Home / জাতীয় / ‘এক নেত্রী ভোট চাইলেন, আরেক নেত্রী কাঠগড়ায়’ বলা নিয়ে আপত্তি

‘এক নেত্রী ভোট চাইলেন, আরেক নেত্রী কাঠগড়ায়’ বলা নিয়ে আপত্তি

ক্রাইম প্রতিদিন, ডেস্ক : ‘এক দলের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ভোট চাইলেন, আরেক নেত্রী কোর্টের কাঠগড়ায়’- এমন কথা বলা নিয়ে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার শুনানিতে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়েছে। ফলে কিছুক্ষণের জন্য আদালতের কার্যক্রম মুলতবি ছিল।

বুধবার বকশীবাজারে আলিয়া মাদ্রাসায় স্থাপিত ঢাকার পাঁচ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে এ ঘটনা ঘটে।

আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবী আমিনুল ইসলাম বলেন, এক দলের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ভোট চাইলেন। আরেক নেত্রী কোর্টের কাঠগড়ায়।

তখন দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল এমন কথা না বলতে অনুরোধ করেন। আসামির আইনজীবী আমিনুল বলেন, এটি উদাহরণ। তখন দুদকের পিপি বলেন, এটি বলা যাবে না। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর কথা রেফারেন্স দেয়া যাবে না।

এ সময় দুপক্ষের আইজীবীরা বাক্যবিনিময় শুরু করলে আদালতে হট্টগোল সৃষ্টি হয়। বেশ কিছু সময় ধরে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় চললে বিচারক এজলাস ছেড়ে উঠে যান।

প্রায় ১৫ মিনিট বিচারকাজ বন্ধ থাকার পর আবার শুনানি শুরু হয়। জুনিয়র আইনজীবীদের ‘সাইড টক’ বন্ধ করতে বলেন বিচারক। বলেন, উপস্থিত সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সম্মানহানি হয় এমন কাজ করবেন না।

বিচারক আরও বলেন, আরও যে বড় দলের একজন নেত্রী তার কথা আমরাও বিবেচনা করে কথা বলি। আপনারা জুনিয়র আইনজীবী হিসেবে এমন কিছু করবেন না। পিপি ও আসামির আইনজীবীদের মধ্যে যে বিতর্ক তা বিচারকাজের সৌন্দর্য।

এর আগে বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুরান ঢাকার আদালতে পৌঁছান বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

তবে তিনি পৌঁছানোর আগেই আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়। শুরুতে দুদক আইনজীবী মামলার প্রথম রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক শুরু করেন।

আজ অন্যদিনের তুলনায় আদালত প্রাঙ্গণে বিএনপি নেতাকর্মীদের উপস্থিতি লক্ষণীয় মাত্রায় কম ছিল। বিশেষ করে খালেদা জিয়ার মামলার শুনানিতে নিয়মিত উপস্থিত থাকেন এমন সিনিয়র নেতৃবৃন্দের বেশিরভাগই ছিলেন অনুপস্থিত।-যুগান্তর

আরও পড়ুন.......

শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন
  • 9
    Shares