Home / লিড নিউজ / নড়িয়ায় ডুবে যাওয়া ৩টি লঞ্চের একটি উদ্ধার, কেবিনে পাওয়া গেল কঙ্কাল

নড়িয়ায় ডুবে যাওয়া ৩টি লঞ্চের একটি উদ্ধার, কেবিনে পাওয়া গেল কঙ্কাল

ক্রাইম প্রতিদিন, শরীয়তপুর : শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার ওয়াপদা লঞ্চঘাট থেকে গত ১১ সেপ্টেম্বর নড়িয়া-২, মহানগর ও মৌচাক নামে তিনটি লঞ্চ প্রবল স্রোতত ও দূর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারনে ৫০জন যাত্রি ও স্টাফ নিয়ে ডুবে যায়। এ সময় কিছু যাত্রি সাতরে তীরে উঠতে পারলে ও প্রায় ২৫জন যাত্রি স্রোতের টানে নিখোজ হয়ে যায়। অনেক খোজাখুজি করে মাত্র ২জনের লাশ উদ্ধার করতে পারলে ও বাকিরা নিখোজ রয়ে যায়। এ সময় ডুবে যাওয়া লঞ্চ সনাক্ত করেও নদীতে প্রবল স্রোতের কারনে লঞ্চ তিনটি উদ্ধার করতে পারেনি ডুবুরিরা। ৪ মাস পর গত ২ সপ্তাহ চেষ্টা করে লঞ্চ মালিকগন ব্যক্তিগত উদ্যোগে লঞ্চ উদ্ধার কাজ শুরু করেন। উদ্ধার কারী দল গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে পদ্মা নদীর তলদেশ থেকে নড়িয়া -২ লঞ্চটি উদ্ধার করে নদীর পাড়ে নিয়ে আসে। এ সময় লঞ্চের কেবিন থেকে নিখোজ হওয়া লঞ্চের কেরানী স্বজল তালুকদারের কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। এ কঙ্কাল স্বজল তালুকদারের বাবা হারুন তালুকদার সনাক্ত করার পর তার হেফাজতে নিয়ে যায়। শুক্রবার সকাল ১০টায় নড়িয়া উপজেলার বিঝারী ইউনিয়নের ভড্ডা গ্রামে তার নিজ বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে লাশের কঙ্কাল দাফন করা হয়। স্বজলের লাশের কঙ্কাল পাওয়ার খবর পেয়ে শত শত লোক বাড়িতে ভিড় জমায়। খবর পেয়ে পাড়া প্রতিবেশী ও আত্মীয় স্বজনেরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে।
নড়িয়া-২ লঞ্চের নিখোজ হওয়া কেরানী স্বজল তালুকদারের বাবা হারুন অর রশিদ তালুকদার বলেন, ৪ মাস পূর্বে পদ্মায় ডুবে যাওয়া নড়িয়া-২ লঞ্চে থাকা কেরানী আমার ছেলে নিখোজ স্বজল তালুকদারের মৃতদেহের কঙ্কাল পাওয়ার পর বাড়ি এনে পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করা হয়েছে। আমার নাত নাতিন আমাকে বলছিল সবার বাবার কবর আছে। আমার বাবার কবর নেই কেন? তাই আল্লাহ ওর কঙ্কালটি ফেরত দেয়াতে নাত নাতিনের দাবী পূরন করতে পেরেছি।নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অসলাম উদ্দিন বলেন, ডুবে যাওয়া ৩টি লঞ্চের মধ্যে একটি লঞ্চ উদ্ধার করা হয়েছে। এ লঞ্চে একটি মানব দেহের কঙ্কাল পাওয়া গেছে । এ কঙ্কালটি নড়িয়া-২ লঞ্চের কেরানী স্বজল তালুকদারের বলে তার বাবা সনাক্ত করে বাড়ি নিয়ে দাফন করেছে।

আরও পড়ুন.......

শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন
  • 55
    Shares