Home / বাংলাদেশ / সারাদেশ / ময়মনসিংহে শিক্ষকের জাল সনদের প্রতিবাদে মানববন্ধন

ময়মনসিংহে শিক্ষকের জাল সনদের প্রতিবাদে মানববন্ধন

ক্রাইম প্রতিদিন, শফিউর রহমান সেলিম, ময়মনসিংহ : ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে জাল সনদ ব্যবহার করা শিক্ষককের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে শিবগঞ্জ বি.দাস উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক দুই ছাত্রীকে শারীরিকভাবে লাঞ্চিত, এক শিক্ষক এবং ছাত্রকে জুতাপেটা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার সকাল ১১টার দিকে বিদ্যালয়ের সামনের সড়কে এই ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী, স্কুলের শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সকাল ১১টার দিকে শিবগঞ্জ বি. দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে কারিগরী শাখার শিক্ষার্থীদের পৃথক অফিস কক্ষ, বিদ্যালয়ের জাল সনদধারী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনসহ কয়েক দফা দাবীতে বিদ্যালয়ের সামনের সড়কে মানববন্ধন করছিল শিক্ষার্থীরা। এ সময় বিদ্যালয়ের শরীরচর্চা শিক্ষক মো. শামীম মিয়া ঘটনাস্থলে এসে মানববন্ধনে যোগ দেওয়া ছাত্রছাত্রীদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এক পর্যায়ে নবম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেন। একই সময়ে নবম শ্রেনীর এক ছাত্র ও বিদ্যালয়ের শিক্ষককে লাঞ্চিত করেন অভিযুক্ত ওই শিক্ষক। এছাড়াও নবম শ্রেনীর ছাত্রী লিপি, ইতি, লিজাকে মারধর করেন। শিক্ষককে লাঞ্চিত করায় সাধারন ছাত্র-ছাত্রীরা উত্তেজিত হয়ে উঠলে শিক্ষক শামীম মিয়া পালিয়ে যান।

ছাত্র-ছাত্রীরা অভিযোগ করে বলে বলেন, শরীর চর্চা শিক্ষক শামীম মিয়ার বিপিএড সার্টিফিকেট ও নিবন্ধন সনদ সঠিক নয় এবং কোন রকম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, পরীক্ষা ছাড়াই ভূয়া প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই বিদ্যালয়ে তিনি নিয়োগ পেয়েছেন। এই বিদ্যালয়ে আরো কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধেও একই রকম অভিযোগ আছে।

বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক প্রতিনিধি নাজমুল হক ফরাজি বলেন, স্থানীয় এই শিক্ষক দাপট দেখায়, ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে খারাপ আচরন করে। তার সাটিফিকেট ও নিযোগ প্রক্রিয়ার ব্যাপারে অভিযোগ আছে ।

অভিযুক্ত শিক্ষক মোঃ শামীম মিয়া শিক্ষার্থী ও শিক্ষককে লাঞ্চনার ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, বিশৃঙ্খলা করার চেষ্টা করলে ছাত্র-ছাত্রীদের শাসন করা হয়েছে। তার বিপিএড সার্টিফিকেট ও নিবন্ধন সনদ সঠিক।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বদরুল আলম বলেন, কারিগরী শাখার স্থায়ী অফিস কক্ষের দাবী নিয়ে একটু সমস্যা হয়েছে, তা সমাধানের চেষ্টা চলছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ বেলায়েত হোসেন বলেন, রোববার তদন্ত করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ডা. শামীম রহমানের সরকারি মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও সাড়া না দেয়ায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

এই মুহূর্তে অন্যরা যা পড়ছে

শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন
  • 9
    Shares
x

Check Also

শিশুকে কৃষকলীগ নেতার ধর্ষণ, শাস্তি জুতাপেটা!

ক্রাইম প্রতিদিন ...