সংবাদ শিরোনাম
Home / লিড নিউজ / শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগের কারণে ছাত্রলীগ নেতা বহিষ্কার

শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগের কারণে ছাত্রলীগ নেতা বহিষ্কার

ক্রাইম প্রতিদিন, ডেস্ক : শিবিরের সঙ্গে ‘গভীর যোগাযোগের’ কারণে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগ থেকে মুক্তাদির নাহিদকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

রোববার ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেনের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

জানা গেছে, মুক্তাদির নাহিদ রাজশাহী নগর ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। শিবিরের সঙ্গে নাহিদের গভীর যোগাযোগের বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ার পর তাকে নিয়ে মহানগর ছাত্রলীগে তোলপাড় হয়। বিষয়টি কেন্দ্রীয় কমিটিতেও যায়। শেষে তাকে বহিষ্কার করা হলো।

এদিকে নাহিদ বহিষ্কার হওয়ায় ছাত্রলীগকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনেকেই ফেসবুকে স্ট্যাটাসও দিয়েছেন। এছাড়াও বহিষ্কারের পর নাহিদের কয়েকটি ছবিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

ছাত্রলীগ প্রেরিত নাহিদের বহিষ্কার আদেশে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের এক জরুরি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, মুক্তাদির নাহিদকে মারাত্মকভাবে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে দল থেকে বহিষ্কার করা হল।

মারাত্মক শৃঙ্খলা বলতে শিবিরের সঙ্গে গভীর যোগাযোগকেই বুঝানো হয়েছে বলে রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগের এক নেতা নাম প্রকাশ না করে জানিয়েছেন।

এদিকে রাজশাহী মহানগরীর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নাহিদের বিভিন্ন অপকর্ম তুলে ধরেছেন। এছাড়াও শিবির নেতাদের সঙ্গে ফেসবুকে নাহিদের তোলা ঘনিষ্ঠ ছবি পোস্ট করেছেন।

ছবিতে দেখা যাচ্ছে, মুক্তাদির নাহিদ পেস্ট রঙের পাঞ্জাবি পরে রাজশাহী কলেজ ছাত্রশিবিরের আহ্বায়ক জোহা এবং শিবির ক্যাডার আবদুল্লাহর সঙ্গে হাস্যোজ্জল ফটোশেসনে অংশ নেয়।

অপর এক ছবিতে দেখা যাচ্ছে, নগর ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুক্তাদির নাহিদ কয়েকজনের সঙ্গে হাতে মদের গ্লাস নিয়ে বসে আছে।

নাহিদকে বহিষ্কারের আদেশসহ তার এসব কয়েকটি ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

যাদের অনেকেই নাহিদকে গালি দিয়ে ফেসবুকে লিখেছেন, ‘মুক্তাদির নাহিদ ছাত্রলীগের মধ্যে ছদ্মবেশে প্রবেশ করে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তিদের এজেন্ডা বাস্তবায়নে তৎপর ছিল এবং বিভিন্ন মাধ্যমে প্রলোভন দেখিয়ে নেতাদের নাম ভাঙিয়ে কাজ করে দেয়ার নামে অসহায় মানুষদের কাছে অর্থ হাতিয়ে নিয়ে বিদেশে পালিয়ে গেছেন।’

Print Friendly, PDF & Email

এই মুহূর্তে অন্যরা যা পড়ছে