শিরোনাম

আমার নাতি-পুতিরাও ফুটবল খেলে : প্রধানমন্ত্রী

ক্রাইম প্রতিদিন : ফুটবলের জনপ্রিয়তার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ফুটবল হচ্ছে সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা। হাটে-মাঠে-ঘাটে সব জায়গায় এই খেলা হয়।

খেলাধুলার সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান খেলাধুলায় সবসময় আন্তরিক ছিলেন।

পরিবারের সদস্যদের ফুটবল খেলা সম্পর্কে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, আমার দাদা ফুটবল খেলতেন, আমার বাবা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ফুটবল খেলতেন, আমার ভাই শেখ জামাল, শেখ কামাল সবাই ফুটবল খেলতো। আমার নাতি-পুতি যারা আছে তারাও ফুটবল খেলে।

শেখ হাসিনা বলেন, আমার ছেলে জয়, জয়ের মেয়ে সোফিয়া ফুটবল খেলে, পুতুলের ছেলে জায়িফ ফুটবল খেলে, রেহানার ছেলে রাদওয়ান, রাদওয়ানের ছেলে কাউস ফুটবল খেলে।

তিনি বলেন, পুরো পরিবার আমরা ফুটবল খেলার পরিবার এটা আপনারা ধরে নিতে পারেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফুটবল খেলার আরো উন্নতি হোক সেটা আমরা চাই। প্রশিক্ষণসহ ফুটবলের উন্নয়নে যা যা করণীয় আমরা করব। এ খেলায় এগিয়ে যাক, এটা আমরা চাই।

নারী ফুটবলারদের প্রশংসা করে প বলেন, আমাদের মেয়েরা, মেয়ে ফুটবল টিম অনূর্ধ্ব ১৬ অনূর্ধ্ব ১৮, ইতিমধ্যে সাফ আন্ডার ১৮ টিমে আমাদের মেয়েরা চ্যাম্পিয়ন হয়ে এসেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আশা করি ছেলেরাও পিছিয়ে থাকবে না। ভবিষ্যতে ছেলেরা আরো ভালো করবে এগিয়ে যাবে।

শুক্রবার (১২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ আন্তর্জাতিক ফুটবল প্রতিযোগিতার ফাইনাল খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

এদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মাঠে আসেন প্রধানমন্ত্রী। স্টেডিয়ামে বসে টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচের দ্বিতীর্য়ার্ধ উপভোগ করেন তিনি।

ফাইনালে লড়াই করেছে ফিলিস্তিন ও তাজিকিস্তান। ৯০ মিনিটের পর অতিরিক্ত ৩০ মিনিটও গোলশূন্য থাকায় ট্রাইব্রেকারে খেলা গড়ায়। ট্রাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে তাজাকিস্তানকে হারায় ফিলিস্তিন।

বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ আন্তর্জাতিক ফুটবল প্রতিযোগিতার শিরোপা অর্জন করায় ফিলিস্তিন এবং রানার্স আপ হওয়ায় তাজিকিস্তানকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী সব দলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান তিনি।

বক্তব্যের পর প্রধানমন্ত্রী শিরোপা অর্জনকারী এবং রানার্সআপ ট্রফি তুলে দেন। এছাড়া টুর্নামেন্টে অন্যান্য পুরস্কারজয়ীদের হাতেও পুরস্কার তুলে দেন তিনি।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী শ্রী বীরেন শিকদার, উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সংসদ সদস্য মো. জাহিদ আহসান রাসেল, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, ফুটবল ফেডারেশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি সংসদ সদস্য আবদুস সালাম মুর্শেদীসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন
  • 18
    Shares
x

Check Also

১২ ডিসেম্বর থেকে শেখ হাসিনার নির্বাচনী প্রচার শুরু

ক্রাইম প্রতিদিন, ঢাকা : আগামী ১২ ডিসেম্বর থেকে ...