমরা জিততে চাইব। ব্রাজিলের মতো দলের বিপক্ষে খেলতে হলে আপনাকে আক্রমণে যেতে হবে।

আবার ১১ জনকে নিয়েই রক্ষণে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। আমাদের রক্ষণ সামলাতে হবে। এরপর বলের দখল যখন পাওয়া যাবে, তখন ওদের ভোগাতে হবে। ছেলেরা সেটি করতে প্রস্তুত।’

যতই আক্রমণে যেতে চাক না কেন, বেলজিয়ামকে সেটি করতে হবে এরইমধ্যে আসরের সেরা রক্ষণজুটি সিলভা-মিরান্দাদের ফাঁকি দিয়ে। যেটি সহজ হবে না বলে মনে করেন ফ্রান্সের সাবেক ডিফেন্ডার উইলিয়াম গালাস।

তার কথায়, ‘একজন সাবেক ডিফেন্ডার হিসেবে বলছি, সিলভা ও মিরান্দার খেলা সত্যিই উপভোগ্য। ওদের জুটিটাই আসরের সেরা সেন্টার ব্যাক জুটি।’ সবমিলিয়ে ব্রাজিল-বেলজিয়াম ম্যাচ হতে যাচ্ছে রাশিয়া বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা ম্যাচ। ওয়েবসাইট।রাশিয়া বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালপর্বে সবচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচের স্বীকৃতি পেয়েছে ব্রাজিল-বেলজিয়াম দ্বৈরথ। অভিজ্ঞতার বিচারে অনেক এগিয়ে ব্রাজিল।

আর সাম্প্রতিক অতীতের পারফরম্যান্সে পিছিয়ে নেই বেলজিয়ামও। শক্তিতে দু’দলই প্রায় সমান। অনেক তারকার মধ্যে যে দু’জন ব্রাজিলের ভরসা, তারা হলেন নেইমার ও কুতিনহো।

বেলজিয়ামের ভরসা ইডেন হ্যাজার্ড, লুকাকু, ডি ব্রুইনরা। গোলবার থেকে আক্রমণভাগ, সব জায়গাতেই দু’দলে প্রতিভার ছড়াছড়ি। দু’দলই গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ষোলোতে উঠে।

দ্বিতীয় রাউন্ডে মেক্সিকোকে ২-০ গোলে সহজেই হারিয়েছে ব্রাজিল। সেলেকাওদের দলটি পুরোপুরি ভারসাম্যপূর্ণ। সবচেয়ে ভালো দিক পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের রক্ষণভাগ।

ব্রাজিলের রক্ষণ ভেঙে মাত্র একবারই বল জালে ঢুকেছে সুইজারল্যান্ড ম্যাচে। বাকি তিন ম্যাচে দুর্ভেদ্য ছিল ফ্যাগনার-সিলভা-মিরান্দাদের গড়া দেয়াল। পাশাপাশি উইলিয়ান, কুতিনহো, পাওলিনহো আর ফার্নান্দিনহোদের নিয়ে দুর্দান্ত মাঝমাঠ। আর আক্রমণে তো নেইমার রয়েছেনই।

বিশ্বসেরা দল বলেই ব্রাজিলের বিপক্ষে শেষ চারে ওঠার লড়াইটি উপভোগ করতে চায় বেলজিয়াম। ‘আমরা প্রথম মিনিট থেকে খেলা উপভোগ করতে চাই।

যখন আপনি ব্রাজিলের মুখোমুখি হবেন, মনে রাখতে হবে যে তারা প্রতিযোগিতার সেরা একটি দল’, হাইভোল্টেজ ম্যাচে অবশ্য ব্রাজিলকেই ফেভারিট মানছেন বেলজিয়াম কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। ম্যাচটাকে ‘স্বপ্নের ম্যাচ’ হিসেবে দেখছেন তিনি। ‘এই ম্যাচ আমাদের কাছে

বিশেষ কিছু। আমাদের ছেলেদের জন্য এটা স্বপ্নের ম্যাচ। স্বাভাবিকভাবেই আমরা জিততে চাইব। ব্রাজিলের মতো দলের বিপক্ষে খেলতে হলে আপনাকে আক্রমণে যেতে হবে।

আবার ১১ জনকে নিয়েই রক্ষণে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। আমাদের রক্ষণ সামলাতে হবে। এরপর বলের দখল যখন পাওয়া যাবে, তখন ওদের ভোগাতে হবে। ছেলেরা সেটি করতে প্রস্তুত।’

যতই আক্রমণে যেতে চাক না কেন, বেলজিয়ামকে সেটি করতে হবে এরইমধ্যে আসরের সেরা রক্ষণজুটি সিলভা-মিরান্দাদের ফাঁকি দিয়ে। যেটি সহজ হবে না বলে মনে করেন ফ্রান্সের সাবেক ডিফেন্ডার উইলিয়াম গালাস।

তার কথায়, ‘একজন সাবেক ডিফেন্ডার হিসেবে বলছি, সিলভা ও মিরান্দার খেলা সত্যিই উপভোগ্য। ওদের জুটিটাই আসরের সেরা সেন্টার ব্যাক জুটি।’ সবমিলিয়ে ব্রাজিল-বেলজিয়াম ম্যাচ হতে যাচ্ছে রাশিয়া বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা ম্যাচ। ওয়েবসাইট।রাশিয়া বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালপর্বে সবচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচের স্বীকৃতি পেয়েছে ব্রাজিল-বেলজিয়াম দ্বৈরথ। অভিজ্ঞতার বিচারে অনেক এগিয়ে ব্রাজিল।

আর সাম্প্রতিক অতীতের পারফরম্যান্সে পিছিয়ে নেই বেলজিয়ামও। শক্তিতে দু’দলই প্রায় সমান। অনেক তারকার মধ্যে যে দু’জন ব্রাজিলের ভরসা, তারা হলেন নেইমার ও কুতিনহো।

বেলজিয়ামের ভরসা ইডেন হ্যাজার্ড, লুকাকু, ডি ব্রুইনরা। গোলবার থেকে আক্রমণভাগ, সব জায়গাতেই দু’দলে প্রতিভার ছড়াছড়ি। দু’দলই গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ষোলোতে উঠে।

দ্বিতীয় রাউন্ডে মেক্সিকোকে ২-০ গোলে সহজেই হারিয়েছে ব্রাজিল। সেলেকাওদের দলটি পুরোপুরি ভারসাম্যপূর্ণ। সবচেয়ে ভালো দিক পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের রক্ষণভাগ।

ব্রাজিলের রক্ষণ ভেঙে মাত্র একবারই বল জালে ঢুকেছে সুইজারল্যান্ড ম্যাচে। বাকি তিন ম্যাচে দুর্ভেদ্য ছিল ফ্যাগনার-সিলভা-মিরান্দাদের গড়া দেয়াল। পাশাপাশি উইলিয়ান, কুতিনহো, পাওলিনহো আর ফার্নান্দিনহোদের নিয়ে দুর্দান্ত মাঝমাঠ। আর আক্রমণে তো নেইমার রয়েছেনই।

বিশ্বসেরা দল বলেই ব্রাজিলের বিপক্ষে শেষ চারে ওঠার লড়াইটি উপভোগ করতে চায় বেলজিয়াম। ‘আমরা প্রথম মিনিট থেকে খেলা উপভোগ করতে চাই।

যখন আপনি ব্রাজিলের মুখোমুখি হবেন, মনে রাখতে হবে যে তারা প্রতিযোগিতার সেরা একটি দল’, হাইভোল্টেজ ম্যাচে অবশ্য ব্রাজিলকেই ফেভারিট মানছেন বেলজিয়াম কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। ম্যাচটাকে ‘স্বপ্নের ম্যাচ’ হিসেবে দেখছেন তিনি। ‘এই ম্যাচ আমাদের কাছে

বিশেষ কিছু। আমাদের ছেলেদের জন্য এটা স্বপ্নের ম্যাচ। স্বাভাবিকভাবেই আমরা জিততে চাইব। ব্রাজিলের মতো দলের বিপক্ষে খেলতে হলে আপনাকে আক্রমণে যেতে হবে।

আবার ১১ জনকে নিয়েই রক্ষণে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। আমাদের রক্ষণ সামলাতে হবে। এরপর বলের দখল যখন পাওয়া যাবে, তখন ওদের ভোগাতে হবে। ছেলেরা সেটি করতে প্রস্তুত।’

যতই আক্রমণে যেতে চাক না কেন, বেলজিয়ামকে সেটি করতে হবে এরইমধ্যে আসরের সেরা রক্ষণজুটি সিলভা-মিরান্দাদের ফাঁকি দিয়ে। যেটি সহজ হবে না বলে মনে করেন ফ্রান্সের সাবেক ডিফেন্ডার উইলিয়াম গালাস।

তার কথায়, ‘একজন সাবেক ডিফেন্ডার হিসেবে বলছি, সিলভা ও মিরান্দার খেলা সত্যিই উপভোগ্য। ওদের জুটিটাই আসরের সেরা সেন্টার ব্যাক জুটি।’ সবমিলিয়ে ব্রাজিল-বেলজিয়াম ম্যাচ হতে যাচ্ছে রাশিয়া বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা ম্যাচ। ওয়েবসাইট।রাশিয়া বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালপর্বে সবচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচের স্বীকৃতি পেয়েছে ব্রাজিল-বেলজিয়াম দ্বৈরথ। অভিজ্ঞতার বিচারে অনেক এগিয়ে ব্রাজিল।

আর সাম্প্রতিক অতীতের পারফরম্যান্সে পিছিয়ে নেই বেলজিয়ামও। শক্তিতে দু’দলই প্রায় সমান। অনেক তারকার মধ্যে যে দু’জন ব্রাজিলের ভরসা, তারা হলেন নেইমার ও কুতিনহো।

বেলজিয়ামের ভরসা ইডেন হ্যাজার্ড, লুকাকু, ডি ব্রুইনরা। গোলবার থেকে আক্রমণভাগ, সব জায়গাতেই দু’দলে প্রতিভার ছড়াছড়ি। দু’দলই গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ষোলোতে উঠে।

দ্বিতীয় রাউন্ডে মেক্সিকোকে ২-০ গোলে সহজেই হারিয়েছে ব্রাজিল। সেলেকাওদের দলটি পুরোপুরি ভারসাম্যপূর্ণ। সবচেয়ে ভালো দিক পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের রক্ষণভাগ।

ব্রাজিলের রক্ষণ ভেঙে মাত্র একবারই বল জালে ঢুকেছে সুইজারল্যান্ড ম্যাচে। বাকি তিন ম্যাচে দুর্ভেদ্য ছিল ফ্যাগনার-সিলভা-মিরান্দাদের গড়া দেয়াল। পাশাপাশি উইলিয়ান, কুতিনহো, পাওলিনহো আর ফার্নান্দিনহোদের নিয়ে দুর্দান্ত মাঝমাঠ। আর আক্রমণে তো নেইমার রয়েছেনই।

বিশ্বসেরা দল বলেই ব্রাজিলের বিপক্ষে শেষ চারে ওঠার লড়াইটি উপভোগ করতে চায় বেলজিয়াম। ‘আমরা প্রথম মিনিট থেকে খেলা উপভোগ করতে চাই।

যখন আপনি ব্রাজিলের মুখোমুখি হবেন, মনে রাখতে হবে যে তারা প্রতিযোগিতার সেরা একটি দল’, হাইভোল্টেজ ম্যাচে অবশ্য ব্রাজিলকেই ফেভারিট মানছেন বেলজিয়াম কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। ম্যাচটাকে ‘স্বপ্নের ম্যাচ’ হিসেবে দেখছেন তিনি। ‘এই ম্যাচ আমাদের কাছে

বিশেষ কিছু। আমাদের ছেলেদের জন্য এটা স্বপ্নের ম্যাচ। স্বাভাবিকভাবেই আমরা জিততে চাইব। ব্রাজিলের মতো দলের বিপক্ষে খেলতে হলে আপনাকে আক্রমণে যেতে হবে।

আবার ১১ জনকে নিয়েই রক্ষণে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। আমাদের রক্ষণ সামলাতে হবে। এরপর বলের দখল যখন পাওয়া যাবে, তখন ওদের ভোগাতে হবে। ছেলেরা সেটি করতে প্রস্তুত।’

যতই আক্রমণে যেতে চাক না কেন, বেলজিয়ামকে সেটি করতে হবে এরইমধ্যে আসরের সেরা রক্ষণজুটি সিলভা-মিরান্দাদের ফাঁকি দিয়ে। যেটি সহজ হবে না বলে মনে করেন ফ্রান্সের সাবেক ডিফেন্ডার উইলিয়াম গালাস।

তার কথায়, ‘একজন সাবেক ডিফেন্ডার হিসেবে বলছি, সিলভা ও মিরান্দার খেলা সত্যিই উপভোগ্য। ওদের জুটিটাই আসরের সেরা সেন্টার ব্যাক জুটি।’ সবমিলিয়ে ব্রাজিল-বেলজিয়াম ম্যাচ হতে যাচ্ছে রাশিয়া বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা ম্যাচ। ওয়েবসাইট।রাশিয়া বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালপর্বে সবচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচের স্বীকৃতি পেয়েছে ব্রাজিল-বেলজিয়াম দ্বৈরথ। অভিজ্ঞতার বিচারে অনেক এগিয়ে ব্রাজিল।

আর সাম্প্রতিক অতীতের পারফরম্যান্সে পিছিয়ে নেই বেলজিয়ামও। শক্তিতে দু’দলই প্রায় সমান। অনেক তারকার মধ্যে যে দু’জন ব্রাজিলের ভরসা, তারা হলেন নেইমার ও কুতিনহো।

বেলজিয়ামের ভরসা ইডেন হ্যাজার্ড, লুকাকু, ডি ব্রুইনরা। গোলবার থেকে আক্রমণভাগ, সব জায়গাতেই দু’দলে প্রতিভার ছড়াছড়ি। দু’দলই গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ষোলোতে উঠে।

দ্বিতীয় রাউন্ডে মেক্সিকোকে ২-০ গোলে সহজেই হারিয়েছে ব্রাজিল। সেলেকাওদের দলটি পুরোপুরি ভারসাম্যপূর্ণ। সবচেয়ে ভালো দিক পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের রক্ষণভাগ।

ব্রাজিলের রক্ষণ ভেঙে মাত্র একবারই বল জালে ঢুকেছে সুইজারল্যান্ড ম্যাচে। বাকি তিন ম্যাচে দুর্ভেদ্য ছিল ফ্যাগনার-সিলভা-মিরান্দাদের গড়া দেয়াল। পাশাপাশি উইলিয়ান, কুতিনহো, পাওলিনহো আর ফার্নান্দিনহোদের নিয়ে দুর্দান্ত মাঝমাঠ। আর আক্রমণে তো নেইমার রয়েছেনই।

বিশ্বসেরা দল বলেই ব্রাজিলের বিপক্ষে শেষ চারে ওঠার লড়াইটি উপভোগ করতে চায় বেলজিয়াম। ‘আমরা প্রথম মিনিট থেকে খেলা উপভোগ করতে চাই।

যখন আপনি ব্রাজিলের মুখোমুখি হবেন, মনে রাখতে হবে যে তারা প্রতিযোগিতার সেরা একটি দল’, হাইভোল্টেজ ম্যাচে অবশ্য ব্রাজিলকেই ফেভারিট মানছেন বেলজিয়াম কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। ম্যাচটাকে ‘স্বপ্নের ম্যাচ’ হিসেবে দেখছেন তিনি। ‘এই ম্যাচ আমাদের কাছে

বিশেষ কিছু। আমাদের ছেলেদের জন্য এটা স্বপ্নের ম্যাচ। স্বাভাবিকভাবেই আমরা জিততে চাইব। ব্রাজিলের মতো দলের বিপক্ষে খেলতে হলে আপনাকে আক্রমণে যেতে হবে।

আবার ১১ জনকে নিয়েই রক্ষণে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। আমাদের রক্ষণ সামলাতে হবে। এরপর বলের দখল যখন পাওয়া যাবে, তখন ওদের ভোগাতে হবে। ছেলেরা সেটি করতে প্রস্তুত।’

যতই আক্রমণে যেতে চাক না কেন, বেলজিয়ামকে সেটি করতে হবে এরইমধ্যে আসরের সেরা রক্ষণজুটি সিলভা-মিরান্দাদের ফাঁকি দিয়ে। যেটি সহজ হবে না বলে মনে করেন ফ্রান্সের সাবেক ডিফেন্ডার উইলিয়াম গালাস।

তার কথায়, ‘একজন সাবেক ডিফেন্ডার হিসেবে বলছি, সিলভা ও মিরান্দার খেলা সত্যিই উপভোগ্য। ওদের জুটিটাই আসরের সেরা সেন্টার ব্যাক জুটি।’ সবমিলিয়ে ব্রাজিল-বেলজিয়াম ম্যাচ হতে যাচ্ছে রাশিয়া বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা ম্যাচ। ওয়েবসাইট।রাশিয়া বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালপর্বে সবচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচের স্বীকৃতি পেয়েছে ব্রাজিল-বেলজিয়াম দ্বৈরথ। অভিজ্ঞতার বিচারে অনেক এগিয়ে ব্রাজিল।

আর সাম্প্রতিক অতীতের পারফরম্যান্সে পিছিয়ে নেই বেলজিয়ামও। শক্তিতে দু’দলই প্রায় সমান। অনেক তারকার মধ্যে যে দু’জন ব্রাজিলের ভরসা, তারা হলেন নেইমার ও কুতিনহো।

বেলজিয়ামের ভরসা ইডেন হ্যাজার্ড, লুকাকু, ডি ব্রুইনরা। গোলবার থেকে আক্রমণভাগ, সব জায়গাতেই দু’দলে প্রতিভার ছড়াছড়ি। দু’দলই গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ষোলোতে উঠে।

দ্বিতীয় রাউন্ডে মেক্সিকোকে ২-০ গোলে সহজেই হারিয়েছে ব্রাজিল। সেলেকাওদের দলটি পুরোপুরি ভারসাম্যপূর্ণ। সবচেয়ে ভালো দিক পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের রক্ষণভাগ।

ব্রাজিলের রক্ষণ ভেঙে মাত্র একবারই বল জালে ঢুকেছে সুইজারল্যান্ড ম্যাচে। বাকি তিন ম্যাচে দুর্ভেদ্য ছিল ফ্যাগনার-সিলভা-মিরান্দাদের গড়া দেয়াল। পাশাপাশি উইলিয়ান, কুতিনহো, পাওলিনহো আর ফার্নান্দিনহোদের নিয়ে দুর্দান্ত মাঝমাঠ। আর আক্রমণে তো নেইমার রয়েছেনই।

বিশ্বসেরা দল বলেই ব্রাজিলের বিপক্ষে শেষ চারে ওঠার লড়াইটি উপভোগ করতে চায় বেলজিয়াম। ‘আমরা প্রথম মিনিট থেকে খেলা উপভোগ করতে চাই।

যখন আপনি ব্রাজিলের মুখোমুখি হবেন, মনে রাখতে হবে যে তারা প্রতিযোগিতার সেরা একটি দল’, হাইভোল্টেজ ম্যাচে অবশ্য ব্রাজিলকেই ফেভারিট মানছেন বেলজিয়াম কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। ম্যাচটাকে ‘স্বপ্নের ম্যাচ’ হিসেবে দেখছেন তিনি। ‘এই ম্যাচ আমাদের কাছে

বিশেষ কিছু। আমাদের ছেলেদের জন্য এটা স্বপ্নের ম্যাচ। স্বাভাবিকভাবেই আমরা জিততে চাইব। ব্রাজিলের মতো দলের বিপক্ষে খেলতে হলে আপনাকে আক্রমণে যেতে হবে।

আবার ১১ জনকে নিয়েই রক্ষণে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। আমাদের রক্ষণ সামলাতে হবে। এরপর বলের দখল যখন পাওয়া যাবে, তখন ওদের ভোগাতে হবে। ছেলেরা সেটি করতে প্রস্তুত।’

যতই আক্রমণে যেতে চাক না কেন, বেলজিয়ামকে সেটি করতে হবে এরইমধ্যে আসরের সেরা রক্ষণজুটি সিলভা-মিরান্দাদের ফাঁকি দিয়ে। যেটি সহজ হবে না বলে মনে করেন ফ্রান্সের সাবেক ডিফেন্ডার উইলিয়াম গালাস।

তার কথায়, ‘একজন সাবেক ডিফেন্ডার হিসেবে বলছি, সিলভা ও মিরান্দার খেলা সত্যিই উপভোগ্য। ওদের জুটিটাই আসরের সেরা সেন্টার ব্যাক জুটি।’ সবমিলিয়ে ব্রাজিল-বেলজিয়াম ম্যাচ হতে যাচ্ছে রাশিয়া বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা ম্যাচ। ওয়েবসাইট।রাশিয়া বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালপর্বে সবচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচের স্বীকৃতি পেয়েছে ব্রাজিল-বেলজিয়াম দ্বৈরথ। অভিজ্ঞতার বিচারে অনেক এগিয়ে ব্রাজিল।

আর সাম্প্রতিক অতীতের পারফরম্যান্সে পিছিয়ে নেই বেলজিয়ামও। শক্তিতে দু’দলই প্রায় সমান। অনেক তারকার মধ্যে যে দু’জন ব্রাজিলের ভরসা, তারা হলেন নেইমার ও কুতিনহো।

বেলজিয়ামের ভরসা ইডেন হ্যাজার্ড, লুকাকু, ডি ব্রুইনরা। গোলবার থেকে আক্রমণভাগ, সব জায়গাতেই দু’দলে প্রতিভার ছড়াছড়ি। দু’দলই গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ষোলোতে উঠে।

দ্বিতীয় রাউন্ডে মেক্সিকোকে ২-০ গোলে সহজেই হারিয়েছে ব্রাজিল। সেলেকাওদের দলটি পুরোপুরি ভারসাম্যপূর্ণ। সবচেয়ে ভালো দিক পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের রক্ষণভাগ।

ব্রাজিলের রক্ষণ ভেঙে মাত্র একবারই বল জালে ঢুকেছে সুইজারল্যান্ড ম্যাচে। বাকি তিন ম্যাচে দুর্ভেদ্য ছিল ফ্যাগনার-সিলভা-মিরান্দাদের গড়া দেয়াল। পাশাপাশি উইলিয়ান, কুতিনহো, পাওলিনহো আর ফার্নান্দিনহোদের নিয়ে দুর্দান্ত মাঝমাঠ। আর আক্রমণে তো নেইমার রয়েছেনই।

বিশ্বসেরা দল বলেই ব্রাজিলের বিপক্ষে শেষ চারে ওঠার লড়াইটি উপভোগ করতে চায় বেলজিয়াম। ‘আমরা প্রথম মিনিট থেকে খেলা উপভোগ করতে চাই।

যখন আপনি ব্রাজিলের মুখোমুখি হবেন, মনে রাখতে হবে যে তারা প্রতিযোগিতার সেরা একটি দল’, হাইভোল্টেজ ম্যাচে অবশ্য ব্রাজিলকেই ফেভারিট মানছেন বেলজিয়াম কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। ম্যাচটাকে ‘স্বপ্নের ম্যাচ’ হিসেবে দেখছেন তিনি। ‘এই ম্যাচ আমাদের কাছে

বিশেষ কিছু। আমাদের ছেলেদের জন্য এটা স্বপ্নের ম্যাচ। স্বাভাবিকভাবেই আমরা জিততে চাইব। ব্রাজিলের মতো দলের বিপক্ষে খেলতে হলে আপনাকে আক্রমণে যেতে হবে।

আবার ১১ জনকে নিয়েই রক্ষণে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। আমাদের রক্ষণ সামলাতে হবে। এরপর বলের দখল যখন পাওয়া যাবে, তখন ওদের ভোগাতে হবে। ছেলেরা সেটি করতে প্রস্তুত।’

যতই আক্রমণে যেতে চাক না কেন, বেলজিয়ামকে সেটি করতে হবে এরইমধ্যে আসরের সেরা রক্ষণজুটি সিলভা-মিরান্দাদের ফাঁকি দিয়ে। যেটি সহজ হবে না বলে মনে করেন ফ্রান্সের সাবেক ডিফেন্ডার উইলিয়াম গালাস।

তার কথায়, ‘একজন সাবেক ডিফেন্ডার হিসেবে বলছি, সিলভা ও মিরান্দার খেলা সত্যিই উপভোগ্য। ওদের জুটিটাই আসরের সেরা সেন্টার ব্যাক জুটি।’ সবমিলিয়ে ব্রাজিল-বেলজিয়াম ম্যাচ হতে যাচ্ছে রাশিয়া বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা ম্যাচ। ওয়েবসাইট।রাশিয়া বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালপর্বে সবচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচের স্বীকৃতি পেয়েছে ব্রাজিল-বেলজিয়াম দ্বৈরথ। অভিজ্ঞতার বিচারে অনেক এগিয়ে ব্রাজিল।

আর সাম্প্রতিক অতীতের পারফরম্যান্সে পিছিয়ে নেই বেলজিয়ামও। শক্তিতে দু’দলই প্রায় সমান। অনেক তারকার মধ্যে যে দু’জন ব্রাজিলের ভরসা, তারা হলেন নেইমার ও কুতিনহো।

বেলজিয়ামের ভরসা ইডেন হ্যাজার্ড, লুকাকু, ডি ব্রুইনরা। গোলবার থেকে আক্রমণভাগ, সব জায়গাতেই দু’দলে প্রতিভার ছড়াছড়ি। দু’দলই গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ষোলোতে উঠে।

দ্বিতীয় রাউন্ডে মেক্সিকোকে ২-০ গোলে সহজেই হারিয়েছে ব্রাজিল। সেলেকাওদের দলটি পুরোপুরি ভারসাম্যপূর্ণ। সবচেয়ে ভালো দিক পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের রক্ষণভাগ।

ব্রাজিলের রক্ষণ ভেঙে মাত্র একবারই বল জালে ঢুকেছে সুইজারল্যান্ড ম্যাচে। বাকি তিন ম্যাচে দুর্ভেদ্য ছিল ফ্যাগনার-সিলভা-মিরান্দাদের গড়া দেয়াল। পাশাপাশি উইলিয়ান, কুতিনহো, পাওলিনহো আর ফার্নান্দিনহোদের নিয়ে দুর্দান্ত মাঝমাঠ। আর আক্রমণে তো নেইমার রয়েছেনই।

বিশ্বসেরা দল বলেই ব্রাজিলের বিপক্ষে শেষ চারে ওঠার লড়াইটি উপভোগ করতে চায় বেলজিয়াম। ‘আমরা প্রথম মিনিট থেকে খেলা উপভোগ করতে চাই।

যখন আপনি ব্রাজিলের মুখোমুখি হবেন, মনে রাখতে হবে যে তারা প্রতিযোগিতার সেরা একটি দল’, হাইভোল্টেজ ম্যাচে অবশ্য ব্রাজিলকেই ফেভারিট মানছেন বেলজিয়াম কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। ম্যাচটাকে ‘স্বপ্নের ম্যাচ’ হিসেবে দেখছেন তিনি। ‘এই ম্যাচ আমাদের কাছে

বিশেষ কিছু। আমাদের ছেলেদের জন্য এটা স্বপ্নের ম্যাচ। স্বাভাবিকভাবেই আমরা জিততে চাইব। ব্রাজিলের মতো দলের বিপক্ষে খেলতে হলে আপনাকে আক্রমণে যেতে হবে।

আবার ১১ জনকে নিয়েই রক্ষণে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। আমাদের রক্ষণ সামলাতে হবে। এরপর বলের দখল যখন পাওয়া যাবে, তখন ওদের ভোগাতে হবে। ছেলেরা সেটি করতে প্রস্তুত।’

যতই আক্রমণে যেতে চাক না কেন, বেলজিয়ামকে সেটি করতে হবে এরইমধ্যে আসরের সেরা রক্ষণজুটি সিলভা-মিরান্দাদের ফাঁকি দিয়ে। যেটি সহজ হবে না বলে মনে করেন ফ্রান্সের সাবেক ডিফেন্ডার উইলিয়াম গালাস।

তার কথায়, ‘একজন সাবেক ডিফেন্ডার হিসেবে বলছি, সিলভা ও মিরান্দার খেলা সত্যিই উপভোগ্য। ওদের জুটিটাই আসরের সেরা সেন্টার ব্যাক জুটি।’ সবমিলিয়ে ব্রাজিল-বেলজিয়াম ম্যাচ হতে যাচ্ছে রাশিয়া বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা ম্যাচ। ওয়েবসাইট।রাশিয়া বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালপর্বে সবচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচের স্বীকৃতি পেয়েছে ব্রাজিল-বেলজিয়াম দ্বৈরথ। অভিজ্ঞতার বিচারে অনেক এগিয়ে ব্রাজিল।

আর সাম্প্রতিক অতীতের পারফরম্যান্সে পিছিয়ে নেই বেলজিয়ামও। শক্তিতে দু’দলই প্রায় সমান। অনেক তারকার মধ্যে যে দু’জন ব্রাজিলের ভরসা, তারা হলেন নেইমার ও কুতিনহো।

বেলজিয়ামের ভরসা ইডেন হ্যাজার্ড, লুকাকু, ডি ব্রুইনরা। গোলবার থেকে আক্রমণভাগ, সব জায়গাতেই দু’দলে প্রতিভার ছড়াছড়ি। দু’দলই গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ষোলোতে উঠে।

দ্বিতীয় রাউন্ডে মেক্সিকোকে ২-০ গোলে সহজেই হারিয়েছে ব্রাজিল। সেলেকাওদের দলটি পুরোপুরি ভারসাম্যপূর্ণ। সবচেয়ে ভালো দিক পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের রক্ষণভাগ।

ব্রাজিলের রক্ষণ ভেঙে মাত্র একবারই বল জালে ঢুকেছে সুইজারল্যান্ড ম্যাচে। বাকি তিন ম্যাচে দুর্ভেদ্য ছিল ফ্যাগনার-সিলভা-মিরান্দাদের গড়া দেয়াল। পাশাপাশি উইলিয়ান, কুতিনহো, পাওলিনহো আর ফার্নান্দিনহোদের নিয়ে দুর্দান্ত মাঝমাঠ। আর আক্রমণে তো নেইমার রয়েছেনই।

বিশ্বসেরা দল বলেই ব্রাজিলের বিপক্ষে শেষ চারে ওঠার লড়াইটি উপভোগ করতে চায় বেলজিয়াম। ‘আমরা প্রথম মিনিট থেকে খেলা উপভোগ করতে চাই।

যখন আপনি ব্রাজিলের মুখোমুখি হবেন, মনে রাখতে হবে যে তারা প্রতিযোগিতার সেরা একটি দল’, হাইভোল্টেজ ম্যাচে অবশ্য ব্রাজিলকেই ফেভারিট মানছেন বেলজিয়াম কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। ম্যাচটাকে ‘স্বপ্নের ম্যাচ’ হিসেবে দেখছেন তিনি। ‘এই ম্যাচ আমাদের কাছে

বিশেষ কিছু। আমাদের ছেলেদের জন্য এটা স্বপ্নের ম্যাচ। স্বাভাবিকভাবেই আমরা জিততে চাইব। ব্রাজিলের মতো দলের বিপক্ষে খেলতে হলে আপনাকে আক্রমণে যেতে হবে।

আবার ১১ জনকে নিয়েই রক্ষণে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। আমাদের রক্ষণ সামলাতে হবে। এরপর বলের দখল যখন পাওয়া যাবে, তখন ওদের ভোগাতে হবে। ছেলেরা সেটি করতে প্রস্তুত।’

যতই আক্রমণে যেতে চাক না কেন, বেলজিয়ামকে সেটি করতে হবে এরইমধ্যে আসরের সেরা রক্ষণজুটি সিলভা-মিরান্দাদের ফাঁকি দিয়ে। যেটি সহজ হবে না বলে মনে করেন ফ্রান্সের সাবেক ডিফেন্ডার উইলিয়াম গালাস।

তার কথায়, ‘একজন সাবেক ডিফেন্ডার হিসেবে বলছি, সিলভা ও মিরান্দার খেলা সত্যিই উপভোগ্য। ওদের জুটিটাই আসরের সেরা সেন্টার ব্যাক জুটি।’ সবমিলিয়ে ব্রাজিল-বেলজিয়াম ম্যাচ হতে যাচ্ছে রাশিয়া বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা ম্যাচ। ওয়েবসাইট।রাশিয়া বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালপর্বে সবচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচের স্বীকৃতি পেয়েছে ব্রাজিল-বেলজিয়াম দ্বৈরথ। অভিজ্ঞতার বিচারে অনেক এগিয়ে ব্রাজিল।

আর সাম্প্রতিক অতীতের পারফরম্যান্সে পিছিয়ে নেই বেলজিয়ামও। শক্তিতে দু’দলই প্রায় সমান। অনেক তারকার মধ্যে যে দু’জন ব্রাজিলের ভরসা, তারা হলেন নেইমার ও কুতিনহো।

বেলজিয়ামের ভরসা ইডেন হ্যাজার্ড, লুকাকু, ডি ব্রুইনরা। গোলবার থেকে আক্রমণভাগ, সব জায়গাতেই দু’দলে প্রতিভার ছড়াছড়ি। দু’দলই গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ষোলোতে উঠে।

দ্বিতীয় রাউন্ডে মেক্সিকোকে ২-০ গোলে সহজেই হারিয়েছে ব্রাজিল। সেলেকাওদের দলটি পুরোপুরি ভারসাম্যপূর্ণ। সবচেয়ে ভালো দিক পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের রক্ষণভাগ।

ব্রাজিলের রক্ষণ ভেঙে মাত্র একবারই বল জালে ঢুকেছে সুইজারল্যান্ড ম্যাচে। বাকি তিন ম্যাচে দুর্ভেদ্য ছিল ফ্যাগনার-সিলভা-মিরান্দাদের গড়া দেয়াল। পাশাপাশি উইলিয়ান, কুতিনহো, পাওলিনহো আর ফার্নান্দিনহোদের নিয়ে দুর্দান্ত মাঝমাঠ। আর আক্রমণে তো নেইমার রয়েছেনই।

বিশ্বসেরা দল বলেই ব্রাজিলের বিপক্ষে শেষ চারে ওঠার লড়াইটি উপভোগ করতে চায় বেলজিয়াম। ‘আমরা প্রথম মিনিট থেকে খেলা উপভোগ করতে চাই।

যখন আপনি ব্রাজিলের মুখোমুখি হবেন, মনে রাখতে হবে যে তারা প্রতিযোগিতার সেরা একটি দল’, হাইভোল্টেজ ম্যাচে অবশ্য ব্রাজিলকেই ফেভারিট মানছেন বেলজিয়াম কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। ম্যাচটাকে ‘স্বপ্নের ম্যাচ’ হিসেবে দেখছেন তিনি। ‘এই ম্যাচ আমাদের কাছে

বিশেষ কিছু। আমাদের ছেলেদের জন্য এটা স্বপ্নের ম্যাচ। স্বাভাবিকভাবেই আমরা জিততে চাইব। ব্রাজিলের মতো দলের বিপক্ষে খেলতে হলে আপনাকে আক্রমণে যেতে হবে।

আবার ১১ জনকে নিয়েই রক্ষণে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। আমাদের রক্ষণ সামলাতে হবে। এরপর বলের দখল যখন পাওয়া যাবে, তখন ওদের ভোগাতে হবে। ছেলেরা সেটি করতে প্রস্তুত।’

যতই আক্রমণে যেতে চাক না কেন, বেলজিয়ামকে সেটি করতে হবে এরইমধ্যে আসরের সেরা রক্ষণজুটি সিলভা-মিরান্দাদের ফাঁকি দিয়ে। যেটি সহজ হবে না বলে মনে করেন ফ্রান্সের সাবেক ডিফেন্ডার উইলিয়াম গালাস।

তার কথায়, ‘একজন সাবেক ডিফেন্ডার হিসেবে বলছি, সিলভা ও মিরান্দার খেলা সত্যিই উপভোগ্য। ওদের জুটিটাই আসরের সেরা সেন্টার ব্যাক জুটি।’ সবমিলিয়ে ব্রাজিল-বেলজিয়াম ম্যাচ হতে যাচ্ছে রাশিয়া বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা ম্যাচ। ওয়েবসাইট।রাশিয়া বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালপর্বে সবচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচের স্বীকৃতি পেয়েছে ব্রাজিল-বেলজিয়াম দ্বৈরথ। অভিজ্ঞতার বিচারে অনেক এগিয়ে ব্রাজিল।

আর সাম্প্রতিক অতীতের পারফরম্যান্সে পিছিয়ে নেই বেলজিয়ামও। শক্তিতে দু’দলই প্রায় সমান। অনেক তারকার মধ্যে যে দু’জন ব্রাজিলের ভরসা, তারা হলেন নেইমার ও কুতিনহো।

বেলজিয়ামের ভরসা ইডেন হ্যাজার্ড, লুকাকু, ডি ব্রুইনরা। গোলবার থেকে আক্রমণভাগ, সব জায়গাতেই দু’দলে প্রতিভার ছড়াছড়ি। দু’দলই গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ষোলোতে উঠে।

দ্বিতীয় রাউন্ডে মেক্সিকোকে ২-০ গোলে সহজেই হারিয়েছে ব্রাজিল। সেলেকাওদের দলটি পুরোপুরি ভারসাম্যপূর্ণ। সবচেয়ে ভালো দিক পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের রক্ষণভাগ।

ব্রাজিলের রক্ষণ ভেঙে মাত্র একবারই বল জালে ঢুকেছে সুইজারল্যান্ড ম্যাচে। বাকি তিন ম্যাচে দুর্ভেদ্য ছিল ফ্যাগনার-সিলভা-মিরান্দাদের গড়া দেয়াল। পাশাপাশি উইলিয়ান, কুতিনহো, পাওলিনহো আর ফার্নান্দিনহোদের নিয়ে দুর্দান্ত মাঝমাঠ। আর আক্রমণে তো নেইমার রয়েছেনই।

বিশ্বসেরা দল বলেই ব্রাজিলের বিপক্ষে শেষ চারে ওঠার লড়াইটি উপভোগ করতে চায় বেলজিয়াম। ‘আমরা প্রথম মিনিট থেকে খেলা উপভোগ করতে চাই।

যখন আপনি ব্রাজিলের মুখোমুখি হবেন, মনে রাখতে হবে যে তারা প্রতিযোগিতার সেরা একটি দল’, হাইভোল্টেজ ম্যাচে অবশ্য ব্রাজিলকেই ফেভারিট মানছেন বেলজিয়াম কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। ম্যাচটাকে ‘স্বপ্নের ম্যাচ’ হিসেবে দেখছেন তিনি। ‘এই ম্যাচ আমাদের কাছে

বিশেষ কিছু। আমাদের ছেলেদের জন্য এটা স্বপ্নের ম্যাচ। স্বাভাবিকভাবেই আমরা জিততে চাইব। ব্রাজিলের মতো দলের বিপক্ষে খেলতে হলে আপনাকে আক্রমণে যেতে হবে।

আবার ১১ জনকে নিয়েই রক্ষণে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। আমাদের রক্ষণ সামলাতে হবে। এরপর বলের দখল যখন পাওয়া যাবে, তখন ওদের ভোগাতে হবে। ছেলেরা সেটি করতে প্রস্তুত।’

যতই আক্রমণে যেতে চাক না কেন, বেলজিয়ামকে সেটি করতে হবে এরইমধ্যে আসরের সেরা রক্ষণজুটি সিলভা-মিরান্দাদের ফাঁকি দিয়ে। যেটি সহজ হবে না বলে মনে করেন ফ্রান্সের সাবেক ডিফেন্ডার উইলিয়াম গালাস।

তার কথায়, ‘একজন সাবেক ডিফেন্ডার হিসেবে বলছি, সিলভা ও মিরান্দার খেলা সত্যিই উপভোগ্য। ওদের জুটিটাই আসরের সেরা সেন্টার ব্যাক জুটি।’ সবমিলিয়ে ব্রাজিল-বেলজিয়াম ম্যাচ হতে যাচ্ছে রাশিয়া বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা ম্যাচ। ওয়েবসাইট।রাশিয়া বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালপর্বে সবচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচের স্বীকৃতি পেয়েছে ব্রাজিল-বেলজিয়াম দ্বৈরথ। অভিজ্ঞতার বিচারে অনেক এগিয়ে ব্রাজিল।

আর সাম্প্রতিক অতীতের পারফরম্যান্সে পিছিয়ে নেই বেলজিয়ামও। শক্তিতে দু’দলই প্রায় সমান। অনেক তারকার মধ্যে যে দু’জন ব্রাজিলের ভরসা, তারা হলেন নেইমার ও কুতিনহো।

বেলজিয়ামের ভরসা ইডেন হ্যাজার্ড, লুকাকু, ডি ব্রুইনরা। গোলবার থেকে আক্রমণভাগ, সব জায়গাতেই দু’দলে প্রতিভার ছড়াছড়ি। দু’দলই গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ষোলোতে উঠে।

দ্বিতীয় রাউন্ডে মেক্সিকোকে ২-০ গোলে সহজেই হারিয়েছে ব্রাজিল। সেলেকাওদের দলটি পুরোপুরি ভারসাম্যপূর্ণ। সবচেয়ে ভালো দিক পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের রক্ষণভাগ।

ব্রাজিলের রক্ষণ ভেঙে মাত্র একবারই বল জালে ঢুকেছে সুইজারল্যান্ড ম্যাচে। বাকি তিন ম্যাচে দুর্ভেদ্য ছিল ফ্যাগনার-সিলভা-মিরান্দাদের গড়া দেয়াল। পাশাপাশি উইলিয়ান, কুতিনহো, পাওলিনহো আর ফার্নান্দিনহোদের নিয়ে দুর্দান্ত মাঝমাঠ। আর আক্রমণে তো নেইমার রয়েছেনই।

বিশ্বসেরা দল বলেই ব্রাজিলের বিপক্ষে শেষ চারে ওঠার লড়াইটি উপভোগ করতে চায় বেলজিয়াম। ‘আমরা প্রথম মিনিট থেকে খেলা উপভোগ করতে চাই।

যখন আপনি ব্রাজিলের মুখোমুখি হবেন, মনে রাখতে হবে যে তারা প্রতিযোগিতার সেরা একটি দল’, হাইভোল্টেজ ম্যাচে অবশ্য ব্রাজিলকেই ফেভারিট মানছেন বেলজিয়াম কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। ম্যাচটাকে ‘স্বপ্নের ম্যাচ’ হিসেবে দেখছেন তিনি। ‘এই ম্যাচ আমাদের কাছে

বিশেষ কিছু। আমাদের ছেলেদের জন্য এটা স্বপ্নের ম্যাচ। স্বাভাবিকভাবেই আমরা জিততে চাইব। ব্রাজিলের মতো দলের বিপক্ষে খেলতে হলে আপনাকে আক্রমণে যেতে হবে।

আবার ১১ জনকে নিয়েই রক্ষণে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। আমাদের রক্ষণ সামলাতে হবে। এরপর বলের দখল যখন পাওয়া যাবে, তখন ওদের ভোগাতে হবে। ছেলেরা সেটি করতে প্রস্তুত।’

যতই আক্রমণে যেতে চাক না কেন, বেলজিয়ামকে সেটি করতে হবে এরইমধ্যে আসরের সেরা রক্ষণজুটি সিলভা-মিরান্দাদের ফাঁকি দিয়ে। যেটি সহজ হবে না বলে মনে করেন ফ্রান্সের সাবেক ডিফেন্ডার উইলিয়াম গালাস।

তার কথায়, ‘একজন সাবেক ডিফেন্ডার হিসেবে বলছি, সিলভা ও মিরান্দার খেলা সত্যিই উপভোগ্য। ওদের জুটিটাই আসরের সেরা সেন্টার ব্যাক জুটি।’ সবমিলিয়ে ব্রাজিল-বেলজিয়াম ম্যাচ হতে যাচ্ছে রাশিয়া বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা ম্যাচ। ওয়েবসাইট।রাশিয়া বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালপর্বে সবচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচের স্বীকৃতি পেয়েছে ব্রাজিল-বেলজিয়াম দ্বৈরথ। অভিজ্ঞতার বিচারে অনেক এগিয়ে ব্রাজিল।

আর সাম্প্রতিক অতীতের পারফরম্যান্সে পিছিয়ে নেই বেলজিয়ামও। শক্তিতে দু’দলই প্রায় সমান। অনেক তারকার মধ্যে যে দু’জন ব্রাজিলের ভরসা, তারা হলেন নেইমার ও কুতিনহো।

বেলজিয়ামের ভরসা ইডেন হ্যাজার্ড, লুকাকু, ডি ব্রুইনরা। গোলবার থেকে আক্রমণভাগ, সব জায়গাতেই দু’দলে প্রতিভার ছড়াছড়ি। দু’দলই গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ষোলোতে উঠে।

দ্বিতীয় রাউন্ডে মেক্সিকোকে ২-০ গোলে সহজেই হারিয়েছে ব্রাজিল। সেলেকাওদের দলটি পুরোপুরি ভারসাম্যপূর্ণ। সবচেয়ে ভালো দিক পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের রক্ষণভাগ।

ব্রাজিলের রক্ষণ ভেঙে মাত্র একবারই বল জালে ঢুকেছে সুইজারল্যান্ড ম্যাচে। বাকি তিন ম্যাচে দুর্ভেদ্য ছিল ফ্যাগনার-সিলভা-মিরান্দাদের গড়া দেয়াল। পাশাপাশি উইলিয়ান, কুতিনহো, পাওলিনহো আর ফার্নান্দিনহোদের নিয়ে দুর্দান্ত মাঝমাঠ। আর আক্রমণে তো নেইমার রয়েছেনই।

বিশ্বসেরা দল বলেই ব্রাজিলের বিপক্ষে শেষ চারে ওঠার লড়াইটি উপভোগ করতে চায় বেলজিয়াম। ‘আমরা প্রথম মিনিট থেকে খেলা উপভোগ করতে চাই।

যখন আপনি ব্রাজিলের মুখোমুখি হবেন, মনে রাখতে হবে যে তারা প্রতিযোগিতার সেরা একটি দল’, হাইভোল্টেজ ম্যাচে অবশ্য ব্রাজিলকেই ফেভারিট মানছেন বেলজিয়াম কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। ম্যাচটাকে ‘স্বপ্নের ম্যাচ’ হিসেবে দেখছেন তিনি। ‘এই ম্যাচ আমাদের কাছে

বিশেষ কিছু। আমাদের ছেলেদের জন্য এটা স্বপ্নের ম্যাচ। স্বাভাবিকভাবেই আমরা জিততে চাইব। ব্রাজিলের মতো দলের বিপক্ষে খেলতে হলে আপনাকে আক্রমণে যেতে হবে।

আবার ১১ জনকে নিয়েই রক্ষণে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। আমাদের রক্ষণ সামলাতে হবে। এরপর বলের দখল যখন পাওয়া যাবে, তখন ওদের ভোগাতে হবে। ছেলেরা সেটি করতে প্রস্তুত।’

যতই আক্রমণে যেতে চাক না কেন, বেলজিয়ামকে সেটি করতে হবে এরইমধ্যে আসরের সেরা রক্ষণজুটি সিলভা-মিরান্দাদের ফাঁকি দিয়ে। যেটি সহজ হবে না বলে মনে করেন ফ্রান্সের সাবেক ডিফেন্ডার উইলিয়াম গালাস।

তার কথায়, ‘একজন সাবেক ডিফেন্ডার হিসেবে বলছি, সিলভা ও মিরান্দার খেলা সত্যিই উপভোগ্য। ওদের জুটিটাই আসরের সেরা সেন্টার ব্যাক জুটি।’ সবমিলিয়ে ব্রাজিল-বেলজিয়াম ম্যাচ হতে যাচ্ছে রাশিয়া বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা ম্যাচ। ওয়েবসাইট।রাশিয়া বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালপর্বে সবচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচের স্বীকৃতি পেয়েছে ব্রাজিল-বেলজিয়াম দ্বৈরথ। অভিজ্ঞতার বিচারে অনেক এগিয়ে ব্রাজিল।

আর সাম্প্রতিক অতীতের পারফরম্যান্সে পিছিয়ে নেই বেলজিয়ামও। শক্তিতে দু’দলই প্রায় সমান। অনেক তারকার মধ্যে যে দু’জন ব্রাজিলের ভরসা, তারা হলেন নেইমার ও কুতিনহো।

বেলজিয়ামের ভরসা ইডেন হ্যাজার্ড, লুকাকু, ডি ব্রুইনরা। গোলবার থেকে আক্রমণভাগ, সব জায়গাতেই দু’দলে প্রতিভার ছড়াছড়ি। দু’দলই গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ষোলোতে উঠে।

দ্বিতীয় রাউন্ডে মেক্সিকোকে ২-০ গোলে সহজেই হারিয়েছে ব্রাজিল। সেলেকাওদের দলটি পুরোপুরি ভারসাম্যপূর্ণ। সবচেয়ে ভালো দিক পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের রক্ষণভাগ।

ব্রাজিলের রক্ষণ ভেঙে মাত্র একবারই বল জালে ঢুকেছে সুইজারল্যান্ড ম্যাচে। বাকি তিন ম্যাচে দুর্ভেদ্য ছিল ফ্যাগনার-সিলভা-মিরান্দাদের গড়া দেয়াল। পাশাপাশি উইলিয়ান, কুতিনহো, পাওলিনহো আর ফার্নান্দিনহোদের নিয়ে দুর্দান্ত মাঝমাঠ। আর আক্রমণে তো নেইমার রয়েছেনই।

বিশ্বসেরা দল বলেই ব্রাজিলের বিপক্ষে শেষ চারে ওঠার লড়াইটি উপভোগ করতে চায় বেলজিয়াম। ‘আমরা প্রথম মিনিট থেকে খেলা উপভোগ করতে চাই।

যখন আপনি ব্রাজিলের মুখোমুখি হবেন, মনে রাখতে হবে যে তারা প্রতিযোগিতার সেরা একটি দল’, হাইভোল্টেজ ম্যাচে অবশ্য ব্রাজিলকেই ফেভারিট মানছেন বেলজিয়াম কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। ম্যাচটাকে ‘স্বপ্নের ম্যাচ’ হিসেবে দেখছেন তিনি। ‘এই ম্যাচ আমাদের কাছে

বিশেষ কিছু। আমাদের ছেলেদের জন্য এটা স্বপ্নের ম্যাচ। স্বাভাবিকভাবেই আমরা জিততে চাইব। ব্রাজিলের মতো দলের বিপক্ষে খেলতে হলে আপনাকে আক্রমণে যেতে হবে।

আবার ১১ জনকে নিয়েই রক্ষণে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। আমাদের রক্ষণ সামলাতে হবে। এরপর বলের দখল যখন পাওয়া যাবে, তখন ওদের ভোগাতে হবে। ছেলেরা সেটি করতে প্রস্তুত।’

যতই আক্রমণে যেতে চাক না কেন, বেলজিয়ামকে সেটি করতে হবে এরইমধ্যে আসরের সেরা রক্ষণজুটি সিলভা-মিরান্দাদের ফাঁকি দিয়ে। যেটি সহজ হবে না বলে মনে করেন ফ্রান্সের সাবেক ডিফেন্ডার উইলিয়াম গালাস।

তার কথায়, ‘একজন সাবেক ডিফেন্ডার হিসেবে বলছি, সিলভা ও মিরান্দার খেলা সত্যিই উপভোগ্য। ওদের জুটিটাই আসরের সেরা সেন্টার ব্যাক জুটি।’ সবমিলিয়ে ব্রাজিল-বেলজিয়াম ম্যাচ হতে যাচ্ছে রাশিয়া বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা ম্যাচ। ওয়েবসাইট।রাশিয়া বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালপর্বে সবচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচের স্বীকৃতি পেয়েছে ব্রাজিল-বেলজিয়াম দ্বৈরথ। অভিজ্ঞতার বিচারে অনেক এগিয়ে ব্রাজিল।

আর সাম্প্রতিক অতীতের পারফরম্যান্সে পিছিয়ে নেই বেলজিয়ামও। শক্তিতে দু’দলই প্রায় সমান। অনেক তারকার মধ্যে যে দু’জন ব্রাজিলের ভরসা, তারা হলেন নেইমার ও কুতিনহো।

বেলজিয়ামের ভরসা ইডেন হ্যাজার্ড, লুকাকু, ডি ব্রুইনরা। গোলবার থেকে আক্রমণভাগ, সব জায়গাতেই দু’দলে প্রতিভার ছড়াছড়ি। দু’দলই গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ষোলোতে উঠে।

দ্বিতীয় রাউন্ডে মেক্সিকোকে ২-০ গোলে সহজেই হারিয়েছে ব্রাজিল। সেলেকাওদের দলটি পুরোপুরি ভারসাম্যপূর্ণ। সবচেয়ে ভালো দিক পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের রক্ষণভাগ।

ব্রাজিলের রক্ষণ ভেঙে মাত্র একবারই বল জালে ঢুকেছে সুইজারল্যান্ড ম্যাচে। বাকি তিন ম্যাচে দুর্ভেদ্য ছিল ফ্যাগনার-সিলভা-মিরান্দাদের গড়া দেয়াল। পাশাপাশি উইলিয়ান, কুতিনহো, পাওলিনহো আর ফার্নান্দিনহোদের নিয়ে দুর্দান্ত মাঝমাঠ। আর আক্রমণে তো নেইমার রয়েছেনই।

বিশ্বসেরা দল বলেই ব্রাজিলের বিপক্ষে শেষ চারে ওঠার লড়াইটি উপভোগ করতে চায় বেলজিয়াম। ‘আমরা প্রথম মিনিট থেকে খেলা উপভোগ করতে চাই।

যখন আপনি ব্রাজিলের মুখোমুখি হবেন, মনে রাখতে হবে যে তারা প্রতিযোগিতার সেরা একটি দল’, হাইভোল্টেজ ম্যাচে অবশ্য ব্রাজিলকেই ফেভারিট মানছেন বেলজিয়াম কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। ম্যাচটাকে ‘স্বপ্নের ম্যাচ’ হিসেবে দেখছেন তিনি। ‘এই ম্যাচ আমাদের কাছে

বিশেষ কিছু। আমাদের ছেলেদের জন্য এটা স্বপ্নের ম্যাচ। স্বাভাবিকভাবেই আমরা জিততে চাইব। ব্রাজিলের মতো দলের বিপক্ষে খেলতে হলে আপনাকে আক্রমণে যেতে হবে।

আবার ১১ জনকে নিয়েই রক্ষণে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। আমাদের রক্ষণ সামলাতে হবে। এরপর বলের দখল যখন পাওয়া যাবে, তখন ওদের ভোগাতে হবে। ছেলেরা সেটি করতে প্রস্তুত।’

যতই আক্রমণে যেতে চাক না কেন, বেলজিয়ামকে সেটি করতে হবে এরইমধ্যে আসরের সেরা রক্ষণজুটি সিলভা-মিরান্দাদের ফাঁকি দিয়ে। যেটি সহজ হবে না বলে মনে করেন ফ্রান্সের সাবেক ডিফেন্ডার উইলিয়াম গালাস।

তার কথায়, ‘একজন সাবেক ডিফেন্ডার হিসেবে বলছি, সিলভা ও মিরান্দার খেলা সত্যিই উপভোগ্য। ওদের জুটিটাই আসরের সেরা সেন্টার ব্যাক জুটি।’ সবমিলিয়ে ব্রাজিল-বেলজিয়াম ম্যাচ হতে যাচ্ছে রাশিয়া বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা ম্যাচ। ওয়েবসাইট।রাশিয়া বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালপর্বে সবচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচের স্বীকৃতি পেয়েছে ব্রাজিল-বেলজিয়াম দ্বৈরথ। অভিজ্ঞতার বিচারে অনেক এগিয়ে ব্রাজিল।

আর সাম্প্রতিক অতীতের পারফরম্যান্সে পিছিয়ে নেই বেলজিয়ামও। শক্তিতে দু’দলই প্রায় সমান। অনেক তারকার মধ্যে যে দু’জন ব্রাজিলের ভরসা, তারা হলেন নেইমার ও কুতিনহো।

বেলজিয়ামের ভরসা ইডেন হ্যাজার্ড, লুকাকু, ডি ব্রুইনরা। গোলবার থেকে আক্রমণভাগ, সব জায়গাতেই দু’দলে প্রতিভার ছড়াছড়ি। দু’দলই গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ষোলোতে উঠে।

দ্বিতীয় রাউন্ডে মেক্সিকোকে ২-০ গোলে সহজেই হারিয়েছে ব্রাজিল। সেলেকাওদের দলটি পুরোপুরি ভারসাম্যপূর্ণ। সবচেয়ে ভালো দিক পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের রক্ষণভাগ।

ব্রাজিলের রক্ষণ ভেঙে মাত্র একবারই বল জালে ঢুকেছে সুইজারল্যান্ড ম্যাচে। বাকি তিন ম্যাচে দুর্ভেদ্য ছিল ফ্যাগনার-সিলভা-মিরান্দাদের গড়া দেয়াল। পাশাপাশি উইলিয়ান, কুতিনহো, পাওলিনহো আর ফার্নান্দিনহোদের নিয়ে দুর্দান্ত মাঝমাঠ। আর আক্রমণে তো নেইমার রয়েছেনই।

বিশ্বসেরা দল বলেই ব্রাজিলের বিপক্ষে শেষ চারে ওঠার লড়াইটি উপভোগ করতে চায় বেলজিয়াম। ‘আমরা প্রথম মিনিট থেকে খেলা উপভোগ করতে চাই।

যখন আপনি ব্রাজিলের মুখোমুখি হবেন, মনে রাখতে হবে যে তারা প্রতিযোগিতার সেরা একটি দল’, হাইভোল্টেজ ম্যাচে অবশ্য ব্রাজিলকেই ফেভারিট মানছেন বেলজিয়াম কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। ম্যাচটাকে ‘স্বপ্নের ম্যাচ’ হিসেবে দেখছেন তিনি। ‘এই ম্যাচ আমাদের কাছে

বিশেষ কিছু। আমাদের ছেলেদের জন্য এটা স্বপ্নের ম্যাচ। স্বাভাবিকভাবেই আমরা জিততে চাইব। ব্রাজিলের মতো দলের বিপক্ষে খেলতে হলে আপনাকে আক্রমণে যেতে হবে।

আবার ১১ জনকে নিয়েই রক্ষণে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। আমাদের রক্ষণ সামলাতে হবে। এরপর বলের দখল যখন পাওয়া যাবে, তখন ওদের ভোগাতে হবে। ছেলেরা সেটি করতে প্রস্তুত।’

যতই আক্রমণে যেতে চাক না কেন, বেলজিয়ামকে সেটি করতে হবে এরইমধ্যে আসরের সেরা রক্ষণজুটি সিলভা-মিরান্দাদের ফাঁকি দিয়ে। যেটি সহজ হবে না বলে মনে করেন ফ্রান্সের সাবেক ডিফেন্ডার উইলিয়াম গালাস।

তার কথায়, ‘একজন সাবেক ডিফেন্ডার হিসেবে বলছি, সিলভা ও মিরান্দার খেলা সত্যিই উপভোগ্য। ওদের জুটিটাই আসরের সেরা সেন্টার ব্যাক জুটি।’ সবমিলিয়ে ব্রাজিল-বেলজিয়াম ম্যাচ হতে যাচ্ছে রাশিয়া বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা ম্যাচ। ওয়েবসাইট।

Print Friendly, PDF & Email

এই মুহূর্তে অন্যরা যা পড়ছে