সংবাদ শিরোনাম
Home / আইন-আদালত / ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ

ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ

ক্রাইম প্রতিদিন, ঢাকা : সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল না করার মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে গ্রেপ্তার করার জন্য পরোয়ানা দিয়েছেন আদালত।
আজ সোমবার ঢাকার ৬ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েস এ আদেশ দেন।
রফিকুল ইসলামের আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া জানান, আজ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। এ দিন মামলার চার সাক্ষী দুদকের পরিচালক অবসরপ্রাপ্ত আবু তোরাব, দুদক পরিচালক শিরীন পারভীন, উপ-পরিচালক গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী, অবসরপ্রাপ্ত দুদক কর্মকর্তা সৈয়দ লিয়াকত হোসেন সাক্ষ্য দেন।
সানাউল্লা মিয়া জানান, সাক্ষ্যগ্রহণের দিনে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া আদালতে অসুস্থতার কারণে হাজির হতে না পারায় সময়ের আবেদন করেন আইনজীবী। সে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক সময়ের আবেদন নাকচ করেন এবং জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
নথি থেকে জানা যায়, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত সম্পদ অর্জন সংক্রান্ত অভিযোগ পায় তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরো। ২০০১ সালের ৭ এপ্রিল দুর্নীতি দমন ব্যুরো ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার নামে এবং তাঁর ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিবর্গের স্বনামে/বেনামে অর্জিত যাবতীয় স্থাবর/অস্থাবর সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল করতে নোটিশ জারি করে। ওই বছরের ১০ জুনের মধ্যে বিবরণী দাখিল করতে বলা হলেও তিনি তা করেননি।

পরবর্তী সময়ে ২০১৪ সালের ১৫ জানুয়ারি দুদক কর্মকর্তা সৈয়দ লিয়াকত হোসেন উত্তরা থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর ওই বছরের ৩০ নভেম্বর ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক। ঢাকা: সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল না করার মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে গ্রেপ্তার করার জন্য পরোয়ানা দিয়েছেন আদালত।
আজ সোমবার ঢাকার ৬ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েস এ আদেশ দেন।
রফিকুল ইসলামের আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া জানান, আজ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। এ দিন মামলার চার সাক্ষী দুদকের পরিচালক অবসরপ্রাপ্ত আবু তোরাব, দুদক পরিচালক শিরীন পারভীন, উপ-পরিচালক গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী, অবসরপ্রাপ্ত দুদক কর্মকর্তা সৈয়দ লিয়াকত হোসেন সাক্ষ্য দেন।
সানাউল্লা মিয়া জানান, সাক্ষ্যগ্রহণের দিনে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া আদালতে অসুস্থতার কারণে হাজির হতে না পারায় সময়ের আবেদন করেন আইনজীবী। সে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক সময়ের আবেদন নাকচ করেন এবং জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
নথি থেকে জানা যায়, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত সম্পদ অর্জন সংক্রান্ত অভিযোগ পায় তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরো। ২০০১ সালের ৭ এপ্রিল দুর্নীতি দমন ব্যুরো ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার নামে এবং তাঁর ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিবর্গের স্বনামে/বেনামে অর্জিত যাবতীয় স্থাবর/অস্থাবর সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল করতে নোটিশ জারি করে। ওই বছরের ১০ জুনের মধ্যে বিবরণী দাখিল করতে বলা হলেও তিনি তা করেননি।

পরবর্তী সময়ে ২০১৪ সালের ১৫ জানুয়ারি দুদক কর্মকর্তা সৈয়দ লিয়াকত হোসেন উত্তরা থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর ওই বছরের ৩০ নভেম্বর ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক।

আরও পড়ুন.......

শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন
  • 33
    Shares