Home / লিড নিউজ / আ.লীগের নির্বাচনী প্রচারণায় স্কুল শিক্ষার্থীদের ব্যবহার!

আ.লীগের নির্বাচনী প্রচারণায় স্কুল শিক্ষার্থীদের ব্যবহার!

ক্রাইম প্রতিদিন, গাজীপুর : গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে স্কুল শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠেছে আওয়ামী লীগ প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে ।

এছাড়া তার বিরুদ্ধে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা ও ‘দোয়া মাহফিলে’ যোগ দিতে গিয়ে নেতাকর্মীদের নিয়ে শোডাউন দিয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। মোটরসাইকেল শোভাযাত্রার অভিযোগ উঠেছে। ‘দোয়া মাহফিলে’ যোগ দিতে গিয়ে নেতাকর্মীদের নিয়ে শোডাউন দিয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

আজ বুধবার সকালে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের কানাইয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে জাহাঙ্গীর আলমের নামে ওই ‘দোয়া মাহ্ফিলের’ আয়োজন করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ওই দোয়া মাহফিলে যোগ দিতে যান গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম। এ সময় দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রাসহ অনুষ্ঠানে যোগ দেন তারা। জাহাঙ্গীর আলম অনুষ্ঠানে আসার আগে ও পরেও তার কর্মী-সমর্থকরা ওই এলাকায় মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা করেছে। অনুষ্ঠান মঞ্চের ব্যানারে ‘বিশেষ দোয়া মাহ্ফিল’ লেখা থাকলেও মঞ্চের পাশে জাহাঙ্গীর আলমের উপস্থিতিতেই ব্যান্ড পার্টিকে ঢাক-ঢোল পেটাতে দেখা গেছে।

কানাইয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাবিনা ইয়াসমিন সাংবাদিকদের জানান, বুধবার সকাল থেকেই দোয়া মাহ্ফিল আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু হয়। স্কুলটিতে দুই শিফটে ক্লাস চলে। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠান হওয়ায় বুধবার সকালের শিফটের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দ্বিতীয় শিফটের শিক্ষার্থীরাও অভিভাবকসহ স্কুলে চলে আসে। দুপুর ১২টার দিকে জাহাঙ্গীর আলম ওই মাহ্ফিলে যোগ দেন।

এলাকাবাসী জানায়, জাহাঙ্গীর আলমকে সংবর্ধনা দেয়ার জন্য স্কুলের অর্ধশতাধিক শিশু শিক্ষার্থী স্কুলের পোশাক পড়ে মুখোমুখি সারিবদ্ধভাবে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিল। পরে জাহাঙ্গীর আলম দাঁড়িয়ে থাকা শিশুদের দুই সারির মধ্য দিয়ে বিশেষ দোয়া মাহফিল মঞ্চে প্রবেশ করেন।

এ সময় শিশু শিক্ষার্থীরা তাকে ফুল ছিটিয়ে শুভেচ্ছা জানায়। পাশের দারুচ্ছুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিল।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে গাজীপুর সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা রকিব উদ্দিন মন্ডল গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বিষয়টি শুনেছি। এ বিষয়ে এরই মধ্যে গাজীপুর জেলা প্রশাসক (ডিসি) ড. দেওয়ান মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির ও পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ হারুন আর রশীদকে খোঁজ-খবর নিতে বলা হয়েছে। কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেছেন। রাত ৯টা পর্যন্ত তারা প্রতিবেদন জমা দেননি। প্রতিবেদনে অপরাধ পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এদিকে, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জীব কুমার দেবনাথ সাংবাদিকদের বলেন, কানাইয়ার শোডাউন ও গণসংযোগের খবর আমরা বিকালে পেয়েছি। ওই সময় ঘটনাস্থলে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। ফলে কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নেয়া সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন.......

শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন
  • 11
    Shares