Home / লিড নিউজ / পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ৪০০০তম পাড়া কেন্দ্র উদ্ভোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ৪০০০তম পাড়া কেন্দ্র উদ্ভোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ক্রাইম প্রতিদিন, রাঙ্গামাটি : পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ৪০০০তম পাড়া কেন্দ্র ভিডিও কনফারেন্স মাধ্যমে উদ্ভোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী । কাপ্তাই চন্দ্রঘোনা মিতিঙ্গাছড়ি রোববার সকালে ভিডিও কনফারেন্সে প্রাক-প্রাথমিক শিশুশিক্ষা কেন্দ্র ৪০০০তম পাড়াকেন্দ্র উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ উপলক্ষে দেয়া ভাষণে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে শান্তিশৃক্সক্ষলা বজায় রাখতে এ অঞ্চলের সবার প্রতি আহবান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ছাড়া উন্নতি সম্ভব নয়। উন্নয়নের পূর্বশর্ত শান্তি।
পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রাক-প্রাথমিক শিশুদের শিক্ষা বিস্তারে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সমন্বিত সমাজ উন্নয়ন প্রকল্প পরিচালিত তিন পার্বত্য জেলায় এ পর্যন্ত ৪ হাজার পাড়াকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। সর্বশেষ রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার কাপ্তাইয়ের মিতিঙ্গাছড়িতে স্থাপিত পাড়াকেন্দ্রটি রাজধানী ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের গ্রান্ড বলরুম হতে ভিডিও কনফারেন্সে উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র,আ,ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিকবিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভী এবং পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং ভিডিও কনফারেন্সে বক্তব্য রাখেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নববিক্রম কিশোর ত্রিপুরা।
প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব সহকারে নজর রাখছে তার সরকার। এজন্য দরকার শান্তিশৃঙ্খলা স্থিতি রাখা। অশান্ত পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘদিন অঞ্চলটি পিছিয়ে ছিল। মূলত ১৯৭৬ সালের পর থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামে অশান্তির সৃষ্টি হয়। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের উন্নয়নে বিশেষ পদক্ষেপ নেন এবং তা বাস্তবায়নে নির্দেশনা দিয়েছিলনে। দীর্ঘদিন পর আমরা যখন ক্ষমতায় যায়, তখন সঙ্গে সঙ্গে জাতির জনকের সুদৃষ্টি ও নির্দেশনার বিষয়টি উপলব্দি করে সেখানে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে পার্বত্য শান্তিচুক্তি সম্পাদনসহ তা বাস্তবায়ন শুরু করি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিশাল অঞ্চল। এটির যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে সেখানে নতুন নতুন ইউনিয়ন গঠন এবং উপজেলা সৃষ্টি করা হয়েছে। সেখানকার শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, পাড়াকেন্দ্র একটি প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত হয়ে আসছে। প্রকল্পটি দীর্ঘদিন ধরে ওই অঞ্চলের উন্নয়ন ও সেবামূলক করে আসছে। কিন্তু একটি প্রকল্প দীর্ঘদিন কাজ করতে পারে না। এরই মধ্যে প্রকল্পটির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। তাই সেটি বন্ধ করে আবার নতুনভাবে চালু করা হবে ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এদিকে রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে নবনির্মিত মিতিঙ্গ্যাছড়ি পাড়াকেন্দ্র উদ্বোধন স্থলে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে উপস্থিত থেকে আলোচনায় অংশ নেন, রাঙ্গামাটির সংসদ সদস্য ঊষাতন তালুকদার, সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য ফিরোজা বেগম চিনু, সাবেক পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী দীপঙ্কর তালুকদার,পকল্প পরিচালক মো:ইয়াছিন। এছাড়া পাড়াকেন্দ্রের কর্মীরা ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেন। অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা, জেলা প্রশাসক মো. মানজারুল মান্নান, পুলিশ সুপার সাঈদ তারিকুল হাসান কাপ্তাই উপজেলা চেয়ারম্যান দিলদার হোসেনসহ স্থানীয় হেডম্যান ,কার্বারী ,জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি, প্রশাসনিক ও পাড়াকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বৃষকেতু চাকমা, জেলা প্রশাসক মানজারুল মান্নান.পুলিশ সুপার কাপ্তাই উপজেলা চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন। প্রধানমন্ত্রীর সাথে ভিডিও কনফারেন্স সরাসরি কথা বলেন,৪০০০তম পাড়া কেন্দ্রের শিক্ষার্থী ছোট শিশু অইমিনু মার্মা,অভিভাবক রোজিনা বেগম ও স্থানীয় মেম্বার এবং হেডম্যান থোয়াই অং মার্মা প্রমুখ। বক্তরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে কর্ণফুলী পেপার মিল উৎপাদন বৃদ্ধি, বাঙ্গালী হালিয়া কলেজ সরকারী করণ, দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তর কৃত্রিম কাপ্তাই হ্রদ ড্রেজিং শান্তি চুক্তি মৌলিক বিষয়ে দ্রুত বাস্তবায়নসহ ৪হাজার পাড়া কেন্দ্রের শিক্ষকদের স্থায়ী করণের দাবী জানান ।
জাতরি পতিা বঙ্গবন্ধু শখে মুজবিুর রহমান র্পাবত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে যোগাযোগ, শক্ষিা এবং র্অথনতৈকি পশ্চাৎপদতা বষিয়টি গভীরভাবে অনুধাবন করছেলিনে। ১৯৭২ খ্রস্টিাব্দরে ২৯ জানুয়ারি উপজাতীয় নতো চারু বকিাশ চাকমার নতেৃত্বে সাত সদস্যরে একটি প্রতনিধিি দল বঙ্গবন্ধু শখে মুজবিুর রহমান এর সঙ্গে সাক্ষাত করলে তনিি উপজাতীয়দরে ঐতহ্যি, কৃষ্টি ও ভূমি অধকিার সংরক্ষণে প্রতশ্রিুতি প্রদান করনে। ১৯৭৩ খ্রস্টিাব্দরে জুন মাসে রাঙ্গামাটি সফরকালে বঙ্গবন্ধু উপজাতীয় ছাত্রছাত্রীদরে জন্য বভিন্নি কলজে, বশ্বিবদ্যিালয় এবং বশিষেভাবে কারগিরী শক্ষিা প্রতষ্ঠিানসমূহে কছিু আসন সংরক্ষণরে জন্য নর্দিশে দনে। র্পাবত্য চট্টগ্রাম এলাকার সুষম উন্নয়নরে লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে তৎকালীন ভূমি সংস্কার, বন, মৎস্য ও পশুপালন মন্ত্রী জনাব আবদুর রব সরেনয়িাবাত ১৯৭৩ খ্রস্টিাব্দরে ৩১ জুলাই রাঙ্গামাটি র্সাকটি হাউজে এক সুধী সমাবশেে একটি পৃথক উন্নয়ন র্বোড গঠণরে ঘোষণা দনে। ১৯৭৫ খ্রস্টিাব্দরে ১২ ফব্রেুয়ারি রাঙ্গামাটতিে এক জনসভায় বঙ্গবন্ধু র্পাবত্য চট্টগ্রামরে র্সাবকি উন্নয়নে একটি সামগ্রকি পরকিল্পনা গ্রহণরে ঘোষণা দনে। এরই ধারাবাহতিকায় ১৯৭৬ খ্রস্টিাব্দরে ১৪ জানুয়ারি আনুষ্ঠানকিভাবে র্পাবত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন র্বোডরে যাত্রা শুরু হয়।

আরও পড়ুন.......

শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন
  • 30
    Shares