ঢাকা ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশে আসবে ইউরেনিয়ামের চালান Logo আজ থেকে শুরু হামের বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন, পাবে ৩৪ লাখ শিশু Logo জাতিসংঘে খলিলুর রহমানের কার্যালয়ের আইন কর্মকর্তা হলেন জাইমা রহমান Logo যখন যে সরকারে থাকে, আইসাই বলে আইনশৃঙ্খলা আগের চেয়ে ভালো: জামায়াত আমির Logo জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ : প্রধানমন্ত্রীর এক বিরল ইতিহাস Logo বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি নতুন বিমান কেনার চুক্তি করেছে : মাহদী আমিন Logo অর্থনীতি-বাণিজ্যে সহযোগিতা বাড়াতে তারেক রহমান ও এরদোয়ানের বৈঠক Logo জাতিসংঘের ভাষণে ট্রাম্পে : ইরানকে ‘নিশ্চিহ্ন’ করার হুমকি Logo বিশ্বমঞ্চে প্রথম ভাষণ দিতে নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী Logo অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের রহস্য অনেকটাই উন্মোচিত বলে দাবি করেছে পুলিশ : দুপুরে সংবাদ সম্মেলন

২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ২৩২

ক্রাইম প্রতিদিন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:০৬:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
  • / ২৬৩০ বার পড়া হয়েছে

সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২৩২ শিশু। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে নতুন করে ৮৩ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে আরও ১ হাজার ১৪৯ শিশু।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৫৫ শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৯৪৬ শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ২৪ আগস্ট পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার ৬৫২ জনে। এর মধ্যে পরীক্ষার মাধ্যমে ১৮ হাজার ৪৮৭ জনের শরীরে হাম নিশ্চিতভাবে শনাক্ত হয়েছে।

এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ লাখ ৩১ হাজার ৬৬৪ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে ১ লাখ ২৬ হাজার ৯২১ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হালনাগাদ তথ্য বলছে, দেশে হাম পরিস্থিতি এখনো উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত ও হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সংখ্যা জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতির ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা শিশুদের হামের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া, আক্রান্ত শিশুকে অন্য শিশুদের থেকে আলাদা রাখা এবং টিকাদান কর্মসূচির আওতায় থাকা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে থাকেন।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ২৩২

আপডেট সময় ০৬:০৬:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২৩২ শিশু। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে নতুন করে ৮৩ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে আরও ১ হাজার ১৪৯ শিশু।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৫৫ শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৯৪৬ শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ২৪ আগস্ট পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার ৬৫২ জনে। এর মধ্যে পরীক্ষার মাধ্যমে ১৮ হাজার ৪৮৭ জনের শরীরে হাম নিশ্চিতভাবে শনাক্ত হয়েছে।

এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ লাখ ৩১ হাজার ৬৬৪ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে ১ লাখ ২৬ হাজার ৯২১ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হালনাগাদ তথ্য বলছে, দেশে হাম পরিস্থিতি এখনো উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত ও হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সংখ্যা জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতির ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা শিশুদের হামের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া, আক্রান্ত শিশুকে অন্য শিশুদের থেকে আলাদা রাখা এবং টিকাদান কর্মসূচির আওতায় থাকা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে থাকেন।


প্রিন্ট