ঢাকা ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo অর্থনীতি-বাণিজ্যে সহযোগিতা বাড়াতে তারেক রহমান ও এরদোয়ানের বৈঠক Logo জাতিসংঘের ভাষণে ট্রাম্পে : ইরানকে ‘নিশ্চিহ্ন’ করার হুমকি Logo বিশ্বমঞ্চে প্রথম ভাষণ দিতে নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী Logo অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের রহস্য অনেকটাই উন্মোচিত বলে দাবি করেছে পুলিশ : দুপুরে সংবাদ সম্মেলন Logo হতাশ হয়ে মাথা গরম না করে জনগণের দাবি মেনে নেওয়া উচিত : জামায়াত আমির Logo ২৪ ঘণ্টায় ইয়েমেনে সৌদির ২৬ বিমান অভিযান, দাবি হুথিদের Logo একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ, ক্লাস শুরু ২৪ সেপ্টেম্বর Logo জাতিসংঘ অধিবেশনে যেতে মাহমুদ আব্বাসকে ভিসা দেয়নি ওয়াশিংটন Logo সংগীতশিল্পী সালমার বাবা ফজলুল হক আর নেই Logo জানুয়ারি থেকে জুলাই : সাত মাসে ৬৪১ নারী ও শিশু ধর্ষণের শিকার

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের তথ্য ডিজিটালাইজেশন কেন করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

ক্রাইম প্রতিদিন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:১৫:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬
  • / ২৬৮১ বার পড়া হয়েছে

শুনানি শেষে সাংবাদিকদের সাথে কথা কলছেন ব্যারিস্টার ফাহমিদা আখতার : ছবি: সংগৃহীত

ফৌজদারি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের তথ্য ডিজিটালাইজেশন কেন করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

রোববার (৯ আগস্ট) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার ফাহমিদা আখতার।

স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

শুনানি শেষে ব্যারিস্টার ফাহমিদা আখতার সাংবাদিকদের বলেন, যেহেতু আমাদের দেশে অপরাধের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে, সেক্ষেত্রে একটি অনলাইন ডাটাবেজ যদি ক্রিয়েট করা যায়, যাতে করে দণ্ডিত আসামিদের রেকর্ডগুলো পাবলিকলি অ্যাভেইলেবল থাকবে। এরকম ডাটাবেজ যদি ইমপ্লিমেন্ট করা যায়, তাহলে আমি মনে করি এটা দুটো পারপাস সার্ভ করবে।

প্রথমত, দণ্ডিত আসামিদের রেকর্ডগুলো যেহেতু পাবলিকলি অ্যাভেইলেবল থাকবে, এ ইনফরমেশনটা আর কনফিডেনশিয়াল থাকবে না। যার কারণে সামাজিক ক্রিটিসিজমের ভয়ে, অস্ট্রাসিজমের ভয়ে, সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার ভয়ে অপরাধী বারবার চিন্তা করবে এবং অপরাধের সংখ্যাটাও কমবে।

দ্বিতীয়ত, আমাদের দেশে অনেকগুলো আইন রয়েছে, অপরাধ সংঘটন হওয়ার পর কঠিন শাস্তি রয়েছে, অপরাধ সংঘটন হওয়ার পর কোন আইনে মামলা করতে হবে—এরকম অনেকগুলো বিষয় রয়েছে, কিন্তু প্রিভেন্টিভ কোনো মেজার নেই। আমাদের এখনও ওই অবকাঠামো নেই। আমরা যদি কাউকে এমপ্লয় করতে চাই, কাউকে যদি ঘরে রাখতে চাই, তাহলে তার ব্যাপারে, তার ব্যাকগ্রাউন্ডের ব্যাপারে জানার কোনো ভেরিফিকেশন প্রসেস আমাদের নেই।

তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি, যদি এরকম অনলাইন ডাটাবেজ ইমপ্লিমেন্ট করা হয়, তাহলে সিটিজেনদের কন্সটিটিউশনাল যে রাইটস রয়েছে, সেগুলো আপহেল্ড হবে।

ফাহমিদা আখতার বলেন, এ বিষয়ে ব্যক্তিগতভাবে আমি মহামান্য হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করেছিলাম। আজকে সেটির শুনানি শেষে হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন, এরকম কোনো নির্দেশনা দেওয়া হবে না, যাতে করে একটি পাবলিকলি অ্যাক্সেসিবল অনলাইন ডাটাবেজ ক্রিয়েট করা হয়, যার মধ্যে দণ্ডিত আসামিদের রেকর্ড অ্যাভেইলেবল থাকবে।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের তথ্য ডিজিটালাইজেশন কেন করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

আপডেট সময় ০২:১৫:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

ফৌজদারি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের তথ্য ডিজিটালাইজেশন কেন করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

রোববার (৯ আগস্ট) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার ফাহমিদা আখতার।

স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

শুনানি শেষে ব্যারিস্টার ফাহমিদা আখতার সাংবাদিকদের বলেন, যেহেতু আমাদের দেশে অপরাধের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে, সেক্ষেত্রে একটি অনলাইন ডাটাবেজ যদি ক্রিয়েট করা যায়, যাতে করে দণ্ডিত আসামিদের রেকর্ডগুলো পাবলিকলি অ্যাভেইলেবল থাকবে। এরকম ডাটাবেজ যদি ইমপ্লিমেন্ট করা যায়, তাহলে আমি মনে করি এটা দুটো পারপাস সার্ভ করবে।

প্রথমত, দণ্ডিত আসামিদের রেকর্ডগুলো যেহেতু পাবলিকলি অ্যাভেইলেবল থাকবে, এ ইনফরমেশনটা আর কনফিডেনশিয়াল থাকবে না। যার কারণে সামাজিক ক্রিটিসিজমের ভয়ে, অস্ট্রাসিজমের ভয়ে, সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার ভয়ে অপরাধী বারবার চিন্তা করবে এবং অপরাধের সংখ্যাটাও কমবে।

দ্বিতীয়ত, আমাদের দেশে অনেকগুলো আইন রয়েছে, অপরাধ সংঘটন হওয়ার পর কঠিন শাস্তি রয়েছে, অপরাধ সংঘটন হওয়ার পর কোন আইনে মামলা করতে হবে—এরকম অনেকগুলো বিষয় রয়েছে, কিন্তু প্রিভেন্টিভ কোনো মেজার নেই। আমাদের এখনও ওই অবকাঠামো নেই। আমরা যদি কাউকে এমপ্লয় করতে চাই, কাউকে যদি ঘরে রাখতে চাই, তাহলে তার ব্যাপারে, তার ব্যাকগ্রাউন্ডের ব্যাপারে জানার কোনো ভেরিফিকেশন প্রসেস আমাদের নেই।

তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি, যদি এরকম অনলাইন ডাটাবেজ ইমপ্লিমেন্ট করা হয়, তাহলে সিটিজেনদের কন্সটিটিউশনাল যে রাইটস রয়েছে, সেগুলো আপহেল্ড হবে।

ফাহমিদা আখতার বলেন, এ বিষয়ে ব্যক্তিগতভাবে আমি মহামান্য হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করেছিলাম। আজকে সেটির শুনানি শেষে হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন, এরকম কোনো নির্দেশনা দেওয়া হবে না, যাতে করে একটি পাবলিকলি অ্যাক্সেসিবল অনলাইন ডাটাবেজ ক্রিয়েট করা হয়, যার মধ্যে দণ্ডিত আসামিদের রেকর্ড অ্যাভেইলেবল থাকবে।


প্রিন্ট