ঢাকা ০৫:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের তথ্য ডিজিটালাইজেশন কেন করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। Logo আগামীকাল সোমবার সকাল ১০টায় এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ: যেভাবে ফল দেখবেন Logo মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ি পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী Logo আগামীকাল রোববার একদিনের সফরে চট্টগ্রাম যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী Logo গাজায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর ৩০০ দিনে অন্তত ৩০০ শিশু নিহত : ইউনিসেফ Logo চিকিৎসক সমাবেশের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। Logo গণমাধ্যম ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সাংবাদিক, মালিক ও সরকার যৌথভাবে কাজ করে চলেছে : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী Logo ১৭ জন মানুষকে কামড়ে আহত করেছে একটি বুনো বানর Logo এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামী সোমবার Logo র‍্যাব নাম বিলুপ্ত করে নতুন নামে এসআরবি গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার : খসড়া আইন প্রকাশ

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের তথ্য ডিজিটালাইজেশন কেন করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

ক্রাইম প্রতিদিন ডেস্ক:
  • আপডেট সময় ০২:১৫:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬
  • / ২৫০৮ বার পড়া হয়েছে

শুনানি শেষে সাংবাদিকদের সাথে কথা কলছেন ব্যারিস্টার ফাহমিদা আখতার : ছবি: সংগৃহীত

ফৌজদারি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের তথ্য ডিজিটালাইজেশন কেন করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

রোববার (৯ আগস্ট) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার ফাহমিদা আখতার।

স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

শুনানি শেষে ব্যারিস্টার ফাহমিদা আখতার সাংবাদিকদের বলেন, যেহেতু আমাদের দেশে অপরাধের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে, সেক্ষেত্রে একটি অনলাইন ডাটাবেজ যদি ক্রিয়েট করা যায়, যাতে করে দণ্ডিত আসামিদের রেকর্ডগুলো পাবলিকলি অ্যাভেইলেবল থাকবে। এরকম ডাটাবেজ যদি ইমপ্লিমেন্ট করা যায়, তাহলে আমি মনে করি এটা দুটো পারপাস সার্ভ করবে।

প্রথমত, দণ্ডিত আসামিদের রেকর্ডগুলো যেহেতু পাবলিকলি অ্যাভেইলেবল থাকবে, এ ইনফরমেশনটা আর কনফিডেনশিয়াল থাকবে না। যার কারণে সামাজিক ক্রিটিসিজমের ভয়ে, অস্ট্রাসিজমের ভয়ে, সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার ভয়ে অপরাধী বারবার চিন্তা করবে এবং অপরাধের সংখ্যাটাও কমবে।

দ্বিতীয়ত, আমাদের দেশে অনেকগুলো আইন রয়েছে, অপরাধ সংঘটন হওয়ার পর কঠিন শাস্তি রয়েছে, অপরাধ সংঘটন হওয়ার পর কোন আইনে মামলা করতে হবে—এরকম অনেকগুলো বিষয় রয়েছে, কিন্তু প্রিভেন্টিভ কোনো মেজার নেই। আমাদের এখনও ওই অবকাঠামো নেই। আমরা যদি কাউকে এমপ্লয় করতে চাই, কাউকে যদি ঘরে রাখতে চাই, তাহলে তার ব্যাপারে, তার ব্যাকগ্রাউন্ডের ব্যাপারে জানার কোনো ভেরিফিকেশন প্রসেস আমাদের নেই।

তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি, যদি এরকম অনলাইন ডাটাবেজ ইমপ্লিমেন্ট করা হয়, তাহলে সিটিজেনদের কন্সটিটিউশনাল যে রাইটস রয়েছে, সেগুলো আপহেল্ড হবে।

ফাহমিদা আখতার বলেন, এ বিষয়ে ব্যক্তিগতভাবে আমি মহামান্য হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করেছিলাম। আজকে সেটির শুনানি শেষে হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন, এরকম কোনো নির্দেশনা দেওয়া হবে না, যাতে করে একটি পাবলিকলি অ্যাক্সেসিবল অনলাইন ডাটাবেজ ক্রিয়েট করা হয়, যার মধ্যে দণ্ডিত আসামিদের রেকর্ড অ্যাভেইলেবল থাকবে।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের তথ্য ডিজিটালাইজেশন কেন করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

আপডেট সময় ০২:১৫:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

ফৌজদারি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের তথ্য ডিজিটালাইজেশন কেন করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

রোববার (৯ আগস্ট) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার ফাহমিদা আখতার।

স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

শুনানি শেষে ব্যারিস্টার ফাহমিদা আখতার সাংবাদিকদের বলেন, যেহেতু আমাদের দেশে অপরাধের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে, সেক্ষেত্রে একটি অনলাইন ডাটাবেজ যদি ক্রিয়েট করা যায়, যাতে করে দণ্ডিত আসামিদের রেকর্ডগুলো পাবলিকলি অ্যাভেইলেবল থাকবে। এরকম ডাটাবেজ যদি ইমপ্লিমেন্ট করা যায়, তাহলে আমি মনে করি এটা দুটো পারপাস সার্ভ করবে।

প্রথমত, দণ্ডিত আসামিদের রেকর্ডগুলো যেহেতু পাবলিকলি অ্যাভেইলেবল থাকবে, এ ইনফরমেশনটা আর কনফিডেনশিয়াল থাকবে না। যার কারণে সামাজিক ক্রিটিসিজমের ভয়ে, অস্ট্রাসিজমের ভয়ে, সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার ভয়ে অপরাধী বারবার চিন্তা করবে এবং অপরাধের সংখ্যাটাও কমবে।

দ্বিতীয়ত, আমাদের দেশে অনেকগুলো আইন রয়েছে, অপরাধ সংঘটন হওয়ার পর কঠিন শাস্তি রয়েছে, অপরাধ সংঘটন হওয়ার পর কোন আইনে মামলা করতে হবে—এরকম অনেকগুলো বিষয় রয়েছে, কিন্তু প্রিভেন্টিভ কোনো মেজার নেই। আমাদের এখনও ওই অবকাঠামো নেই। আমরা যদি কাউকে এমপ্লয় করতে চাই, কাউকে যদি ঘরে রাখতে চাই, তাহলে তার ব্যাপারে, তার ব্যাকগ্রাউন্ডের ব্যাপারে জানার কোনো ভেরিফিকেশন প্রসেস আমাদের নেই।

তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি, যদি এরকম অনলাইন ডাটাবেজ ইমপ্লিমেন্ট করা হয়, তাহলে সিটিজেনদের কন্সটিটিউশনাল যে রাইটস রয়েছে, সেগুলো আপহেল্ড হবে।

ফাহমিদা আখতার বলেন, এ বিষয়ে ব্যক্তিগতভাবে আমি মহামান্য হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করেছিলাম। আজকে সেটির শুনানি শেষে হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন, এরকম কোনো নির্দেশনা দেওয়া হবে না, যাতে করে একটি পাবলিকলি অ্যাক্সেসিবল অনলাইন ডাটাবেজ ক্রিয়েট করা হয়, যার মধ্যে দণ্ডিত আসামিদের রেকর্ড অ্যাভেইলেবল থাকবে।


প্রিন্ট