মেয়াদ বৃদ্ধি না, চাকুরী স্থায়ীকরণই প্রত্যাশা আইডিইএ প্রকল্পের চাকরিজীবীদের

ক্রাইম প্রতিদিন, আরিফুল ইসলাম, ঢাকা : চাকুরীর মেয়াদ বৃদ্ধি না করে চাকুরী যেন স্থায়ী করা হয়, এমনটাই দাবী আইডিএ প্রকল্পের চাকুরীজিবীদের। ২০০৭ সালে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক গৃহীত “ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণনয়ন ও জাতীয় পরিচয় পত্র প্রদান” প্রকল্পে বাংলাদেশ সেনাবাহীনি ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে কর্মরত ছিলেন এবং ২০০৯ থেকে ২০১২ সালের ৩০শে জুন ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও জাতীয় পরিচয় পত্র প্রদান প্রকল্প (PERP) এ কর্মরত ছিলেন। এছাড়াও ২০১২ সালের ১ জুলাই পর্যন্ত “আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম ফর এনহ্যান্সিং একসেস টু সার্ভিসেস” প্রকল্প (IDEA) এ টেকনিক্যাল এক্সপার্ট ও টেকনিকাল সাপোর্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

কিন্তু বিগত ১০ বছর বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে সার্ভিস দেওয়ার অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ এই সকল কর্মকর্তাদের সরকারী বেতন স্কেল অনুযায়ী (৯ম গ্রেড) সাপোর্টগণকে (১০ম গ্রেট) এবং প্রকল্প শেষে সরাসরি রাজস্বখাতে স্থানান্তর করার বিষয়ে প্রকল্প কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিকবার আবেদন করা হলেও আশানুরুপ কোন ফল হয়নি। এমনকি IDEA প্রকল্পের DPP এর ২য় সংশোধনীর সময় পরিকল্পনা মন্ত্রনালয় হতে পদ ও বেতন সমন্বয় করার বিষয়টি বলা হলেও কোন অদৃশ্য কারনে সেটি বাস্তবায়ন করা ব্যতিত উক্ত DPP সংশোধন করা হয়।

একাধিকবার সিদ্ধান্ত হওয়ার পরও উক্ত বিষয়ের সমাধান না হওয়ায় নির্বাচন কমিশনেই প্রতিনিয়ত এ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে।
আইডিইএ প্রকল্পে কর্মরত ভুক্তভোগীরা দাবী করছে প্রকল্প পরিচালনার প্রয়োজনানুসারে চলমান সংশোধিত RDPP তে পদের নাম ও বেতন গ্রেড সমূহ পরিবর্তন করে “টেকনিক্যাল এক্সপার্ট” দের সহকারী প্রোগ্রামার ও টেকনিক্যাল সাপোর্টদের “ডাটা এন্ট্রি সুপারভাইজার ” করা প্রয়োজন। এছাড়াও চলমান ভোটার তালিকা সংশ্লিষ্ট কাজে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে সার্ভিস দেওয়ার অভিজ্ঞতা সম্পন্ন জনবল প্রয়োজন।

ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা একটি লিখিত আবেদনের মাধ্যমে জানায়, ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচন কমিশনের ৪৬তম সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের আলোকে তাদের পদের নাম ও বেতন গ্রেড সমূহ যদি পরিবর্তন না করা হয় এবং চলমান IDEA প্রকল্পের সমাপ্তির পর যদি তাদেরকে রাজস্ব বাজেটে স্থানান্তর করে চাকুরী স্থায়ী করা না হলে, চলতি মাস অর্থ্যাৎ ফেব্রুয়ারীতে পুনরায় আর চাকরীর মেয়াদ বৃদ্ধি না করার অনুরোধ জানায় এবং চাকুরীর মেয়াদ যদি বৃদ্ধি করা হয় তাহলে উক্ত আবেদন পত্রটিই ইস্তফা পত্রমেয়াদ বৃদ্ধি না, চাকুরী স্থায়ী করণই প্রত্যাশা আইডিইএ প্রকল্পের চাকুরীজিবীদের।

চাকুরীর মেয়াদ বৃদ্ধি না করে চাকুরী যেন স্থায়ী করা হয়, এমনটাই দাবী আইডিএ প্রকল্পের চাকুরীজিবীদের। ২০০৭ সালে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক গৃহীত “ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণনয়ন ও জাতীয় পরিচয় পত্র প্রদান” প্রকল্পে বাংলাদেশ সেনাবাহীনি ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে কর্মরত ছিলেন এবং ২০০৯ থেকে ২০১২ সালের ৩০শে জুন ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও জাতীয় পরিচয় পত্র প্রদান প্রকল্প (PERP) এ কর্মরত ছিলেন। এছাড়াও ২০১২ সালের ১ জুলাই পর্যন্ত “আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম ফর এনহ্যান্সিং একসেস টু সার্ভিসেস” প্রকল্প (IDEA) এ টেকনিক্যাল এক্সপার্ট ও টেকনিকাল সাপোর্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
কিন্তু বিগত ১০ বছর বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে সার্ভিস দেওয়ার অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ এই সকল কর্মকর্তাদের সরকারী বেতন স্কেল অনুযায়ী (৯ম গ্রেড) সাপোর্টগণকে (১০ম গ্রেট) এবং প্রকল্প শেষে সরাসরি রাজস্বখাতে স্থানান্তর করার বিষয়ে প্রকল্প কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিকবার আবেদন করা হলেও আশানুরুপ কোন ফল হয়নি। এমনকি IDEA প্রকল্পের DPP এর ২য় সংশোধনীর সময় পরিকল্পনা মন্ত্রনালয় হতে পদ ও বেতন সমন্বয় করার বিষয়টি বলা হলেও কোন অদৃশ্য কারনে সেটি বাস্তবায়ন করা ব্যতিত উক্ত DPP সংশোধন করা হয়।

একাধিকবার সিদ্ধান্ত হওয়ার পরও উক্ত বিষয়ের সমাধান না হওয়ায় নির্বাচন কমিশনেই প্রতিনিয়ত এ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে।
আইডিইএ প্রকল্পে কর্মরত ভুক্তভোগীরা দাবী করছে প্রকল্প পরিচালনার প্রয়োজনানুসারে চলমান সংশোধিত RDPP তে পদের নাম ও বেতন গ্রেড সমূহ পরিবর্তন করে “টেকনিক্যাল এক্সপার্ট” দের সহকারী প্রোগ্রামার ও টেকনিক্যাল সাপোর্টদের “ডাটা এন্ট্রি সুপারভাইজার ” করা প্রয়োজন। এছাড়াও চলমান ভোটার তালিকা সংশ্লিষ্ট কাজে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে সার্ভিস দেওয়ার অভিজ্ঞতা সম্পন্ন জনবল প্রয়োজন।

ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা একটি লিখিত আবেদনের মাধ্যমে জানায়, ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচন কমিশনের ৪৬তম সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের আলোকে তাদের পদের নাম ও বেতন গ্রেড সমূহ যদি পরিবর্তন না করা হয় এবং চলমান IDEA প্রকল্পের সমাপ্তির পর যদি তাদেরকে রাজস্ব বাজেটে স্থানান্তর করে চাকুরী স্থায়ী করা না হলে, চলতি মাস অর্থ্যাৎ ফেব্রুয়ারীতে পুনরায় আর চাকরীর মেয়াদ বৃদ্ধি না করার অনুরোধ জানায় এবং চাকুরীর মেয়াদ যদি বৃদ্ধি করা হয় তাহলে উক্ত আবেদন পত্রটিই ইস্তফা পত্র হিসেবে বিবেচনা করার অনুরোধ জানায়। উক্ত আবেদনে ভুক্তভোগী সকল কর্মকর্তা স্বাক্ষর করেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন
শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন
  • 27
    Shares
x

Check Also

ভোট করবে, নাকি বেইল নেবে, নাকি জেলে যাবে?

ক্রাইম প্রতিদিন, ঢাকা : আগামী নির্বাচন ও ...