ব্যবস্থাপনা কমিটিতে শূন্যতা, জনবল-যন্ত্রপাতির সংকটে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
- আপডেট সময় ০৮:৫৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬
- / ২৫১২ বার পড়া হয়েছে
ফাহাদ-ই-আজম, সাভার : জনবল সংকট, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামের ঘাটতি, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা ও নিরাপত্তা সমস্যার সঙ্গে এবার যুক্ত হয়েছে ব্যবস্থাপনা কমিটির শূন্যতা। সব মিলিয়ে নানা সংকটের মধ্য দিয়ে চলছে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম। সরকারের পটপরিবর্তনের পর দেশের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা কমিটিতে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তার প্রভাব পড়েছে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও।
রোববার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কনফারেন্স রুমে এ অবস্থায় হাসপাতালের বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মো. সালাউদ্দিন বাবু।
সভায় উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ ফজলে বারী, ডা. আহমেদ বিন সুলতান, সাভার প্রেসক্লাবের সভাপতি নাজমুল হুদা, সাভার পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বদিউর রহমান বদি, সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল আলম, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত চিকিৎসক ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন, অবকাঠামোগত সমস্যা নিরসন, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীর সংকট দূর করা, পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং রোগীদের চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়।
এ ছাড়া হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডের পরিবেশ উন্নয়ন, রোগীদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের বিষয়টিও আলোচনায় আসে।
সভায় হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসসহ বিভিন্ন সেবার বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, হাসপাতালের বিদ্যমান সীমাবদ্ধতাগুলো চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে সমাধানের মাধ্যমে সাভারের সরকারি স্বাস্থ্যসেবাকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, শুধু সভা করে সিদ্ধান্ত নেওয়াই যথেষ্ট নয়; সিদ্ধান্তগুলোর দ্রুত বাস্তবায়নই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও ওষুধের সরবরাহ, পরীক্ষা-নিরীক্ষার সক্ষমতা বৃদ্ধি, ওয়ার্ডের পরিবেশ উন্নয়ন এবং অ্যাম্বুলেন্স সেবা নিশ্চিত করা গেলে সরকারি এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ওপর মানুষের আস্থা আরও বাড়বে।
প্রিন্ট
























