নোয়াখালীতে জমিতে ইঁদুর মারার ফাঁদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে খামারির মৃত্যু
- আপডেট সময় ০৯:২৫:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
- / ২৫০৮ বার পড়া হয়েছে
নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় জমিতে ইদুর মারার জন্য দেওয়া বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার সকাল ১১টায় উপজেলার দক্ষিণ গোরকাটা গ্রাম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছেন সেনবাগ থানার ওসি হযরত আলী মিলন।
নিহত শেখ খাজা মাইনুদ্দিন (৫০) ওই গ্রামের প্রয়াত শেখ শফিকের ছেলে। চার সন্তানের জনক মাইনুদ্দিন মুরগি ও মাছের খামারী ছিলেন।
স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, মাইনুদ্দিন বৃহস্পতিবার বিকালে গরুর জন্য ঘাস কাটতে বের হন। এরপর তিনি বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা তাকে খোজাঁখুজি করছিলেন।
পরে শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় এক নারী বাড়ির পাশে জমিতে শাক তুলতে গিয়ে বৈদ্যুতিক তারে জড়ানো অবস্থায় মাইনুদ্দিনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন।
স্থানীয়রা জানান, জমিটির মালিক পাশের বাতাকান্দি গ্রামের নজির আহম্মদ মাস্টারের ছেলে জাকির হোসেন (৩৫)। তিনি জমির আমন ধান ইদুরের কবল থেকে রক্ষার জন্য চারপাশে বৈদ্যুতিক তার দিয়ে রেখেছিলেন।
ধারণা করা হচ্ছে, সন্ধ্যার দিকে ঘাস নিয়ে বাড়ি ফেরার সময় সেই তারে জড়িয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন মাইনুদ্দিন।
খবর পেয়ে সেনবাগ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. এরফানুল হক চৌধুরী, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এনামুল হক ও ওসি হযরত আলী মিলন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
সেনবাগ থানার ওসি হযরত আলী মিলন বলেন, মরদেহ উদ্ধারের পর জমির মালিক জাকির হোসেনকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি। তার ঘরটি তালাবদ্ধ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সেনবাগ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. এরফানুল হক চৌধুরী বলেন, এটি একটি দুঃখজনক ঘটনা। জমিতে এভাবে বৈদ্যুতিক তার দেওয়ার আইনগত দিক দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মরদেহ দাফনের জন্য নিহতের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকার সহায়তা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
প্রিন্ট









