শিরোনাম

সবাই সজাগ থাকলে সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গোৎসব পালন করা সম্ভব : ধর্মমন্ত্রী

ক্রাইম প্রতিদিন, শফিউর রহমান সেলিম, ময়মনসিংহ : যার যার ধর্ম সে সে পালন করবে। এতে বাধা দেওয়ার কিছু নেই। সবাই সজাগ থাকলে সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গোৎসব পালন করা সম্ভব। সকলে মিলেমিশে খেয়াল রাখলে ময়মনসিংহে কেউ বিশৃংখলা করার সাহস পর্যন্ত দেখাতে পারবেনা। সারদীয় দুর্গোৎসবকে সামনে রেখে আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পুজা অর্চনা সম্পন্ন করতে ময়মনসিংহ বিভাগের পুজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ধর্মমন্ত্রী আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মতিউর রহমান এ সব কথা বলেন।

রবিবার বিকালে রেঞ্জ ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি নিবাস চন্দ্র মাঝির সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার মাহমুদ হাসান বলেন, বাংলাদেশ যেন একটি সম্প্রীতির দেশ হয় এবং ময়মনসিংহ যেন এর একটি উজ্জল দৃষ্টান্ত রাখে সেইদিকে সকলকে খেয়াল রাখতে হবে।

এ সময় অতিরিক্ত রেঞ্জ ডিআইজি ডঃ আক্কাস উদ্দিন ভুইয়া, ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন, শেরপুরের পুলিশ সুপার আশরাফুল আজীম, নেত্রকোণার পুলিশ সুপার জয়দেব চৌধুরী, জামালপুরের পুলিশ সুপার দেলোয়ার হোসেন, রেঞ্জ অফিসের পুলিশ
সুপার সৈয়দ হারুন অর রশিদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পী, একেএম মনিরুল ইসলাম, রওনক জাহান, ময়মনসিংহ পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি এডভোকেট রাখাল চন্দ্র সরকার, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সৌমেন্দ্র কিশোর চৌধুরী, মহানগর পুজা উদযাপন
পরিষদের সভাপতি এডভোকেট তপন দে, শেরপুর পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি এড সুব্রত দে ভানু, সাধারণ সম্পাদক চন্দন কুমার সাহা, জামালপুরের সভাপতি সুমন দাস, সাধারণ সম্পাদক সিদ্ধার্থ সংকর দাস, নেত্রকোণার সভাপতি মঙ্গল সাহা রায়, উপদেষ্ঠা নির্মল কুমার দাস, ময়মনসিংহ নারী শক্তি পুজা কমিটির সভাপতি সুক্লা দাস, সাধারণ সম্পাদক সূচী সেন গুপ্তা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে
এনএসআইয়ের যুগ্ন পরিচালক, ডিজিএফআইয়ের প্রতিনিধি, র‌্যাব প্রতিনিধি, আনসার ভিডিপি প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সভার সভাপতি ডিআইজি নিবাস চন্দ্র মাঝি বলেন, ময়মনসিংহ বিভাগে এ বছর এক হাজার ৫৯৮টি মন্ডপে দুর্গা পুর্জা অনুষ্ঠিত হবে। যা গত বছরের চেয়ে ৭৭টি বেশী।

এর মধ্যে ময়মনসিংহ জেলায় ৭৫৭, নেত্রকোণা ৪৮৬, জামালপুর ২১২ ও শেরপুরে ১৪৩টি পুজা মন্ডপে পুজা অনুষ্ঠিত হবে। অন্যান্য বছরের চেয়ে এ বছর দুর্গোৎসবকালে অধিক সচেতন হতে হবে। কারণ সামনেই জাতীয় নির্বাচন। নির্বাচনকে সামনে রেখে যে কেউ দেশকে অশ্লীতিশীল ও নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পরিকল্পিতভাবে নাশকতা করতে পারে। যারা দেশকে বিশৃংখল করতে নানাভাবে চেষ্ঠা করছে তারাই এ সবরে
নেতৃত্বে দিতে পারে।

প্রতিমা তেরী থেকে শুরু করে পুর্জাকালীন এবং বিসর্জন পর্যন্ত সার্বিকভাবে খেয়াল রাখতে হবে যাতে কেউ অপ্রীতিকর কিছু করতে না পারে। প্রতিটি পুজা মন্ডপে পুলিশের পাশপাশি পুজা আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে, সিসি ক্যামেরা, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র এবং সম্ভব হলে হ্যান্ড ম্যাটাল রাখার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করে ডিআইজি জেলা পুজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের প্রতি আহবান জানান। এছাড়া পুলিশ সুপারদেরকে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত, তদারকি ও সার্বক্ষনিক যোগযোগ রাকার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন ডিআইজি নিবাস চন্দ্র মাঝি।

শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন
  • 8
    Shares
x

Check Also

চার মন্ত্রী দায়িত্বে বহাল : সংবিধান লঙ্ঘন

ক্রাইম প্রতিদিন, ডেস্ক : গত ৬ নভেম্বর, চার ...