ঢাকা ১২:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ি পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী Logo আগামীকাল রোববার একদিনের সফরে চট্টগ্রাম যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী Logo গাজায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর ৩০০ দিনে অন্তত ৩০০ শিশু নিহত : ইউনিসেফ Logo চিকিৎসক সমাবেশের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। Logo গণমাধ্যম ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সাংবাদিক, মালিক ও সরকার যৌথভাবে কাজ করে চলেছে : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী Logo ১৭ জন মানুষকে কামড়ে আহত করেছে একটি বুনো বানর Logo এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামী সোমবার Logo র‍্যাব নাম বিলুপ্ত করে নতুন নামে এসআরবি গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার : খসড়া আইন প্রকাশ Logo ২০ আগস্ট হবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন  Logo কক্সবাজারের মহেশখালী থেকে ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট জাতীয় গ্যাস গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে

কবিরহাটে যুবদল নেতা আজাদকে হত্যা, ডোবায় মরদেহ উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ০৯:৩৯:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬
  • / ২৫৪২ বার পড়া হয়েছে

নোয়াখালীর কবিরহাটে আজাদ হোসেন (৩৪) নামে এক যুবদল নেতাকে গভীর রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে লাশ গুমের চেষ্টার অভিযোগে মামলা হয়েছে।

শনিবার নিহতের বোন লাভলী বেগম বাদী হয়ে কবিরহাট থানায় মামলাটি করেন। মামলার নম্বর-৪। এতে এজাহারনামীয় দুই আসামি এবং অজ্ঞাত আরও ৩-৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর আগে শুক্রবার বিকেলে কবিরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ ঘোষবাগ গ্রামের বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে আজাদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, মরদেহের গলায় দড়ি প্যাঁচানো ছিল এবং চোখের ওপর আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।

নিহত আজাদ ওই গ্রামের মৃত ফজল হকের ছেলে। তিনি কবিরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের প্রচার সম্পাদক ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বৃহস্পতিবার রাত একটার দিকে আজাদকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি। পরে শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে বাড়ির পাশের ডোবায় মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। প্রাথমিক ভাবে মাদক সেবনে বাধা দেওয়া বা আড্ডাকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, তার চাচাতো ভাই ফারুক (৪০) ও নিজাম (৩৬) তাকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে মরদেহ বাড়ির পাশে ডোবায় পেলে লাশ গুমের চেষ্টা করেন। ঘটনার পর থেকে তারা পলাতক রয়েছেন বলে দাবি স্বজনদের।

জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য গোলাম মোমিত ফয়সাল বলেন, আজাদ স্থানীয় ক্লাবঘর এলাকায় ব্যবসা করত পাশাপশি যুবদলের একজন সক্রিয় নেতা ছিলেন। রাজনৈতিক কারণে অতীতেও আজাদ একাধিকবার হামলার শিকার হয়ে ছিলেন। তিনি এ হত্যাকান্ডের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত একই বাড়ির বাসিন্দারা আত্মগোপনে থাকায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কবিরহাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। তার গলায় দড়ি প্যাঁচানো ছিল এবং চোখের ওপর আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। এ ঘটনায় নিহতের বোন বাদী হয়ে দণ্ডবিধির ৩০২, ২০১ ও ৩৪ ধারায় মামলা করেছেন। পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চালাচ্ছে।


প্রিন্ট
ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

কবিরহাটে যুবদল নেতা আজাদকে হত্যা, ডোবায় মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় ০৯:৩৯:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

নোয়াখালীর কবিরহাটে আজাদ হোসেন (৩৪) নামে এক যুবদল নেতাকে গভীর রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে লাশ গুমের চেষ্টার অভিযোগে মামলা হয়েছে।

শনিবার নিহতের বোন লাভলী বেগম বাদী হয়ে কবিরহাট থানায় মামলাটি করেন। মামলার নম্বর-৪। এতে এজাহারনামীয় দুই আসামি এবং অজ্ঞাত আরও ৩-৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর আগে শুক্রবার বিকেলে কবিরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ ঘোষবাগ গ্রামের বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে আজাদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, মরদেহের গলায় দড়ি প্যাঁচানো ছিল এবং চোখের ওপর আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।

নিহত আজাদ ওই গ্রামের মৃত ফজল হকের ছেলে। তিনি কবিরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের প্রচার সম্পাদক ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বৃহস্পতিবার রাত একটার দিকে আজাদকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি। পরে শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে বাড়ির পাশের ডোবায় মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। প্রাথমিক ভাবে মাদক সেবনে বাধা দেওয়া বা আড্ডাকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, তার চাচাতো ভাই ফারুক (৪০) ও নিজাম (৩৬) তাকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে মরদেহ বাড়ির পাশে ডোবায় পেলে লাশ গুমের চেষ্টা করেন। ঘটনার পর থেকে তারা পলাতক রয়েছেন বলে দাবি স্বজনদের।

জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য গোলাম মোমিত ফয়সাল বলেন, আজাদ স্থানীয় ক্লাবঘর এলাকায় ব্যবসা করত পাশাপশি যুবদলের একজন সক্রিয় নেতা ছিলেন। রাজনৈতিক কারণে অতীতেও আজাদ একাধিকবার হামলার শিকার হয়ে ছিলেন। তিনি এ হত্যাকান্ডের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত একই বাড়ির বাসিন্দারা আত্মগোপনে থাকায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কবিরহাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। তার গলায় দড়ি প্যাঁচানো ছিল এবং চোখের ওপর আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। এ ঘটনায় নিহতের বোন বাদী হয়ে দণ্ডবিধির ৩০২, ২০১ ও ৩৪ ধারায় মামলা করেছেন। পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চালাচ্ছে।


প্রিন্ট