ঢাকা ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo রাষ্ট্রপতির শপথের পর মন্ত্রিসভায় শপথ নিলেন মঈন খান, পার্থ, সাচিং ও শামীম Logo মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন আরও চারজন, আজই শপথের আভাস Logo রুহুল কবির রিজভী হলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব Logo ৩৫ বছর পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোটে বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল Logo আজ দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন Logo ইরানের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য স্থগিত করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত Logo ভারতের কলকাতার একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৯ জনের মৃত্যু : সবাই বাংলাদেশি Logo বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সুযোগ কাজে লাগাতে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান : শামা ওবায়েদ ইসলাম। Logo ‘রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬’-এ প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী Logo ওমানে ভয়াবহ হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প : ইরানকে আত্মসমর্পণের আহ্বান

শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও অনিয়মের অভিযোগে হাতিয়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বরখাস্ত

সালাহ উদ্দিন সুমন,স্টাফ রিপোর্টার:
  • আপডেট সময় ১০:৪৭:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
  • / ২৫১১ বার পড়া হয়েছে

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার ম্যাকপার্শ্বন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মামুন অর রশিদকে শৃঙ্খলা ভঙ্গ, বিভিন্ন অনিয়ম ও অসদাচরণের অভিযোগে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) নোয়াখালী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ইশরাত নাসিমা হাবীব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৪(৩)(ঘ) অনুযায়ী এক অফিস আদেশে শিক্ষক মামুন অর রশিদকে বরখাস্ত করা হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও অন্যান্য শিক্ষকের সঙ্গে বিরোধে জড়ানো, অফিসে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি, অনৈতিক আচরণের ছবি মোবাইল ফোনে ধারণ, বিদ্যালয়ে অনিয়মিত উপস্থিতি, শিক্ষক হাজিরা খাতা ছিঁড়ে ফেলা, সহকর্মীদের হুমকি দেওয়া এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পরিচয়ে ফোন করার মতো একাধিক অভিযোগ ওঠে।

অভিযোগগুলোর বিষয়ে তদন্তের জন্য জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। চলতি বছরের ১৬ জুন প্রথম দফা এবং ২৪ জুন দ্বিতীয় দফা তদন্ত অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ৩০ জুলাই জারি করা অফিস আদেশে অভিযুক্ত শিক্ষককে ৩ আগস্ট ব্যক্তিগত শুনানিতে উপস্থিত হওয়ার সুযোগ দেওয়া হলেও তিনি সেখানে উপস্থিত হননি।

তদন্ত শেষে প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কর্তৃপক্ষ তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয়।

বরখাস্তের বিষয়ে মামুন অর রশিদ বলেন, “আমার সঙ্গে অন্যায় হয়েছে। আমি আদালতের মাধ্যমে ন্যায়বিচার পাব। যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আমি ব্যবস্থা নেব।”

এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ইশরাত নাসিমা হাবীব বলেন, “তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনা অসদাচরণ ও অনিয়মের বিষয়গুলো প্রমাণিত হয়েছে। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে চাকরি থেকে বরখাস্তের আদেশ দেওয়া হয়েছে।”


প্রিন্ট
ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও অনিয়মের অভিযোগে হাতিয়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বরখাস্ত

আপডেট সময় ১০:৪৭:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার ম্যাকপার্শ্বন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মামুন অর রশিদকে শৃঙ্খলা ভঙ্গ, বিভিন্ন অনিয়ম ও অসদাচরণের অভিযোগে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) নোয়াখালী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ইশরাত নাসিমা হাবীব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৪(৩)(ঘ) অনুযায়ী এক অফিস আদেশে শিক্ষক মামুন অর রশিদকে বরখাস্ত করা হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও অন্যান্য শিক্ষকের সঙ্গে বিরোধে জড়ানো, অফিসে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি, অনৈতিক আচরণের ছবি মোবাইল ফোনে ধারণ, বিদ্যালয়ে অনিয়মিত উপস্থিতি, শিক্ষক হাজিরা খাতা ছিঁড়ে ফেলা, সহকর্মীদের হুমকি দেওয়া এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পরিচয়ে ফোন করার মতো একাধিক অভিযোগ ওঠে।

অভিযোগগুলোর বিষয়ে তদন্তের জন্য জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। চলতি বছরের ১৬ জুন প্রথম দফা এবং ২৪ জুন দ্বিতীয় দফা তদন্ত অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ৩০ জুলাই জারি করা অফিস আদেশে অভিযুক্ত শিক্ষককে ৩ আগস্ট ব্যক্তিগত শুনানিতে উপস্থিত হওয়ার সুযোগ দেওয়া হলেও তিনি সেখানে উপস্থিত হননি।

তদন্ত শেষে প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কর্তৃপক্ষ তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয়।

বরখাস্তের বিষয়ে মামুন অর রশিদ বলেন, “আমার সঙ্গে অন্যায় হয়েছে। আমি আদালতের মাধ্যমে ন্যায়বিচার পাব। যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আমি ব্যবস্থা নেব।”

এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ইশরাত নাসিমা হাবীব বলেন, “তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনা অসদাচরণ ও অনিয়মের বিষয়গুলো প্রমাণিত হয়েছে। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে চাকরি থেকে বরখাস্তের আদেশ দেওয়া হয়েছে।”


প্রিন্ট