ঢাকা ০২:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo ম্যাচ চলাকালীন মাঠে বজ্রাঘাতে এক ফুটবলারের মৃত্যু : আহত ১২ জন Logo ৫ আগস্ট জাতীয় ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় দিন : নাহিদ ইসলাম Logo নওগাঁর বদলগাছীতে শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টায় জামায়াতের আমির শফিউল হাসান দিপুর বিরুদ্ধে অভিযোগ Logo বাংলাদেশে বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ এবং আরও দক্ষ কর্মী নিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে সৌদি আরব : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী Logo আজ ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস Logo বুধবার সারাদেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হবে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ Logo চব্বিশের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে ৬ মামলার রায় ঘোষণা : ১৬ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ১১ জনকে যাবজ্জীবন Logo আগামীকাল জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী Logo জটিল চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরছেন প্রখ্যাত চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে বই পড়া কর্মসূচি শুরু

ক্রাইম প্রতিদিন ডেস্ক:
  • আপডেট সময় ০২:৪৯:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৮৯০ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলায় উৎসবমুখর পরিবেশে বই পড়া কর্মসূচি শুরু হয়েছে

শিক্ষার্থীদের মাঝে পাঠ্যাভ্যাস বৃদ্ধি এবং মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন আলোকিত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় উৎসবমুখর পরিবেশে ‘বই পড়া কর্মসূচি-২০২৬’ শুরু হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে বই পড়ার উপকারিতা ও স্বপ্ন পূরণের নানান দিক নিয়ে আলোচনা করে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ।

প্রধানমন্ত্রীর ‘বই পড়ি, দেশ গড়ি’ নির্দেশনার আলোকে জেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং বই পড়ুয়াদের সংগঠন ‘অ আ ক খ’ এর সহযোগিতায় এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ শিক্ষার্থীদের নতুন স্বপ্ন দেখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি সাহিত্য, ইতিহাস ও বিজ্ঞান বিষয়ক বই পড়া শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ, সৃজনশীলতা ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে বড় ভূমিকা রাখে।

অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. আবু তালেব কর্মসূচির বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরেন।

এছাড়াও ‘অ আ ক খ’ সংগঠনের প্রতিনিধি শেখ ফাতিমা পাপিয়া সাহিত্যের মাধ্যমে সৌহার্দ্য ও মানবিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করার বিষয়ে আলোচনা করেন।

 

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জেলার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নিয়ে তিনটি বিভাগে (ক, খ ও গ) এই প্রতিযোগিতা পরিচালিত হবে। বাংলা সাহিত্য, মুক্তিযুদ্ধ, ইতিহাস, বিজ্ঞান ও জীবনীমূলক গ্রন্থ পাঠ শেষে মোট ৫০ নম্বরের (লিখিত ২০, মৌখিক ১০ এবং বই উপস্থাপনা ও বিশ্লেষণ ২০) মূল্যায়নের মাধ্যমে উপজেলা পর্যায় থেকে সেরা ১৫ জন শিক্ষার্থীকে জেলা পর্যায়ের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার জন্য মনোনীত করা হবে।

বিভাগভিত্তিক চ্যাম্পিয়ন, প্রথম ও দ্বিতীয় রানার-আপদের জন্য আকর্ষণীয় পুরস্কারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এছাড়াও জেলা পর্যায়ের সব অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীকে সনদপত্র দেওয়া হবে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের অধীনে ৭টি বিশেষ উপ-কমিটি পুরো কার্যক্রম পরিচালনা করবে।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে বই পড়া কর্মসূচি শুরু

আপডেট সময় ০২:৪৯:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

শিক্ষার্থীদের মাঝে পাঠ্যাভ্যাস বৃদ্ধি এবং মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন আলোকিত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় উৎসবমুখর পরিবেশে ‘বই পড়া কর্মসূচি-২০২৬’ শুরু হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে বই পড়ার উপকারিতা ও স্বপ্ন পূরণের নানান দিক নিয়ে আলোচনা করে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ।

প্রধানমন্ত্রীর ‘বই পড়ি, দেশ গড়ি’ নির্দেশনার আলোকে জেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং বই পড়ুয়াদের সংগঠন ‘অ আ ক খ’ এর সহযোগিতায় এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ শিক্ষার্থীদের নতুন স্বপ্ন দেখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি সাহিত্য, ইতিহাস ও বিজ্ঞান বিষয়ক বই পড়া শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ, সৃজনশীলতা ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে বড় ভূমিকা রাখে।

অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. আবু তালেব কর্মসূচির বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরেন।

এছাড়াও ‘অ আ ক খ’ সংগঠনের প্রতিনিধি শেখ ফাতিমা পাপিয়া সাহিত্যের মাধ্যমে সৌহার্দ্য ও মানবিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করার বিষয়ে আলোচনা করেন।

 

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জেলার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নিয়ে তিনটি বিভাগে (ক, খ ও গ) এই প্রতিযোগিতা পরিচালিত হবে। বাংলা সাহিত্য, মুক্তিযুদ্ধ, ইতিহাস, বিজ্ঞান ও জীবনীমূলক গ্রন্থ পাঠ শেষে মোট ৫০ নম্বরের (লিখিত ২০, মৌখিক ১০ এবং বই উপস্থাপনা ও বিশ্লেষণ ২০) মূল্যায়নের মাধ্যমে উপজেলা পর্যায় থেকে সেরা ১৫ জন শিক্ষার্থীকে জেলা পর্যায়ের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার জন্য মনোনীত করা হবে।

বিভাগভিত্তিক চ্যাম্পিয়ন, প্রথম ও দ্বিতীয় রানার-আপদের জন্য আকর্ষণীয় পুরস্কারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এছাড়াও জেলা পর্যায়ের সব অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীকে সনদপত্র দেওয়া হবে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের অধীনে ৭টি বিশেষ উপ-কমিটি পুরো কার্যক্রম পরিচালনা করবে।


প্রিন্ট