স্বামীর লিঙ্গ কেটে থানায় আত্নসমর্পণ করলেন হাসিনা

ক্রাইম প্রতিদিন : স্বামী সাইফুল ইসলামের পরকীয়া প্রেম ও নির্যাাতন সহ্য করতে না পেরে ২০১৩ সালে মামলা করে হাসিনা বেগম। ২০১৪ সালে তৎকালীন স্বামী সাইফুল ইসলামের সাথে ছাড়াছড়ি হয়ে যায় হাসিনা বেগমের। সাইফুল ২০১৪ সালেই আরেক নারীকে বিয়ে করে। সেই সংসারে সন্তানও হয় সাইফুলের। কিন্তু, হাসিনা বেগমকে নির্যাতন বন্ধ করেনি। নিয়োমিত হাসিনা বেগমের বাসায় আসত সাইফুল। বাসা পরিবর্তন করলেও সাইফুল থেকে মুক্তি পেত না। ঠিকই খুজে বের করে হাসিনার বাসায় এসে তার ইচ্ছের বিরুদ্ধে শারিরীক সম্পর্ক করতে বাধ্য করত। রাজী না হলে অনলাইনে তাদের শারিরীক মিলনের ভিডিও প্রকাশের হুমকী প্রদান করে যেত। শুধু হাসিনা বেগমকেই নয়, বরং আরো নারীকে এমনভাবে ব্ল্যাকমেইল করত সাইফুল। সাইফুলের হাত থেকে বাচতে এই মাসেই বাসা পরিবর্তন করে হাসিনা বেগম। কিন্তু, সাইফুল ঠিক খুজে খুজে এই বাসায়ও উপস্থিত হয়। এবার ধৈর্য্যের বাধ ভেঙ্গে যায় হাসিনা বেগমের। তিনি কৌশলে সাইফুল ইসলামকে ঘুমের ট্যাবলেট খাইয়ে তার পুরুঙ্গ কেটে দেন।

এরপর বাসায় কাউকে না জানিয়ে থানায় গিয়ে বলেন, তিনি কি করেছেন। এদিকে বাড়ীর মালিক মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১ টার দিকে শব্দ পেয়ে উপস্থিত হয়ে রক্তাক্ত লিঙ্গ কাটা অবস্থায় সাইফুলকে দেখে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে উদ্ধার করে সাইফুল ইসলামকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হসপিটালে নিয়ে যান।

ডাক্তার জানান, সাইফুলের রক্তক্ষরণ হয়েছে। রক্ত দিতে হবে। তবে পুরুঙ্গ পুনরায় কর্মক্ষম হয়ে যাবে।

এই বিষয়ে পল্লবী থানার এসআই ফারুক জানান,ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে দ্রুত ভিকটিমকে হসপিটালে নিয়ে যাই। বুধবার সকালে তার আত্নীয় উপস্থিত হয়ে হসপিটালে তাকে তার আত্নীয়ের জিন্মায় রেখে আসা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, আসামী হাসিনা বেগম নিজেই থানায় উপস্থিত হয়েছেন। তিনি মূলতঃ ভিকটিমের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে এমন করেছেন বলে জানিয়েছেন। বিষয়টি বিস্তারিত তদন্ত চলমান রয়েছে।

শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন
  • 183
    Shares