ঢাকা ০৫:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo আগামী মাসেই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হবে : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী Logo সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের ১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মতবিনিময় সভা Logo রাজধানী ঢাকায় মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত Logo আজ আবার ৫ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া Logo ২০২৭ সালের পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ Logo অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের টাইগারদের ঐতিহাসিক জয় Logo গ্যাস সংকট : আগামী ১৯ আগস্টের মধ্যে পূর্ণ সক্ষমতায় গ্যাস সরবরাহ সম্ভব হবে Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বাছাই আজ Logo সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’তে মিসরও যোগ দিতে পারে : হাকান ফিদান Logo সড়কপথে কিশোরগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ১৮৪ দেশ ভ্রমণের রেকর্ড গড়েছেন নাজমুন নাহার

ক্রাইম প্রতিদিন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৩১:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬
  • / ২৫১১ বার পড়া হয়েছে

নাজমুন নাহার

একজন নারী হিসেবে কেবল নয় গর্বিত একজন বাংলাদেশি হিসেবে প্রথমবারের মত ইতিহাস গড়েছেন তিনি। প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ১৮৪ দেশ ভ্রমণের ঐতিহাসিক রেকর্ড গড়েছেন বিশ্ব এই পরিব্রাজক। শুধু তাই নয় লাল সবুজের পতাকা হাতে বিশ্বের প্রথম মুসলিম নারী হিসেবে এই দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন তিনি। বলছি সাহসী মানুষ বাংলাদেশের সোনার সন্তান নাজমুন নাহারের কথা।

২০০০ সালে ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল অ্যাডভেঞ্চার প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রথম বিশ্ব ভ্রমণ শুরু হয় নাজমুন নাহারের। পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশ তিনি ভ্রমণ করেছেন সড়কপথে। তিনি একজন সলো ট্রাভেলার। বিশ্ব ভ্রমণের সময় অসংখ্য বার বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছেন। তিনি ভ্রমণ করবেন বিশ্বের অবশিষ্ট দেশগুলো।

বিশ্বের অনেক জনপ্রিয় পত্রিকায় উঠে আসে নাজমুন নাহারের গৌরবময় বিশ্ব ভ্রমণের সংগ্রাম ও সাফল্যের অ্যাডভেঞ্চারের কথা।

নাজমুন এভাবে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকা তুলে ধরার পাশাপাশি – ‘নো ওয়ার ওনলি পিস; সেইভ দ্য প্লানেট, স্টপ চাইল্ড ম্যারেজ’ এই বার্তাগুলো তুলে ধরেছেন। এভাবেই তিনি বিশ্ব শান্তি ও ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছেন মানুষের মাঝে।

নাজমুন ২০১৮ সালের ১ জুন ১০০তম দেশ ভ্রমণের মাইলফলক সৃষ্টি করেন জাম্বিয়া ও জিম্বাবুয়ের সীমান্তের ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাতের উপর। ৬ অক্টোবর ২০২১ সালে ১৫০তম দেশ হিসেবে ‘সাওটোমে অ্যান্ড প্রিন্সিপ’ ভ্রমণের মাধ্যমে ঐতিহাসিক মাইলফলক সৃষ্টি করেন। এরপর ২০২৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ১৭৫ দেশ ভ্রমনের মাইলফলক, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ১৮৪ তম দেশ ভ্রমণের রেকর্ড গড়েন বাহামা দ্বীপপুঞ্জে।

২০০৬ সালে শিক্ষাবৃত্তি নিয়ে পাড়ি জমান সুইডেনে। সুইডেনের লুন্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চতর ডিগ্রি লাভ করেন নাজমুন। ২০১৫ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল ন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড এশিয়া বিষয়ে আরেকটি ডিগ্রী অর্জন করেন।

নাজমুন নাহার পেশায় একজন গবেষক, মোটিভেশনাল স্পিকার এবং বিভিন্ন অর্গানাইজেশনের গুডউইল অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজ করছেন। তিনি বিশ্ব ভ্রমণের মাঝে পৃথিবীব্যাপী শিশু ও তরুণদের সকল সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে বড় করে স্বপ্ন দেখার জন্য অনুপ্রাণিত করেন।

বাংলাদেশের লক্ষ্মীপুরে জন্ম নেয়া বাংলাদেশের কৃতি সন্তান নাজমুন। বিশ্ব ভ্রমণের জন্য তার জীবনের সবচেয়ে বড় উৎসাহদাতা হলেন বাবা, দাদা ও বই। মা’কে নিয়েও তিনি ভ্রমন করেছেন ১৪ টি দেশ।

লাল সবুজের পতাকা শুধু নয় যেন পুরোবাংলাদেশকেই বহন করছেন তিনি। অনন্য এই কীর্তির মাধ্যমে নাজমুন নাহারের বিশ্বভ্রমণের ইতিহাস, বাংলাদেশ বিশ্ববাপী এক অনন্য মর্যাদায় অধিষ্ঠিত হচ্ছে। বহু দুর্গম পথ পেরিয়ে, সংগ্রামে, কষ্টে, মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েও স্বপ্ন পূরণের শেষ প্রান্তে পৌঁছেছেন তিনি। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে উদাহরণ হয়ে থাকবেন বাংলাদেশের একজন সন্তান নাজমুন নাহার।

যুক্তরাষ্ট্রের পিস টর্চ বিয়ারার অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন নাজমুন নাহার। এছাড়াও তার অর্জনের ঝুলিতে যুক্ত হয়েছে ৬০ টির মতো পুরস্কার ও সম্মাননা। একাকী বিশ্ব ভ্রমণের সময় বিশ্ব শান্তির বার্তা বহন করায় ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে নাজমুন নাহারকে দেয়া হয়েছে ‘পিস টর্চ বিয়ারার অ্যাওয়ার্ড’। একজন বাংলাদেশী হিসেবে তাঁর এই অর্জন ছিল অনেক গর্বের। মিখাইল গর্ভাচেভ, নেলসন ম্যান্ডেলা, মাদার তেরেসা ও বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানসহ বিখ্যাত ব্যক্তিত্বরা এই সম্মাননার অধিকারী ছিলেন।

এছাড়াও নাজমুন নাহার বহু জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সম্মাননা অর্জন করেন। ক্যারিয়ারে তাঁর অর্জনগুলো মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- তিনি পিস রানার অ্যাওয়ার্ড (যুক্তরাষ্ট্র), স্পেশাল অ্যাওয়ার্ড (যুক্তরাজ্য), উইমেন এমপাওয়ারমেন্ট অ্যাওয়ার্ড (যুক্তরাজ্য), সাকসেস অ্যাওয়ার্ড (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়), উইমেন এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড (কলকাতা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়), রোটএশিয়া লেজেন্ডস অ্যাওয়ার্ড, বিদ্রোহী নারী সম্মাননা, মিস আর্থ কুইন অ্যাওয়ার্ড (যুক্তরাষ্ট্র), পাওয়ার উইমেন অ্যাওয়ার্ড (সাউথ সুদান), গেম চেঞ্জার অব বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড, মোস্ট ইনফ্লুয়েন্সিয়াল উইমেন অব বাংলাদেশ, গ্লোব অ্যাওয়ার্ড (যুক্তরাষ্ট্র), অতীশ দীপঙ্কর গোল্ড মেডেল সম্মাননা, জনটা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড, অনন্যা শীর্ষ দশ সম্মাননা, গ্লোবাল লেগেসি অ্যাওয়ার্ড, উইমেন্স আইকন অ্যাওয়ার্ড, প্রাইড অব বাংলাদেশ, তিন বাংলা সম্মাননা ও রেড ক্রিসেন্ট মোটিভেশনাল অ্যাওয়ার্ড, ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড, উইমেন ওয়ারিয়ার সম্মাননাসহ অসংখ্য সম্মাননা অর্জন করেন।


প্রিন্ট
ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ১৮৪ দেশ ভ্রমণের রেকর্ড গড়েছেন নাজমুন নাহার

আপডেট সময় ১১:৩১:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

একজন নারী হিসেবে কেবল নয় গর্বিত একজন বাংলাদেশি হিসেবে প্রথমবারের মত ইতিহাস গড়েছেন তিনি। প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ১৮৪ দেশ ভ্রমণের ঐতিহাসিক রেকর্ড গড়েছেন বিশ্ব এই পরিব্রাজক। শুধু তাই নয় লাল সবুজের পতাকা হাতে বিশ্বের প্রথম মুসলিম নারী হিসেবে এই দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন তিনি। বলছি সাহসী মানুষ বাংলাদেশের সোনার সন্তান নাজমুন নাহারের কথা।

২০০০ সালে ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল অ্যাডভেঞ্চার প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রথম বিশ্ব ভ্রমণ শুরু হয় নাজমুন নাহারের। পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশ তিনি ভ্রমণ করেছেন সড়কপথে। তিনি একজন সলো ট্রাভেলার। বিশ্ব ভ্রমণের সময় অসংখ্য বার বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছেন। তিনি ভ্রমণ করবেন বিশ্বের অবশিষ্ট দেশগুলো।

বিশ্বের অনেক জনপ্রিয় পত্রিকায় উঠে আসে নাজমুন নাহারের গৌরবময় বিশ্ব ভ্রমণের সংগ্রাম ও সাফল্যের অ্যাডভেঞ্চারের কথা।

নাজমুন এভাবে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকা তুলে ধরার পাশাপাশি – ‘নো ওয়ার ওনলি পিস; সেইভ দ্য প্লানেট, স্টপ চাইল্ড ম্যারেজ’ এই বার্তাগুলো তুলে ধরেছেন। এভাবেই তিনি বিশ্ব শান্তি ও ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছেন মানুষের মাঝে।

নাজমুন ২০১৮ সালের ১ জুন ১০০তম দেশ ভ্রমণের মাইলফলক সৃষ্টি করেন জাম্বিয়া ও জিম্বাবুয়ের সীমান্তের ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাতের উপর। ৬ অক্টোবর ২০২১ সালে ১৫০তম দেশ হিসেবে ‘সাওটোমে অ্যান্ড প্রিন্সিপ’ ভ্রমণের মাধ্যমে ঐতিহাসিক মাইলফলক সৃষ্টি করেন। এরপর ২০২৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ১৭৫ দেশ ভ্রমনের মাইলফলক, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ১৮৪ তম দেশ ভ্রমণের রেকর্ড গড়েন বাহামা দ্বীপপুঞ্জে।

২০০৬ সালে শিক্ষাবৃত্তি নিয়ে পাড়ি জমান সুইডেনে। সুইডেনের লুন্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চতর ডিগ্রি লাভ করেন নাজমুন। ২০১৫ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল ন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড এশিয়া বিষয়ে আরেকটি ডিগ্রী অর্জন করেন।

নাজমুন নাহার পেশায় একজন গবেষক, মোটিভেশনাল স্পিকার এবং বিভিন্ন অর্গানাইজেশনের গুডউইল অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজ করছেন। তিনি বিশ্ব ভ্রমণের মাঝে পৃথিবীব্যাপী শিশু ও তরুণদের সকল সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে বড় করে স্বপ্ন দেখার জন্য অনুপ্রাণিত করেন।

বাংলাদেশের লক্ষ্মীপুরে জন্ম নেয়া বাংলাদেশের কৃতি সন্তান নাজমুন। বিশ্ব ভ্রমণের জন্য তার জীবনের সবচেয়ে বড় উৎসাহদাতা হলেন বাবা, দাদা ও বই। মা’কে নিয়েও তিনি ভ্রমন করেছেন ১৪ টি দেশ।

লাল সবুজের পতাকা শুধু নয় যেন পুরোবাংলাদেশকেই বহন করছেন তিনি। অনন্য এই কীর্তির মাধ্যমে নাজমুন নাহারের বিশ্বভ্রমণের ইতিহাস, বাংলাদেশ বিশ্ববাপী এক অনন্য মর্যাদায় অধিষ্ঠিত হচ্ছে। বহু দুর্গম পথ পেরিয়ে, সংগ্রামে, কষ্টে, মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েও স্বপ্ন পূরণের শেষ প্রান্তে পৌঁছেছেন তিনি। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে উদাহরণ হয়ে থাকবেন বাংলাদেশের একজন সন্তান নাজমুন নাহার।

যুক্তরাষ্ট্রের পিস টর্চ বিয়ারার অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন নাজমুন নাহার। এছাড়াও তার অর্জনের ঝুলিতে যুক্ত হয়েছে ৬০ টির মতো পুরস্কার ও সম্মাননা। একাকী বিশ্ব ভ্রমণের সময় বিশ্ব শান্তির বার্তা বহন করায় ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে নাজমুন নাহারকে দেয়া হয়েছে ‘পিস টর্চ বিয়ারার অ্যাওয়ার্ড’। একজন বাংলাদেশী হিসেবে তাঁর এই অর্জন ছিল অনেক গর্বের। মিখাইল গর্ভাচেভ, নেলসন ম্যান্ডেলা, মাদার তেরেসা ও বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানসহ বিখ্যাত ব্যক্তিত্বরা এই সম্মাননার অধিকারী ছিলেন।

এছাড়াও নাজমুন নাহার বহু জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সম্মাননা অর্জন করেন। ক্যারিয়ারে তাঁর অর্জনগুলো মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- তিনি পিস রানার অ্যাওয়ার্ড (যুক্তরাষ্ট্র), স্পেশাল অ্যাওয়ার্ড (যুক্তরাজ্য), উইমেন এমপাওয়ারমেন্ট অ্যাওয়ার্ড (যুক্তরাজ্য), সাকসেস অ্যাওয়ার্ড (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়), উইমেন এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড (কলকাতা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়), রোটএশিয়া লেজেন্ডস অ্যাওয়ার্ড, বিদ্রোহী নারী সম্মাননা, মিস আর্থ কুইন অ্যাওয়ার্ড (যুক্তরাষ্ট্র), পাওয়ার উইমেন অ্যাওয়ার্ড (সাউথ সুদান), গেম চেঞ্জার অব বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড, মোস্ট ইনফ্লুয়েন্সিয়াল উইমেন অব বাংলাদেশ, গ্লোব অ্যাওয়ার্ড (যুক্তরাষ্ট্র), অতীশ দীপঙ্কর গোল্ড মেডেল সম্মাননা, জনটা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড, অনন্যা শীর্ষ দশ সম্মাননা, গ্লোবাল লেগেসি অ্যাওয়ার্ড, উইমেন্স আইকন অ্যাওয়ার্ড, প্রাইড অব বাংলাদেশ, তিন বাংলা সম্মাননা ও রেড ক্রিসেন্ট মোটিভেশনাল অ্যাওয়ার্ড, ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড, উইমেন ওয়ারিয়ার সম্মাননাসহ অসংখ্য সম্মাননা অর্জন করেন।


প্রিন্ট