নোয়াখালীতে ভোক্তা অধিকার অভিযানে ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
- আপডেট সময় ০৮:০১:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ২৫১১ বার পড়া হয়েছে
নোয়াখালী সদর উপজেলার সদর হাসপাতাল সড়ক এলাকায় বিশেষ তদারকি অভিযান পরিচালনা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযানে খাবার হোটেল, কনফেকশনারি ও ফার্মেসিতে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে তিন প্রতিষ্ঠানকে মোট ১৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার দুপুর ১২টা থেকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আছাদুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে হোটেলগুলোতে খাবারের মূল্য তালিকা, স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে খাবার প্রস্তুত ও পরিবেশন করা হচ্ছে কি না, কনফেকশনারিতে অনুমোদনহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি হচ্ছে কি না এবং ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ও অননুমোদিত ওষুধ বা পণ্য বিক্রি হচ্ছে কি না—এসব বিষয় তদারকি করা হয়।
অভিযানে দীর্ঘদিন জমিয়ে রাখা পোড়া তেল ব্যবহার করে খাবার প্রস্তুত, নিম্নমানের লবণ ব্যবহার এবং স্বাস্থ্যবিধি না মেনে খোলা অবস্থায় খাবার প্রদর্শনের অভিযোগে মেসার্স মতিন হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় পোড়া তেল জব্দ করে ধ্বংস করা হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে সতর্ক করা হয়।
এ ছাড়া অনুমোদনহীন ও লেবেলবিহীন প্রসাধনী বিক্রি এবং বিদেশি পণ্যে নিজেদের ইচ্ছামতো মূল্য ট্যাগ লাগানোর অভিযোগে মেসার্স ফুড পয়েন্ট নামের একটি কনফেকশনারিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে মূল্য ট্যাগ লাগানোর প্রাইজ ট্যাগ গান জব্দ করে ধ্বংস করা হয়।
অন্যদিকে, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ পৃথক স্থানে না রেখে বিক্রির উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করায় মেসার্স মিজান ফার্মেসিকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানে মোট তিন প্রতিষ্ঠানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি অন্যান্য ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানকে সতর্ক করা এবং ভোক্তা সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ করা হয়।
অভিযানে জেলা বিশেষ টাস্কফোর্সের সদস্যরা এবং এএসআই কামালের নেতৃত্বে সুধারাম থানার পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, জনস্বার্থে এ ধরনের তদারকি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।
প্রিন্ট





















