Home / জাতীয় / বিশেষ প্রতিবেদন / আব্দুর রাজ্জাকের আদর্শকে লালন করে এগিয়ে যাচ্ছেন নাহিম রাজ্জাক

আব্দুর রাজ্জাকের আদর্শকে লালন করে এগিয়ে যাচ্ছেন নাহিম রাজ্জাক

ক্রাইম প্রতিদিন, আবু রায়হান (বর্ষন), শরীয়তপুর : প্রয়াত আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের অন্যতম সদস্য আব্দুর রাজ্জাকের রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় ’৫০-এর দশকের শেষের দিকে। সাবেক পানিসম্পদমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক ছাত্রজীবন থেকে আন্দোলন-সংগ্রামে যুক্ত হয়ে পড়ায় তখন থেকেই অত্যাচার নির্যাতন, জেল-জুলুম ভোগ করেন। ’৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন, ৬ দফা আন্দোলন, স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সাবেক সদস্য আব্দুর রাজ্জাক স্বাধীনতার পর সামরিক স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনসহ সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামের পুরোভাগে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন নিয়ে মৌলবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও যাবতীয় প্রতিক্রিয়াশীলতার বিরুদ্ধে আব্দুর রাজ্জাক সারা জীবন সংগ্রাম করেছেন। ’৯০-এর দশকের শুরুতে শহীদ-জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ব্যানারে স্বাধীনতাবিরোধী, রাজাকার ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে যে গণআন্দোলন শুরু হয় সে আন্দোলনে আব্দুর রাজ্জাক অগ্রণি ভূমিকা পালন করেন। আব্দুর রাজ্জাক মুক্তিযুদ্ধেও চেতনা বাস্তবায়ন ও একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল জাতীয় সমন্বয় কমিটির অন্যতম সদস্য ছিলেন। রাজনৈতিক জীবনে আব্দুর রাজ্জাক বহুবার গ্রেফতার হয়েছেন এবং জেল-জুলুম ও কারা নির্যাতন ভোগ করেছেন। আইয়ুব খানের শাসনামলে ১৯৬৪ সালে প্রথম তিনি গ্রেফতার হন এবং ’৬৫ সাল পর্যন্ত জেল খাটেন। কারাগার থেকেই মাস্টার্স পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এরপর ৬ দফা আন্দোলন করতে গিয়ে ১৯৬৭ সাল থেকে ’৬৯ সাল পর্যন্ত তিনি কারারুদ্ধ ছিলেন। ১৯৭৫ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ঘাতকরা হত্যা করার পর আব্দুর রাজ্জাক পুনরায় গ্রেফতার হন। ’৭৮ সাল পর্যন্ত তিনি কারাবন্দি ছিলেন। এরশাদের শাসনামলে সামরিক স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সময় ১৯৮৭ সালে আব্দুর রাজ্জাককে আবার গ্রেফতার করা হয়। পাকিস্তান আমলে ৬ দফা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন আব্দুর রাজ্জাক। সবচেয়ে বড় যে বিষয়টি, সে বিষয় হলো-বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধে তিনি ভারতের মেঘালয়ে মুজিব বাহিনীর সেক্টর কমান্ডার (মুজিব বাহিনীর ৪ সেক্টর কমান্ডারের একজন) ছিলেন। তিনি মুজিব বাহিনীর একজন সংগঠক ও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষকও ছিলেন। তিনি দেরাদুনে ভারতের সেনাবাহিনীর জেনারেল উবানের কাছে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। মুজিব বাহিনী গঠনে অন্যতম রূপকার ছিলেন। ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর আব্দুর রাজ্জাক পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি পানিসম্পদমন্ত্রী থাকাকালে ১৯৯৭ সালে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। জাতীয় সংসদে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে ২০০৯ সালের জুলাই-আগস্টে একটি সংসদীয় প্রতিনিধি দল ভারতে টিপাইমুখ বাঁধ প্রকল্প পরিদর্শন করে। দেশে ফিরে আব্দুর রাজ্জাক সংসদে রিপোর্ট দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের ক্ষতি হবে এমন কোনো প্রকল্প ভারত বাস্তবায়ন করবে না বলে সে দেশের মন্ত্রী নিশ্চিত করেছেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সোনার বাংলা এবং সন্ত্রাস দুর্নীতিমুক্ত অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে আব্দুর রাজ্জাক আজীবন লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। সব সময়ের সাহসী আন্দোলক, মানুষের মমতা থেকে উঠে আসা রাজনীতিবীদ আব্দুর রাজ্জাক শরীয়তপুর জেলার ডামুড্যা উপজেলার দক্ষিণ ডামুড্যা গ্রামে এক মধ্যবিত্ত পরিবারে ১৯৪২ সালের ১ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম ইমাম উদ্দিন এবং মাতার নাম বেগম আকফাতুন্নেছা। ১৯৫৮ সালে আব্দুর রাজ্জাক তৎকালীন ডামুড্যা মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয় বর্তমানে যেটি তার সুযোগ্য সন্তান শরীয়তপুর-০৩ এর গনমানুষের নেতা নাহিম রাজ্জাজ এমপি’র অবদানে সরকারী হয়েছে সেই বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ১৯৬০ সালে ঢাকা কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। এরপর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। তিনি ১৯৬৪ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অনার্স এবং পরে মাস্টার্স পাস করেন। এরপর তিনি এলএলবি পাস করেন এবং ১৯৭৩ সালে আইনজীবী হিসেবে বার কাউন্সিল’র নিবন্ধিত হন। আব্দুর রাজ্জাকের রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় ছাত্র রাজনীতির মধ্য দিয়ে। তিনি ১৯৬০-৬২ সালে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। ১৯৬২-৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হল ছাত্র-ছাত্রী সংসদের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৭০ সালের নির্বাচনে প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৩, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। তার নির্বাচনী এলাকা শরীয়তপুর-৩ (ডামুড্যা-ভেদেরগঞ্জ-গোসাইরহাট)। ১৯৬৩-৬৫ সাল পর্যন্ত তিনি ছাত্রলীগের সহ-সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এই সময়ই তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৬৫ থেকে ’৬৭ সাল পর্যন্ত তিনি পর পর দু’বার ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৬৯ থেকে ’৭২ সাল পর্যন্ত তিনি আওয়ামী লীগের স্বেচ্ছাসেবক বিভাগের প্রধান ছিলেন। আব্দুর রাজ্জাক ১৯৭২ থেকে ’৭৫ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। ’৭৫ সাল থেকে ’৭৮ সাল পর্যন্ত তিনি বাকশালের সম্পাদক ছিলেন। ১৯৭৮ থেকে ’৮১ সাল পর্যন্ত তিনি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ১৯৮৩ সালে তিনি বাকশাল গঠন করেন এবং ১৯৯১ সাল পর্যন্ত তিনি এই বাকশালের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ১৯৯১ সালে বাকশাল বিলুপ্ত করে তিনি আওয়ামী লীগে ফিরে আসেন। ’৯১ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ছিলেন। ২০০৯ সালের ২৪ জুলাই আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিলের পর তিনি দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। এছাড়া তিনি শান্তি আন্দোলনেও অবদান রেখেছেন। আমাদেরকে, আমাদের দেশকে অভিভাবকশূণ্য করে চলে যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ শান্তি পরিষদের সভাপতি ছিলেন। দীর্ঘ এই রাজনৈতিক জীবনের সাথী হিসেবে তিনি পেয়েছিলেন নিবিড় করে স্বপ্ন বোনা নারী ফরিদা রাজ্জাককে। সহধর্মীনি হিসেবে যিনি সাথী ছিলেন সবসময়। এছাড়াও তিনি দুই পুত্র নাহিম রাজ্জাক(এমপি,শরীয়তপুর-০৩) ও ফাহিম রাজ্জাকের রাজনৈতিক উৎসাহও ছিল তাঁর পথচলার সাথী। আমাদের আলোকিত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ী মানুষ তোফায়েল আহমেদ এমপির ভাষায় বলতে গেলে বলা যায়, আব্দুর রাজ্জাক ছিলেন মানুষের নেতা। তিনি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের একজন অন্যতম সংগঠক এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে একজন বলিষ্ঠ সৈনিক। আব্দুর রাজ্জাক তিনি দক্ষ সংগঠক ছিলেন। পাশাপাশি দলের কর্মীদের স্নেহ-ভালোবাসায় সিক্ত করেছিলেন। তিনি ছাত্রলীগের দুইবার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। আওয়ামী লীগেরও দুইবার সাধারণ সম্পাদক হয়েছিলেন। ১৯৯১ ও ১৯৯৬ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুইটি আসন থেকে তিনি নির্বাচিত হয়েছিলেন। কোনো দিন কোনো নির্বাচনে তিনি হারেন নি। এটা মানুষের ভালোবাসার নিদর্শন। আব্দুর রাজ্জাক বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রতি এতোটাই নিষ্ঠাবান ছিলেন যে তিনি বঙ্গবন্ধুর বাকশালকে ধরে রাখতে চেয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে তিনি দক্ষ সংগঠকের ভূমিকা পালন করেছিলেন। মুজিব বাহিনীর চারজন কর্ণধারের মধ্যে তিনি ছিলেন একজন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সন্তান, ষাটের দশকের তুখোড় ছাত্র সংগঠক, মুজিব বাহিনী ও বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্সের অন্যতম পুরোধা আওয়ামী লীগের এই বর্ণাঢ্য ব্যক্তিত্ব মনেপ্রাণে কর্মী এবং কর্মী অন্তঃপ্রাণ। ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগে বিপুল সমাদৃত আব্দুর রাজ্জাক অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও প্রতিপক্ষের কাছেও একজন সজ্জন ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি। রাজনীতির দুর্মূল্যের বাজারে এহেন চরিত্র দুর্লভ। জীবিতাবস্থায় কিংবদন্তিতে পরিণত হওয়া এই বাঙালি দেশপ্রেমিক কখনোই সত্য বলতে পিছপা হননি।শরীয়তপুরে তাকে বলা হত আধুনিক শরীয়তপুর এর রুপকার একটা সময় ছিল যখন শরীয়তপুরে ১কিলোমিটার পর্যন্ত রাস্তা পাকা ছিলোনা তিনি প্রত্যেকটি গ্রামে রাস্তাঘাট করে দিয়েছিলেন এবং তার এলাকার মানুষ যাতে সুশিক্ষিত হতে পারে তার অসংখ্য স্কুল মাদ্রাসা সহ কলেজও প্রতিষ্ঠা করেগেছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে জাতীর জনক কে শ্রদ্ধা জানাতে এসে অসুস্থ হয়ে পরেন।প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য গুলশান এর ইউনাইটেড হসপিটাল পরে
উন্নত চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় লন্ডনে, লিভারের বাধক্যজনিত অসুস্থতার কারনে দীর্ঘ্য দিন মৃত্যুর সাথে বেঁচে থাকার লড়াই করে, লন্ডনের কিংষ্টন হাসপাতালে ২০১১ সালের ২৩ ডিসেম্বর চিরদিনের জন্য পরলোক গমন করেন, জাতী হারালো একজন মেধাবী জাতীয় নেতাকে, শরীয়তপুর বাসী হারালো প্রিয় অভিভাবক আধুনিক শরীয়তপুরের রুপকার কে।তার মৃত্যুর পর আসনটি শুন্য হয়, এই শুন্যতা পূর্ণ হবার নয়, অভিভাবক হীনতায় আশংকায় নিরব হয়ে যায়, নিভে যেতে শুরু। নিরব হওয়ার আগেই হঠাৎ এক তারুণ্যদ্বীপ্ত, মেধাবী, পরিশ্রমী, আর সাংগঠনিক দক্ষতার মাধ্যমে ছাত্র সমাজ, যুব সমাজ, খেটে খাওয়া দিন মজুরের কাছে খুব অল্প সময়েই তুমোল জনপ্রিয়তা অর্জন করে, শিশু কিশোর থেকে শুরু করে বৃদ্ধ বনিতার হৃদয়ে স্থান করে নেন আব্দুর রাজ্জাকের উক্তরসূরী, আব্দুর রাজ্জাকের প্রতিচ্ছবি নাহিম রাজ্জাকের মাঝেঁ লক্ষ জনতা খুঁজে পেলো। পিতার শুন্যতা, অভাব পূরনে ছুটে চলেন গ্রামের পর গ্রাম, মাইলের পর মাইল, ক্লান্তিহীন এক মুজিব আদর্শের সৈনিকের এক পলক দেখার জন্য মুহুর্তে হাজির হয়ে যেতো শত শত সাধারন মানুষ । বুকে জড়িয়ে নেন দিন মজুরের ঘামে ভেঁজা প্রিয় দেহটিকে।তাইতো দেশরত্ন শেখ হাসিনা ২০১২ সালের ২৮ ফ্রেব্রুয়ারী উপনির্বাচনে নৌকা প্রতিক তুলে দিয়ে, শরীয়তপুরের মাটি ও মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন এর জন্য পাঠান। এবং তিনি বিনা প্রতিদ্বদ্ধিতায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সর্ব কনিষ্ট সংসদ সদস্য হয়ে আমাদের জন্য গৌরবউজ্জ্বল সম্যান বয়ে নিয়ে আসেন।অত্র এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়ন মুলক কাজ করতে আরম্ভ করেন, ব্রীজ, কালর্ভাট, রাস্তা, স্কুল, মাদ্রাসার ভবন, হাসপাতাল গুলোকে উন্নতি করন ও নতুন ভবন নির্মান, বেরিবাঁধ, ঘরে ঘরে বিদুৎ পৌছে দেওয়া, এবং ডিজিটাল সেবার আওতায় নিয়ে আসার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারী নির্বাচনে নাহিম রাজ্জাক দ্বিতীয় বারের মত বিনাপ্রতিদ্বন্ধীতায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। নিয়মিত তার নিজ নির্বাচনী এলাকার একপ্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত চষে বেড়ান, ঢাকাতে অফিসিয়ালি কোন কাজ ছাড়া থাকেন না, নিজ এলাকার মানুষের সুখ দুঃখ্যের কান্ডারী হয়ে পাশে থাকেন, সকলের সাথে কুশলাদি বিনিময় করে খোঁজ নেন এলাকার সমস্যা গুলোকে চিহ্নিত করে সমাধান করে চলেছেন। বর্তমানে তিনি ইয়াাং বাংলার আহবায়ক এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রনালয়ের স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে স্বনাম অর্জন করে চলেছেন।

শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন
  • 288
    Shares