Breaking News

আদর্শহীন রাজনীতি ও শিকল বন্দী কলম সৈনিক

ক্রাইম প্রতিদিন, মোঃ ইসমত দ্দোহা : ক্ষমতার রাজনীতিতে আদর্শহীন রাজনীতি আমাদের নিয়ে গেছে চরম এক অন্ধকারে। তৃণমূল হতে কেন্দ্র সবখানেই আজ শুধু সবকিছু আমার হবে আমি পাবো আমি খাবো এমন এক মনোভাব নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছে আমাদের রাজনীতি তথা সমাজ জীবন।

নিজেকে উপরে তোলার জন্য প্রয়োজনে চারপাশের মানুষ প্রকৃতিকেও ধবংস করতে পিছপা হয়না নোংরা রাজনীতি করা মানুষগুলো। তাদের কাছে নিজের জীবন, পরিবার, সমাজ, সংগঠন, আইন -আদালত কোন কিছুই বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনা খাই -খাই রাজনীতির সামনে। অভিন্ন পেশার মানুষগুলো রাজনীতিতে প্রবেশ করে রাজনীতির প্রকৃত ভাষাই পরিবর্তন করে দিয়েছে। রাজনীতির মূল আদর্শ হচ্ছে নিজের সর্বোচ্চ উজাড় করে দিয়ে জনগণ ও মানবতার সেবা করা। কিন্তু আজ আমরা দেখছি ঠিক তার উল্টো। একশ্রেণীর নষ্ট রাজনীতিবিদরা নিজের পকেট ভারী করা, নিজের ব্যক্তি উন্নয়ন করার জন্য পুরো রাজনৈতিক সিস্টেমকেই পরিবর্তন করে মানবতাকে দু ‘পায়ে পিষ্ট করে মারতেছে অথচ দেখার কেউ নাই।

রাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থার চতুর্থ স্তম্ভ হচ্ছে স্বাধীন গণমাধ্যম। বর্তমান সরকার যেখানে সকল প্রকার তথ্য -প্রযুক্তি জনগণের জন্য সহজলভ্য করে দিয়েছে। রাজধানী হতে তৃণমূল গ্রাম পর্যন্ত তথ্য সেবা পৌঁছে দিয়েছে। দেশের নির্ভীক ও সাহসী গণমাধ্যম ও গণমাধ্যম কর্মীগণ সাহসিকতার সাথে নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সমাজ তথা দেশের আইন ও প্রশাসনের সামনে সকল ভালো -মন্দ তথ্য তুলে ধরেন। কিন্তু সেই তথ্য তুলে ধরতে গিয়ে অনেক গণমাধ্যম কর্মীকে হামলা, মামলা এমনকি জীবন পর্যন্ত দিতে হচ্ছে। হামলা -মামলার স্বীকার হয়ে পরিবার -পরিজন নিয়ে কাটাচ্ছে মানবেতর জীবন।

স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিরাট এক পরিবর্তন নিয়ে আসে ৭৫’সালের ১৫ আগস্টের নির্মমতার মধ্যদিয়ে। বিভিন্ন চড়াই -উতরাই করে ৯০’তে স্বৈরশাসনের পতনের মধ্যদিয়ে ফিরে আসে গণতন্ত্রের ধারায়। তৎকালীন সময়ে সারা দেশের ন্যায় বৃহত্তর নোয়াখালী অন্চলের জেলা গুলোতে শুরু হয় রাজনৈতিক দলের নাম ভাঙিয়ে একশ্রেণীর টাউট বাটপারের গ্রুপিং আর অস্ত্রের ঝনঝনানি। দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন সন্ত্রাসী গ্রুপের কর্ম কান্ড নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য প্রশাসনের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে চলছে স্হানীয় তৃণমূল গণমাধ্যমকর্মীগণ।

এমনিতেই মফস্বল সাংবাদিকতা ঝুঁকিপূর্ণ, সেই ঝুঁকিপূর্ণ কাজটাই করেন সাহসী কলম সৈনিকরা। নিজ এলাকা সন্ত্রাস মুক্ত করার জন্য প্রশাষনকে গণমাধ্যমই একমাত্র সহযোগিতা করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। অস্বীকার করার উপায় নাই বর্তমানে সরকার ও প্রশাসনে প্রশংসনীয় কঠোরতার কারণে দেশের কোন জেলাতেই নেই সন্ত্রাসী বাহিনী গডফাদার। নেই কোন সন্ত্রাসী বাহিনীর অস্ত্রের ঝনঝনানি। সাধারণ জনগণ, ব্যবসায়ী, প্রকৃত রাজনীতিবিদ, সবাই এই পরিবেশকে স্বাগত জানালেও একশ্রেণীর মুখোশধারী, খোলস পাল্টানো রাজনৈতিক লেবাসধারীদের কুটকৌশলের কাছে পরাস্ত হচ্ছে নির্ভীক -সাহসী মানুষগুলো। নোংরা মানষীকতার মানুষগুলোর কারণে ব্যক্তি, সমাজ, পরিবার, সংগঠন কুলষিত হচ্ছে। তাই এখুনি সময় এইসব কুচক্রী মানুষগুলোর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর।

শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন